আনোয়ারায় থানায় তৃতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মো. ফারুক (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১ জুন) ভোরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফারুক, আনোয়ারা উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের পূর্ব গহিরা হাড়িয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফারুককে রাউজান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। একইসঙ্গে অন্য আসামিদের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে ভুক্তভোগী শিশুটি খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। রাতে খালাতো বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে স্থানীয় একটি মুদি দোকানের সামনে থেকে প্রধান আসামি আবু তাহের (৪২) তাকে জোর করে দোকানের ভেতরে নিয়ে যায়।
সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, পরে শিশুটিকে পাশের একটি বিলে নিয়ে গিয়ে অন্য আসামিরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে তাকে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।
এ ব্যাপারে আনোয়ারা সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান বলেন দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর মামলার অন্যতম একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
আনোয়ারায় থানায় তৃতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মো. ফারুক (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১ জুন) ভোরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী মহামুনি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফারুক, আনোয়ারা উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের পূর্ব গহিরা হাড়িয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফারুককে রাউজান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। একইসঙ্গে অন্য আসামিদের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল সকালে ভুক্তভোগী শিশুটি খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। রাতে খালাতো বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে স্থানীয় একটি মুদি দোকানের সামনে থেকে প্রধান আসামি আবু তাহের (৪২) তাকে জোর করে দোকানের ভেতরে নিয়ে যায়।
সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, পরে শিশুটিকে পাশের একটি বিলে নিয়ে গিয়ে অন্য আসামিরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে তাকে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।
এ ব্যাপারে আনোয়ারা সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান বলেন দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর মামলার অন্যতম একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন