মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

আত্রাইয়ে কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার

আত্রাইয়ে কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শিমুলিয়া রেলগেইট এলাকার পাশে নিয়ামুল বাশির (৫১) নামে এক কলেজ শিক্ষককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

 বুধবার (১৭ জুন) সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নিয়ামুল বাশির নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ চকরামচন্দ্র মহল্লার বাসিন্দা। 

তিনি আত্রাই উপজেলার বড়শিমলা মহিলা কলেজের শিক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি হজ কাফেলা ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।


নিহতের ভাই মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে তার সর্বশেষ মোবাইল ফোনে কথা হয়। এশার নামাজের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল নিয়ামুল বাশিরের। পরে আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নওগাঁ শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। 

তবে রাতে আর বাড়ি ফেরেননি।

স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা পথিমধ্যে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। পরে শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শিমুলিয়া এলাকার নির্জন সড়কের পাশে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। যেহেতু ঘটনাস্থল রেলওয়ে থানার আওতাভুক্ত, তাই বিষয়টি সান্তাহার জিআরপি থানাকে অবহিত করে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সান্তাহার জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলা রেকর্ড হওয়ার পর তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


আত্রাইয়ে কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শিমুলিয়া রেলগেইট এলাকার পাশে নিয়ামুল বাশির (৫১) নামে এক কলেজ শিক্ষককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।


 বুধবার (১৭ জুন) সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নিয়ামুল বাশির নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ চকরামচন্দ্র মহল্লার বাসিন্দা। 


তিনি আত্রাই উপজেলার বড়শিমলা মহিলা কলেজের শিক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি হজ কাফেলা ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।


নিহতের ভাই মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে তার সর্বশেষ মোবাইল ফোনে কথা হয়। এশার নামাজের পর বাড়ি ফেরার কথা ছিল নিয়ামুল বাশিরের। পরে আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নওগাঁ শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। 


তবে রাতে আর বাড়ি ফেরেননি।

স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা পথিমধ্যে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। পরে শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শিমুলিয়া এলাকার নির্জন সড়কের পাশে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।


আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। যেহেতু ঘটনাস্থল রেলওয়ে থানার আওতাভুক্ত, তাই বিষয়টি সান্তাহার জিআরপি থানাকে অবহিত করে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


সান্তাহার জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলা রেকর্ড হওয়ার পর তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই