নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আবাদপুকুর হাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ রিং জাল ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে অবৈধভাবে এসব জাল মজুত ও বিক্রি করার অপরাধে মোঃ সোলায়মান হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) ০৯/০৭/২০২৬ইং আবাদপুকুর হাটে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিলা ইয়াসমিন।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার আবাদপুকুর হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও রিং জাল জব্দ করা হয়। এ সময় আইন অমান্য করে এসব নিষিদ্ধ জাল রাখার দায়ে ব্যবসায়ী মোঃ সোলাইমান হোসেনকে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে জব্দকৃত নিষিদ্ধ জালগুলো সকলের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিলা ইয়াসমিন জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় এবং মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী এসব নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাণীনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আবাদপুকুর হাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ রিং জাল ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে অবৈধভাবে এসব জাল মজুত ও বিক্রি করার অপরাধে মোঃ সোলায়মান হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) ০৯/০৭/২০২৬ইং আবাদপুকুর হাটে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিলা ইয়াসমিন।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার আবাদপুকুর হাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও রিং জাল জব্দ করা হয়। এ সময় আইন অমান্য করে এসব নিষিদ্ধ জাল রাখার দায়ে ব্যবসায়ী মোঃ সোলাইমান হোসেনকে মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান শেষে জব্দকৃত নিষিদ্ধ জালগুলো সকলের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাবিলা ইয়াসমিন জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় এবং মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী এসব নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাণীনগর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

আপনার মতামত লিখুন