কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ২নং সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে।
এই সড়ক দিয়ে ৮ থেকে ১০টি গ্রামের মানুষ বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল ঘরে তোলেন।
সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এই সড়ক দিয়ে। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকেরা। আগে যেখানে এক হাজার টাকায় ধান পরিবহন করা যেত, এখন সেই খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার টাকায়, তাও অনেক সময় যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না।
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছিল স্থানীয়দের মাঝে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক সংস্কারের দায়িত্ব নেন সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদুল হক সজল। তিনি নিজ উদ্যোগে কয়েক ট্রাক রাবিশ, ইট ও বালু ফেলে রাস্তাটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এতে করে কৃষকেরা কিছুটা স্বস্তিতে বোরো ধান ঘরে তুলতে পারছেন।
তবে স্থানীয়দের দাবি, এই সাময়িক সমাধান নয়—দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সংস্কার জরুরি। এজন্য তারা কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা অনুরোধ জানিয়েছেন, তিনি যেন সরেজমিনে সড়কটি পরিদর্শন করে দ্রুত স্থায়ী সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ২নং সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে।
এই সড়ক দিয়ে ৮ থেকে ১০টি গ্রামের মানুষ বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল ঘরে তোলেন।
সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এই সড়ক দিয়ে। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকেরা। আগে যেখানে এক হাজার টাকায় ধান পরিবহন করা যেত, এখন সেই খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার টাকায়, তাও অনেক সময় যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না।
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছিল স্থানীয়দের মাঝে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক সংস্কারের দায়িত্ব নেন সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদুল হক সজল। তিনি নিজ উদ্যোগে কয়েক ট্রাক রাবিশ, ইট ও বালু ফেলে রাস্তাটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এতে করে কৃষকেরা কিছুটা স্বস্তিতে বোরো ধান ঘরে তুলতে পারছেন।
তবে স্থানীয়দের দাবি, এই সাময়িক সমাধান নয়—দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সংস্কার জরুরি। এজন্য তারা কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা অনুরোধ জানিয়েছেন, তিনি যেন সরেজমিনে সড়কটি পরিদর্শন করে দ্রুত স্থায়ী সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন