সরকারি নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের টিফিনে পুষ্টিকর বিস্কুট ও পাকা কলা দেওয়ার কথা থাকলেও কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেওয়া হয়েছে কেবল কাঁচা কলা।
বিস্কুটের দেখা মেলেনি অনেক স্কুলেই। টিফিন সরবরাহ কার্যক্রম শুরুর দ্বিতীয় দিনেই শিলমুড়ী দক্ষিণ ইউনিয়নের শিয়ালোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি স্কুলে এমন নজিরবিহীন অনিয়মে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
শিয়ালোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী আহমেদ সামীর বাবা মোঃ নাছির উদ্দীন জানান, তার বাচ্চাকেও শুধু কাঁচা কলা দেওয়া হয়েছে।
শিশুদের পুষ্টির অভাব দূর করতে ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়াতে সরকার সম্প্রতি স্কুল ফিডিং কার্যক্রম জোরদার করেছে। বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রমের আওতায় উন্নত মানের বিস্কুট ও ফল সরবরাহের কথা রয়েছে।
সরকারি এই উদ্যোগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অন্যথায়, দুর্নীতির করাল গ্রাসে হারিয়ে যাবে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার এই স্বপ্ন।
এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা (প্রাথমিক) শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে তলব করেছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশী'র পিডি আহমেদ তাছনিম কে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের টিফিনে পুষ্টিকর বিস্কুট ও পাকা কলা দেওয়ার কথা থাকলেও কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেওয়া হয়েছে কেবল কাঁচা কলা।
বিস্কুটের দেখা মেলেনি অনেক স্কুলেই। টিফিন সরবরাহ কার্যক্রম শুরুর দ্বিতীয় দিনেই শিলমুড়ী দক্ষিণ ইউনিয়নের শিয়ালোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি স্কুলে এমন নজিরবিহীন অনিয়মে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
শিয়ালোরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী আহমেদ সামীর বাবা মোঃ নাছির উদ্দীন জানান, তার বাচ্চাকেও শুধু কাঁচা কলা দেওয়া হয়েছে।
শিশুদের পুষ্টির অভাব দূর করতে ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়াতে সরকার সম্প্রতি স্কুল ফিডিং কার্যক্রম জোরদার করেছে। বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রমের আওতায় উন্নত মানের বিস্কুট ও ফল সরবরাহের কথা রয়েছে।
সরকারি এই উদ্যোগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অন্যথায়, দুর্নীতির করাল গ্রাসে হারিয়ে যাবে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার এই স্বপ্ন।
এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা (প্রাথমিক) শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে তলব করেছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশী'র পিডি আহমেদ তাছনিম কে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

আপনার মতামত লিখুন