মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

মনোহরগঞ্জে ফ্যাসিষ্ট মন্ত্রীর ভাগিনার জালিয়াতি ও অত্যাচার নিপীড়নে দিশেহারা প্রতিবেশী

মনোহরগঞ্জে ফ্যাসিষ্ট মন্ত্রীর ভাগিনার জালিয়াতি ও অত্যাচার নিপীড়নে দিশেহারা প্রতিবেশী

তাদের বাড়ির পৃথক পাকা রাস্তা আছে| তবুও তারা পাশের বাড়ির উপর দিয়ে জোর করে আরো ১টি নতুন রাস্তা করতে চায়| এই নিয়ে মামলা মোকদ্দমা হয়েছে| বহুবার শালিস হয়েছে| কিন্তু কোনো সুরাহা হচ্ছে না| কারণ তিনি ইত্তেফাকের সাংবাদিক এবং সাবেক আঃলীগ মন্ত্রীর কথিত ভাগিনা বলে কথা| তাই তিনি থামছেন না| ঘটনাটি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদরের লৎসর গ্রামের মিয়াবাড়িতে| 

নাম তার আবদুল গাফ্ফার সুমন| ফ্যাসিষ্ট সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে মামা বলে ডাকতেন| পরিচয় দেন ˆদনিক ইত্তেফাকের মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি| থাকেন ঢাকায়| চাকুরী করেন যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনে| আগে ছিলেন যমুনা ব্যাংকে| সনদ জালিয়াতি ধরা পড়ায় কর্তৃপক্ষ পদাবনতি করে পাঠান ফাউন্ডেশনে|

এই কথিত সাংবাদিক ও ফ্যাসিষ্ট সরকারের ভাগিনার জুলুম জালিয়াতি ও অত্যাচার নিপীড়নে দিশেহারা তারই নিকটতম প্রতিবেশী একটি পরিবার| বিগত ১০বছর ধরেই তারা লড়ছেন তার বিরুদ্ধে| এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ০১টি বন্টক মামলাসহ ৫টি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে| আদালতের রায়, আইন বিধি-বিধান কোনো কিছুই তাকে ও তার সংঘবদ্ধ চক্রকে থামাতে পারছে না| কারণ বিএনপি নেতারাই এখন তাকে শেল্টার দিচ্ছে| 


ভূক্তভোগী প্রতিবেশী কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি ও কৃষি  সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান-আমরা কেউ বাড়িতে থাকি না| তবু তারা আমাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে| আমার বাড়িতেই আমাকে ঘর করতে দিচ্ছে না, মার্কেট করতে দিচ্ছে না, বাড়ির সীমানা ওয়াল ভেঙ্গে ফেলেছে| জোর করে বাড়ির গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে| পুকুর ও ভেড়িতে মাছ চাষে বাধা দিচ্ছে| ১০ হাজার ইট পুকুরে ফেলে দিয়েছে| বাড়ি গেইট করতে দিচ্ছে না| আমাদের নিজ¯^ যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা তারা কেটে ফেলে ও বন্ধ করে দেয়| মোট কথা একটা মগের মুল্লুকের অবস্থা সৃষ্টি করেছে| 

এমপি মহোদয়ের কাছে লিখিত বিচার প্রার্থনা করলে তিনি ওসিকে দায়িত্ব দেন| ওসি যখন উদ্যোগ নিলো, তখন আবার বাদ সাদলো উপজেলা বিএনপি নেতারা| কিন্তু এর আগে তাঁরাই ওসিকে সুপারিশ করেছিলেন| এখন তারা জোর করে আমাদের বাড়িকে রাস্তা বানাতে চায়|

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬


মনোহরগঞ্জে ফ্যাসিষ্ট মন্ত্রীর ভাগিনার জালিয়াতি ও অত্যাচার নিপীড়নে দিশেহারা প্রতিবেশী

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image

তাদের বাড়ির পৃথক পাকা রাস্তা আছে| তবুও তারা পাশের বাড়ির উপর দিয়ে জোর করে আরো ১টি নতুন রাস্তা করতে চায়| এই নিয়ে মামলা মোকদ্দমা হয়েছে| বহুবার শালিস হয়েছে| কিন্তু কোনো সুরাহা হচ্ছে না| কারণ তিনি ইত্তেফাকের সাংবাদিক এবং সাবেক আঃলীগ মন্ত্রীর কথিত ভাগিনা বলে কথা| তাই তিনি থামছেন না| ঘটনাটি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদরের লৎসর গ্রামের মিয়াবাড়িতে| 


নাম তার আবদুল গাফ্ফার সুমন| ফ্যাসিষ্ট সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে মামা বলে ডাকতেন| পরিচয় দেন ˆদনিক ইত্তেফাকের মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি| থাকেন ঢাকায়| চাকুরী করেন যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনে| আগে ছিলেন যমুনা ব্যাংকে| সনদ জালিয়াতি ধরা পড়ায় কর্তৃপক্ষ পদাবনতি করে পাঠান ফাউন্ডেশনে|


এই কথিত সাংবাদিক ও ফ্যাসিষ্ট সরকারের ভাগিনার জুলুম জালিয়াতি ও অত্যাচার নিপীড়নে দিশেহারা তারই নিকটতম প্রতিবেশী একটি পরিবার| বিগত ১০বছর ধরেই তারা লড়ছেন তার বিরুদ্ধে| এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ০১টি বন্টক মামলাসহ ৫টি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে| আদালতের রায়, আইন বিধি-বিধান কোনো কিছুই তাকে ও তার সংঘবদ্ধ চক্রকে থামাতে পারছে না| কারণ বিএনপি নেতারাই এখন তাকে শেল্টার দিচ্ছে| 


ভূক্তভোগী প্রতিবেশী কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি ও কৃষি  সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান-আমরা কেউ বাড়িতে থাকি না| তবু তারা আমাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিচ্ছে| আমার বাড়িতেই আমাকে ঘর করতে দিচ্ছে না, মার্কেট করতে দিচ্ছে না, বাড়ির সীমানা ওয়াল ভেঙ্গে ফেলেছে| জোর করে বাড়ির গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে| পুকুর ও ভেড়িতে মাছ চাষে বাধা দিচ্ছে| ১০ হাজার ইট পুকুরে ফেলে দিয়েছে| বাড়ি গেইট করতে দিচ্ছে না| আমাদের নিজ¯^ যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা তারা কেটে ফেলে ও বন্ধ করে দেয়| মোট কথা একটা মগের মুল্লুকের অবস্থা সৃষ্টি করেছে| 


এমপি মহোদয়ের কাছে লিখিত বিচার প্রার্থনা করলে তিনি ওসিকে দায়িত্ব দেন| ওসি যখন উদ্যোগ নিলো, তখন আবার বাদ সাদলো উপজেলা বিএনপি নেতারা| কিন্তু এর আগে তাঁরাই ওসিকে সুপারিশ করেছিলেন| এখন তারা জোর করে আমাদের বাড়িকে রাস্তা বানাতে চায়|


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই