মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

জাজিরায় সন্দেহজনিত হত্যা মামলার ১৮ দিন পরে অগ্নিসংযোগ

জাজিরায় সন্দেহজনিত হত্যা মামলার ১৮ দিন পরে অগ্নিসংযোগ

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে গৃহবধূ কনিকা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুর ১৮ দিনের মাথায় তার শ্বশুরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

গত ১ জুন কনিকা আক্তার তার দ্বিতীয় স্বামীর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যান। এ ঘটনায় ৩ জুন তার বাবা রাজ্জাক মাদবর জাজিরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ১৮ জুন একদল দুর্বৃত্ত তালাবদ্ধ বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।


কনিকার শ্বশুরবাড়ির স্বজনরা কনিকার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে স্থানীয়রা জানান, তারা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিলেও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানেন না।

জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, কনিকার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যা—তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকলেও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


জাজিরায় সন্দেহজনিত হত্যা মামলার ১৮ দিন পরে অগ্নিসংযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে গৃহবধূ কনিকা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুর ১৮ দিনের মাথায় তার শ্বশুরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

গত ১ জুন কনিকা আক্তার তার দ্বিতীয় স্বামীর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যান। এ ঘটনায় ৩ জুন তার বাবা রাজ্জাক মাদবর জাজিরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ১৮ জুন একদল দুর্বৃত্ত তালাবদ্ধ বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।


কনিকার শ্বশুরবাড়ির স্বজনরা কনিকার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেখাতে পারেননি। অন্যদিকে স্থানীয়রা জানান, তারা আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিলেও ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানেন না।

জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, কনিকার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যা—তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকলেও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই