নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন মোহনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তার নাম সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আইডি থেকে বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য ও পোস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি একাধিক ভুয়া পরিচয়ের আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক উদ্যোগ ও স্থানীয় বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে অভিযোগগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা ভুয়া পরিচয়ের ব্যবহার প্রমাণিত হলে তা আইনের আওতায় আনা উচিত। একই সঙ্গে তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনের স্বার্থে ইসমাইল হোসেন মোহনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ উদ্দেশ্যে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এলাকার বিভিন্ন মহলের অভিমত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সত্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নতুন কোনো তথ্য বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন মোহনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তার নাম সংশ্লিষ্ট কয়েকটি আইডি থেকে বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য ও পোস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি একাধিক ভুয়া পরিচয়ের আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক উদ্যোগ ও স্থানীয় বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে অভিযোগগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা ভুয়া পরিচয়ের ব্যবহার প্রমাণিত হলে তা আইনের আওতায় আনা উচিত। একই সঙ্গে তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনের স্বার্থে ইসমাইল হোসেন মোহনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ উদ্দেশ্যে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এলাকার বিভিন্ন মহলের অভিমত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সত্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নতুন কোনো তথ্য বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন