পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম নগরে ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। একই সঙ্গে নগরের সবচেয়ে বড় পশুর হাট সাগরিকা পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে ৮ কোটি ৮ লাখ টাকায়। ফলে কোরবানির আগেই বড় বাজারের ইজারা অনিশ্চয়তা কেটে গেছে।
সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চার দফা দরপত্র আহ্বানের পর সাগরিকা পশুর হাটের জন্য সর্বোচ্চ ৮ কোটি ৮ লাখ টাকা দর পাওয়া যায়। ন্যূনতম দর ছিল ৮ কোটি ২ লাখ টাকা। ফজলে আলিম চৌধুরী সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে এগিয়ে আছেন। দরপত্র কমিটির অনুমোদনের পর তাকে হাট বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
যদিও এবার পাওয়া দর গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। ১৪৩১ বাংলা সনে এই হাট থেকে সিটি করপোরেশনের আয় হয়েছিল ৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। তার আগের বছর ইজারা হয়েছিল ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায়। গত বছর প্রত্যাশিত দর না পাওয়ায় হাটটি ইজারা দেওয়া যায়নি।
এদিকে কোরবানির পশু কেনাবেচার সুবিধার্থে নগরের বিভিন্ন এলাকায় ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে— বাকলিয়ার নূর নগর হাউজিংয়ে কর্ণফুলী পশুর বাজার, পতেঙ্গায় টি কে গ্রুপের খালি মাঠ, সাইলো রোডসংলগ্ন টিএসপি মাঠ, বড়পোলের মহেশ খালের দুই পাড়, ওয়াজেদিয়া মোড়, আউটার রিং রোডের সিডিএ বালুর মাঠ, মোহরার জানালী হাট এলাকা, মধ্যম হালিশহর, সল্টগোলা রেল ক্রসিং, চৌধুরী হাট, হালিশহর পুলিশ লাইনের সামনে, মাদারবাড়ি পোর্ট সিটি হাউজিং, পতেঙ্গা স্টিল মিল বাজার, উত্তর হালিশহর গলিচিপা পাড়া, বারুনিঘাটা মাঠ এবং অলংকার গরুর মাঠ।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল জানান, এসব অস্থায়ী হাট বসানোর জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। নগর পুলিশের অনাপত্তি পাওয়ার পর জেলা প্রশাসন চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। এরপর হাটগুলো ইজারা দিতে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম নগরে ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। একই সঙ্গে নগরের সবচেয়ে বড় পশুর হাট সাগরিকা পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে ৮ কোটি ৮ লাখ টাকায়। ফলে কোরবানির আগেই বড় বাজারের ইজারা অনিশ্চয়তা কেটে গেছে।
সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চার দফা দরপত্র আহ্বানের পর সাগরিকা পশুর হাটের জন্য সর্বোচ্চ ৮ কোটি ৮ লাখ টাকা দর পাওয়া যায়। ন্যূনতম দর ছিল ৮ কোটি ২ লাখ টাকা। ফজলে আলিম চৌধুরী সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে এগিয়ে আছেন। দরপত্র কমিটির অনুমোদনের পর তাকে হাট বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
যদিও এবার পাওয়া দর গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। ১৪৩১ বাংলা সনে এই হাট থেকে সিটি করপোরেশনের আয় হয়েছিল ৯ কোটি ২১ লাখ টাকা। তার আগের বছর ইজারা হয়েছিল ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায়। গত বছর প্রত্যাশিত দর না পাওয়ায় হাটটি ইজারা দেওয়া যায়নি।
এদিকে কোরবানির পশু কেনাবেচার সুবিধার্থে নগরের বিভিন্ন এলাকায় ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে— বাকলিয়ার নূর নগর হাউজিংয়ে কর্ণফুলী পশুর বাজার, পতেঙ্গায় টি কে গ্রুপের খালি মাঠ, সাইলো রোডসংলগ্ন টিএসপি মাঠ, বড়পোলের মহেশ খালের দুই পাড়, ওয়াজেদিয়া মোড়, আউটার রিং রোডের সিডিএ বালুর মাঠ, মোহরার জানালী হাট এলাকা, মধ্যম হালিশহর, সল্টগোলা রেল ক্রসিং, চৌধুরী হাট, হালিশহর পুলিশ লাইনের সামনে, মাদারবাড়ি পোর্ট সিটি হাউজিং, পতেঙ্গা স্টিল মিল বাজার, উত্তর হালিশহর গলিচিপা পাড়া, বারুনিঘাটা মাঠ এবং অলংকার গরুর মাঠ।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল জানান, এসব অস্থায়ী হাট বসানোর জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। নগর পুলিশের অনাপত্তি পাওয়ার পর জেলা প্রশাসন চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। এরপর হাটগুলো ইজারা দিতে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন