কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ষাইটশালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত যুবককে হাতেনাতে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার পর পুলিশে সোপর্দ করেছে।
আটক ব্যক্তির নাম মো. দ্বীন ইসলাম (২২)। তিনি উপজেলার কোরবানপুর ইউনিয়নের খোশঘর গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে ষাইটশালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার বিকেল চারটার দিকে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলাম ভিকটিম ওই শিশুকে ফুসলিয়ে বাড়ির পাশে জঙ্গলে অবস্থিত জনৈক কাউছার মিয়ার একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে হাতেনাতে দ্বীন ইসলামকে আটক করেন। এ সময় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে গণধোলাই দিয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।
ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামকে হেফাজতে নেয়। ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘অভিযুক্তকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে হেফাজতে নেওয়ার পর ভিকটিমের বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ষাইটশালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত যুবককে হাতেনাতে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার পর পুলিশে সোপর্দ করেছে।
আটক ব্যক্তির নাম মো. দ্বীন ইসলাম (২২)। তিনি উপজেলার কোরবানপুর ইউনিয়নের খোশঘর গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে ষাইটশালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার বিকেল চারটার দিকে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলাম ভিকটিম ওই শিশুকে ফুসলিয়ে বাড়ির পাশে জঙ্গলে অবস্থিত জনৈক কাউছার মিয়ার একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে হাতেনাতে দ্বীন ইসলামকে আটক করেন। এ সময় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে গণধোলাই দিয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান।
ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামকে হেফাজতে নেয়। ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘অভিযুক্তকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে হেফাজতে নেওয়ার পর ভিকটিমের বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন