ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে দশ বছর আগে নির্মান করা একটি ব্রীজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি এখন স্থানীয়দের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রীজের দুই পাশে এখনো সংযোগ সড়ক না থাকার ফলে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের উদয়পুর , বাটামারা দুই গ্রাম সহ আশপাশের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প (এলজিইডি) আওতায় পক্ষীয়া ৪ নং ওয়ার্ডের নওয়াব মিয়ার খালের উপর উদয়পুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ বছর আগে ব্রীজটি নির্মাণ করে। ২০১৬ -১৭ অর্থ বছরে ২৯ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮ শত ৬৭ টাকা ব্যায়ে নির্মিত ব্রীজটির তৎকালীন সময়ে সংযোগ সড়কের বরাদ্ধ না থাকায় সংযোগ সড়ক নির্মান করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর উদাসীনতার কারনে প্রায় ১০ বছর পার হলেও ব্রীজটি এখন পর্যন্ত ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পরে আছে।
ব্রীজের পূর্ব পাশে রয়েছে উদয়পুর গ্রাম এবং পশ্চিম পাশে বাটামারা গ্রাম। তবে নির্মাণের পরও সেতুর দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি। শুকনো মৌসুমে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়ে। সংযোগ সড়কের স্থানে গভীর খাদ ও বর্ষার মৌসুমে মাঠে পানি জমে থাকে ব্রীজটি হয়েছে এখন মরণ ফাঁদ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে ব্রীজের থেকে একটু খানি দূর দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করেন।
এলাকাবাসী জানান, সংযোগ সড়ক না থাকায় তাঁরা চরম দুর্ভোগে রয়েছে। ।
স্থানীয় শিক্ষক সোহাগ হোসাইন বলেন, ‘সংযোগ সড়ক না থাকায় গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও শিক্ষার্থীদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে যায়। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
ব্রীজ থেকে ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত আছে উদয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিমউদ্দিন বলেন বাটামার গ্রামে থেকে অনেক ছাত্র/ছাত্রী বিদ্যালয়ে আসে, কিন্তু যাতায়াত সংযোগ সড়ক না থাকায় ছাত্র ছাত্রীদের বর্ষার মৌসুমে চরম দুর্ভোগে যাতায়াত করতে হয়।উক্ত ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চোয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন দীর্ঘ ১০ বছর আগে করা এই ব্রীজটির যোগাযোগের রাস্তা না থাকায় এলাকাবাসীর দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। তবে খুব দ্রুত এর সমাধানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা প্রকৌশলী মহিদুল ইসলাম জানান, ব্রীজটির সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ‘স্বল্প ব্যয় গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে’ অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে টেন্ডারের মাধ্যমে সংযোগ সড়ক ও সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।##

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
ভোলা বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নে দশ বছর আগে নির্মান করা একটি ব্রীজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজটি এখন স্থানীয়দের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রীজের দুই পাশে এখনো সংযোগ সড়ক না থাকার ফলে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের উদয়পুর , বাটামারা দুই গ্রাম সহ আশপাশের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প (এলজিইডি) আওতায় পক্ষীয়া ৪ নং ওয়ার্ডের নওয়াব মিয়ার খালের উপর উদয়পুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ বছর আগে ব্রীজটি নির্মাণ করে। ২০১৬ -১৭ অর্থ বছরে ২৯ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮ শত ৬৭ টাকা ব্যায়ে নির্মিত ব্রীজটির তৎকালীন সময়ে সংযোগ সড়কের বরাদ্ধ না থাকায় সংযোগ সড়ক নির্মান করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর উদাসীনতার কারনে প্রায় ১০ বছর পার হলেও ব্রীজটি এখন পর্যন্ত ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পরে আছে।
ব্রীজের পূর্ব পাশে রয়েছে উদয়পুর গ্রাম এবং পশ্চিম পাশে বাটামারা গ্রাম। তবে নির্মাণের পরও সেতুর দুই পাশে কোনো সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি। শুকনো মৌসুমে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়ে। সংযোগ সড়কের স্থানে গভীর খাদ ও বর্ষার মৌসুমে মাঠে পানি জমে থাকে ব্রীজটি হয়েছে এখন মরণ ফাঁদ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে ব্রীজের থেকে একটু খানি দূর দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করেন।
এলাকাবাসী জানান, সংযোগ সড়ক না থাকায় তাঁরা চরম দুর্ভোগে রয়েছে। ।
স্থানীয় শিক্ষক সোহাগ হোসাইন বলেন, ‘সংযোগ সড়ক না থাকায় গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও শিক্ষার্থীদের চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে যায়। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
ব্রীজ থেকে ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত আছে উদয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিমউদ্দিন বলেন বাটামার গ্রামে থেকে অনেক ছাত্র/ছাত্রী বিদ্যালয়ে আসে, কিন্তু যাতায়াত সংযোগ সড়ক না থাকায় ছাত্র ছাত্রীদের বর্ষার মৌসুমে চরম দুর্ভোগে যাতায়াত করতে হয়।উক্ত ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চোয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন দীর্ঘ ১০ বছর আগে করা এই ব্রীজটির যোগাযোগের রাস্তা না থাকায় এলাকাবাসীর দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। তবে খুব দ্রুত এর সমাধানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা প্রকৌশলী মহিদুল ইসলাম জানান, ব্রীজটির সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ‘স্বল্প ব্যয় গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে’ অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে টেন্ডারের মাধ্যমে সংযোগ সড়ক ও সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।##

আপনার মতামত লিখুন