ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টগবী দালালপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে হাবিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত হাবিবুল্লাহ উপজেলার চর জহুর উদ্দিন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তিনি গতকাল টগবী দালালপুর ইউনিয়নের লেদু মেম্বারের পোল সংলগ্ন মিস্ত্রি বাড়িতে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
পরিবারের দাবি, হাবিবুল্লাহর বোন জামাই মাহবুব মিস্ত্রির কাছে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা পাওনা ছিল। ওই পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যেই তিনি বোনের বাড়িতে এসেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে হাবিবুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার গলায় সুপারি গাছের খোল পেঁচানো অবস্থায় দেখা যায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—সে বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। নিহতের স্বজনরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ফলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে হত্যা বা আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টগবী দালালপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে হাবিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত হাবিবুল্লাহ উপজেলার চর জহুর উদ্দিন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তিনি গতকাল টগবী দালালপুর ইউনিয়নের লেদু মেম্বারের পোল সংলগ্ন মিস্ত্রি বাড়িতে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
পরিবারের দাবি, হাবিবুল্লাহর বোন জামাই মাহবুব মিস্ত্রির কাছে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা পাওনা ছিল। ওই পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যেই তিনি বোনের বাড়িতে এসেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে হাবিবুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার গলায় সুপারি গাছের খোল পেঁচানো অবস্থায় দেখা যায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—সে বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। নিহতের স্বজনরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ফলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে হত্যা বা আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন