মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

চান্দিনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার ২

চান্দিনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার ২

কুমিল্লার চান্দিনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- উপজেলার এতবারপুর গ্রামের ওয়ারিশ হাজী বাড়ির মৃত- আরব আলীর ছেলে বাবুল হোসেন ওরফে বাবুল (৪৫) ও মাইজখার ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামের মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. ফাহিম (২২)।

শুক্রবার (১২ জুন) দুই আসামিকে কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত বাবুল হোসেন ওরফে বাবুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজার পরোয়ানা ছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ আরও ৬টি গুরুতর মামলা আদালতে বিচারাধীন। গ্রেফতারকৃত অপরজন মো. ফাহিমকে মাদক সেবনের দায়ে ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।

দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা জিআর সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত আসামি বাবুল হোসেনকে গ্রেফতারে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দিনা থানার একটি বিশেষ টিম উপজেলার এতবারপুর (ওয়ারিশ হাজী বাড়ি) এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ আরও জানায়, একটি পুরনো অস্ত্র মামলায় আদালত বাবুলকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই সে পলাতক ছিল। সাজাপ্রাপ্ত এই অপরাধী এলাকায় অত্যন্ত ধূর্ত ও ভয়ঙ্কর হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে থানায় ২টি ডাকাতি, ২টি ডাকাতির প্রস্তুতি, ১টি ধর্ষণ এবং ১টি চাঁদাবাজির মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে, একই রাতে কামারখোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. ফাহিমকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় আনা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২০০ টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। তাকেও কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬


চান্দিনায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার ২

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার চান্দিনা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে ।


গ্রেফতারকৃতরা হলো- উপজেলার এতবারপুর গ্রামের ওয়ারিশ হাজী বাড়ির মৃত- আরব আলীর ছেলে বাবুল হোসেন ওরফে বাবুল (৪৫) ও মাইজখার ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামের মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. ফাহিম (২২)।


শুক্রবার (১২ জুন) দুই আসামিকে কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত বাবুল হোসেন ওরফে বাবুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজার পরোয়ানা ছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ আরও ৬টি গুরুতর মামলা আদালতে বিচারাধীন। গ্রেফতারকৃত অপরজন মো. ফাহিমকে মাদক সেবনের দায়ে ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।


দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা জিআর সাজাপ্রাপ্ত কুখ্যাত আসামি বাবুল হোসেনকে গ্রেফতারে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দিনা থানার একটি বিশেষ টিম উপজেলার এতবারপুর (ওয়ারিশ হাজী বাড়ি) এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।


পুলিশ আরও জানায়, একটি পুরনো অস্ত্র মামলায় আদালত বাবুলকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই সে পলাতক ছিল। সাজাপ্রাপ্ত এই অপরাধী এলাকায় অত্যন্ত ধূর্ত ও ভয়ঙ্কর হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে থানায় ২টি ডাকাতি, ২টি ডাকাতির প্রস্তুতি, ১টি ধর্ষণ এবং ১টি চাঁদাবাজির মামলা বিচারাধীন রয়েছে।


এদিকে, একই রাতে কামারখোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনের অপরাধে মো. মনির হোসেনের ছেলে মো. ফাহিমকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় আনা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত ২০০ টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। তাকেও কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই