মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

কচুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

কচুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কোয়া চাঁদপুর গ্ৰামে এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার ওই গ্রামের কালাগাজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থী নাদিয়া আক্তার  উপজেলার তুলপাই গ্ৰামে মোঃ বিল্লাল হোসেন মেয়ে। সে চান্দিনা উপজেলার কৈলান উচ্চ বিদ্যালয় ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেয়‌। নাদিয়া ও তার মায়ের সাথে তার নানার বাড়ি কোয়া চাঁদপুর গ্ৰামে থাকেন। 

নিহত নাদিয়ার মা নুরুন্নাহার বেগম জানান, আমি কচুয়া টাওয়ার ও ডায়াগনস্টিক হসপিটালে আয়া পদে চাকরির  ডিউটি শেষে সকাল ১০ টায় বাড়িতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পাই। নাদিয়ার  নাম ধরে অনেকবার ডাকাডাকি করলেও তার কোন শব্দ পাওয়া যায়নি।পরে  দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে দেখি আমার মেয়ের লড়ার সাথে  গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রয়েছে।


তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে পাশ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলায় কৈলান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। সদ্য ফলাফল প্রকাশের পর জানতে পারি তিন বিষয়ে আমার মেয়ে অকৃতকার্য হয়। 

 জানা যায়, নাদিয়া আক্তারের বাবা বিল্লাল হোসেন  দ্বিতীয় বিয়ে করে তার মা  নুরুন্নাহার বেগমের ভরণপোষণ ও কোন খোঁজখবর রাখেনি। তার মা ও তারা দুই বোন  নানার বাড়িতে থাকেন। নুরুন্নাহার বেগমে একটা বেসরকারি হসপিটালে আয়া পদে চাকরি করে তার দুই মেয়ের দেখাশোনা করে। 

নাদিয়ার আত্মহত্যার সঠিক কারন জানা যায়নি। তবে স্থানীয়রা ধারনা করছে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার ক্ষোভে অথবা তার পিতার সাথে অভিমান করে সে আত্নহত্যা করেছে।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আজিজুল ইসলাম জানান,গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ও অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


কচুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কোয়া চাঁদপুর গ্ৰামে এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার ওই গ্রামের কালাগাজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থী নাদিয়া আক্তার  উপজেলার তুলপাই গ্ৰামে মোঃ বিল্লাল হোসেন মেয়ে। সে চান্দিনা উপজেলার কৈলান উচ্চ বিদ্যালয় ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেয়‌। নাদিয়া ও তার মায়ের সাথে তার নানার বাড়ি কোয়া চাঁদপুর গ্ৰামে থাকেন। 


নিহত নাদিয়ার মা নুরুন্নাহার বেগম জানান, আমি কচুয়া টাওয়ার ও ডায়াগনস্টিক হসপিটালে আয়া পদে চাকরির  ডিউটি শেষে সকাল ১০ টায় বাড়িতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পাই। নাদিয়ার  নাম ধরে অনেকবার ডাকাডাকি করলেও তার কোন শব্দ পাওয়া যায়নি।পরে  দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে দেখি আমার মেয়ের লড়ার সাথে  গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রয়েছে।


তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে পাশ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলায় কৈলান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। সদ্য ফলাফল প্রকাশের পর জানতে পারি তিন বিষয়ে আমার মেয়ে অকৃতকার্য হয়। 


 জানা যায়, নাদিয়া আক্তারের বাবা বিল্লাল হোসেন  দ্বিতীয় বিয়ে করে তার মা  নুরুন্নাহার বেগমের ভরণপোষণ ও কোন খোঁজখবর রাখেনি। তার মা ও তারা দুই বোন  নানার বাড়িতে থাকেন। নুরুন্নাহার বেগমে একটা বেসরকারি হসপিটালে আয়া পদে চাকরি করে তার দুই মেয়ের দেখাশোনা করে। 


নাদিয়ার আত্মহত্যার সঠিক কারন জানা যায়নি। তবে স্থানীয়রা ধারনা করছে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার ক্ষোভে অথবা তার পিতার সাথে অভিমান করে সে আত্নহত্যা করেছে।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আজিজুল ইসলাম জানান,গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ও অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই