লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের বাংলাবাড়ি এলাকায় ধরলা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে মোবাইল কোর্ট। আজ রবিবার (১২ জুলাই) জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
জানা যায়, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ধরলা নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও তীরবর্তী এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ায় জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ নেয়। অভিযানের খবর পেয়ে অপরাধীরা পালিয়ে গেলেও বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত অবৈধ ড্রেজার মেশিন এবং বিপুল পরিমাণ পাইপ জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম জানান, পরিবেশ বিপর্যয় রোধ এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। পলাতক অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের বাংলাবাড়ি এলাকায় ধরলা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে মোবাইল কোর্ট। আজ রবিবার (১২ জুলাই) জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
জানা যায়, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ধরলা নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও তীরবর্তী এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ায় জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ নেয়। অভিযানের খবর পেয়ে অপরাধীরা পালিয়ে গেলেও বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত অবৈধ ড্রেজার মেশিন এবং বিপুল পরিমাণ পাইপ জব্দ করে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম জানান, পরিবেশ বিপর্যয় রোধ এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। পলাতক অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন