ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরুচোর সন্দেহে গণপিটিুনিতে একজন নিহত হয়েছে। এসময় পিটুনিতে আশঙ্কাজনক অবস্থা একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আরিফ হোসেন। তার বাড়ি যশোর কোতয়ালি থানায়। তবে, আহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে আজ শনিবার সকাল ১০টায় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিলুফা বেগম নামে এক বিধবা নারী জানান, গভীর রাতে তার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে ওই দুজন। টের পেয়ে তিনি চিৎকার দিলে আশেপাশের গ্রামবাসী ধাওয়া দিয়ে তাদের ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দুজনকে গণধোলাই দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক ব্যক্তি মারা যান এবং অন্যজন মারাত্মকভাবে আহত হন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে আনা হয়েছে। আহত ব্যক্তিকে কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন জানান, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরুচোর সন্দেহে গণপিটিুনিতে একজন নিহত হয়েছে। এসময় পিটুনিতে আশঙ্কাজনক অবস্থা একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আরিফ হোসেন। তার বাড়ি যশোর কোতয়ালি থানায়। তবে, আহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে আজ শনিবার সকাল ১০টায় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিলুফা বেগম নামে এক বিধবা নারী জানান, গভীর রাতে তার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে ওই দুজন। টের পেয়ে তিনি চিৎকার দিলে আশেপাশের গ্রামবাসী ধাওয়া দিয়ে তাদের ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দুজনকে গণধোলাই দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক ব্যক্তি মারা যান এবং অন্যজন মারাত্মকভাবে আহত হন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে আনা হয়েছে। আহত ব্যক্তিকে কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন জানান, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। ঘটনাটি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন