চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এক শিক্ষক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪শে জুলাই) উক্ত শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন- 'সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করান'।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা নয়, বিতর্কচর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় মূল্যবোধ, খেলাধুলা এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।যেখানে ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার জন্য অদূর ভবিষ্যতে বই সরবরাহ করা হবে।
এহসানুল হক মিলন বলেন,২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন কারিকুলামে নতুন বই অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের সঠিক, নির্মোহ ও তথ্যভিত্তিক ইতিহাস স্থান পাবে। ইতিহাসে কোনো ধরনের রাজনৈতিকীকরণ, প্রোপাগান্ডা বা বিকৃতি থাকবে না। তিনি বলেন, "যে ইতিহাস সত্য, সেই ইতিহাসই শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ একটি ঐতিহাসিক সত্য। দুর্ভিক্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে—সেই ঘটনাও পাঠ্যবইয়ে থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর দায় চাপিয়ে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা সংযুক্ত করা হবে না।
ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতেই উপস্থাপিত হবে।
মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাচার ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশির আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন,চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, কুমিল্লা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আহসান পারভেজ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাসির,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফজলুল হক,
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ খায়রুল আবেদীন স্বপন,সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুভাষসহ স্থানীয় বিএনপি'র বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ।
মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ শিক্ষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। বক্তারা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এক শিক্ষক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪শে জুলাই) উক্ত শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন- 'সন্তানকে নিজ প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করান'।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা নয়, বিতর্কচর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় মূল্যবোধ, খেলাধুলা এবং বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।যেখানে ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার জন্য অদূর ভবিষ্যতে বই সরবরাহ করা হবে।
এহসানুল হক মিলন বলেন,২০২৮ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন কারিকুলামে নতুন বই অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের সঠিক, নির্মোহ ও তথ্যভিত্তিক ইতিহাস স্থান পাবে। ইতিহাসে কোনো ধরনের রাজনৈতিকীকরণ, প্রোপাগান্ডা বা বিকৃতি থাকবে না। তিনি বলেন, "যে ইতিহাস সত্য, সেই ইতিহাসই শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ একটি ঐতিহাসিক সত্য। দুর্ভিক্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে—সেই ঘটনাও পাঠ্যবইয়ে থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর দায় চাপিয়ে রাজনৈতিক ব্যাখ্যা সংযুক্ত করা হবে না।
ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতেই উপস্থাপিত হবে।
মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম মান্নানের সভাপতিত্বে ও সাচার ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশির আলমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন,চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, কুমিল্লা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আহসান পারভেজ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাসির,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফজলুল হক,
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ খায়রুল আবেদীন স্বপন,সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুভাষসহ স্থানীয় বিএনপি'র বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ।
মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ শিক্ষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। বক্তারা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন