কুমিল্লাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি কর্তৃক, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেল বাংলাদেশে নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ২২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। রাত আনুমানিক ২:২৫ মিনিটের সময় ৬টি মোটরসাইকেলে ৯ জন ব্যক্তি ওই এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ তাদের থামার সংকেত দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে আটককৃতদের তাদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল গুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হলে তারা কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন কিংবা মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজশে সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটর সাইকেল বাংলাদেশে এনে কুমিল্লা, ফেনী ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে।
আটককৃত ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা: ১। কামিম আহম্মদ (২৮), পিতা-তোফাজ্জল হোসেন, মাতা-সোনারা বেগম, গ্রাম-কচুয়ারপাড়, থানা-গোয়াইনঘাট, জেলা-সিলেট, ২। আঃ করিম (৩০), পিতা-মনির মিয়া, মাতা-সাহিদা বেগম, গ্রাম-শাহী ঈদগা, ৩৬ নং ওয়াড, থানা-কোতয়ালী, জেলা-সিলেট, ৩। সাইদুল ইসলাম (২২), পিতা-মোঃ শাহ আলম, মাতা-নাসিমা বেগম, গ্রাম-পুরাতন গদিগাও, থানা- সুনামগঞ্জ সদর, জেলা-সুনামগঞ্জ, ৪। পাবেল আহম্মদ (২৬), পিতা-তরিক মিয়া, মাতা-বেদেনা বেগম, গ্রাম-নলকট, থানা-জালালাবাদ, জেলা- সিলেট, ৫। হোসাইন (২৩), পিতা-আঃ খালেক, মাতা- মিনারা বেগম, গ্রাম-নীলগাও, থানা-জালালাবাদ, জেলা-সিলেট, ৬। রিপন চন্দ্র দাস (২৯), পিতা-হেমেন্দ্র চন্দ্রদাস, মাতা- ফুলতারা, গ্রাম-দিরাই চান্দপুর, থানা-দিরাই, জেলা- সুনামগঞ্জ, ৭। রাজু আহম্মদ (২৮), পিতা-সালাউদ্দিন, মাতা-সালেহা বেগম, গ্রাম-চারাদিঘীরপার, ১৬ নং ওয়াড, থানা-কোতোয়ালি, জেলা-সিলেট, ৮। আবিদুল ইসলাম (২৮), পিতা-সাহেদ আলী, মাতা-আফিয়া বেগম, গ্রাম-তাতিকোনা, থানা- ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জ, ৯। কাওছার হোসেন (২৬), পিতা- তোফাজ্জল হোসেন, মাতা-সোনারা বেগম, গ্রাম- সালুটিঘর, থানা-গোয়াইনঘাট, জেলা-সিলেট।
উদ্ধারকৃত মালামালের বিবরণ: ১। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন নীল সাদা রংয়ের Yamaha R15 ২। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন কালো রংয়ের Yamaha MT15 ৩। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন সাদা রংয়ের Yamaha R15 ৪। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন কালো রংয়ের Yamaha MT15 ৫। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন কালো রংয়ের Yamaha R15 ৬। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন নীল রংয়ের Yamaha R15 । এছাড়া কুমিল্লাতে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে পুলিশের একাধিক টিম রাতভর জন নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি কর্তৃক, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেল বাংলাদেশে নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ২২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ দিবাগত রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি এলাকার কাটা জঙ্গল বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। রাত আনুমানিক ২:২৫ মিনিটের সময় ৬টি মোটরসাইকেলে ৯ জন ব্যক্তি ওই এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ তাদের থামার সংকেত দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে আটককৃতদের তাদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল গুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হলে তারা কোনো বৈধ রেজিস্ট্রেশন কিংবা মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রদর্শন করতে পারেনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজশে সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটর সাইকেল বাংলাদেশে এনে কুমিল্লা, ফেনী ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে।
আটককৃত ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা: ১। কামিম আহম্মদ (২৮), পিতা-তোফাজ্জল হোসেন, মাতা-সোনারা বেগম, গ্রাম-কচুয়ারপাড়, থানা-গোয়াইনঘাট, জেলা-সিলেট, ২। আঃ করিম (৩০), পিতা-মনির মিয়া, মাতা-সাহিদা বেগম, গ্রাম-শাহী ঈদগা, ৩৬ নং ওয়াড, থানা-কোতয়ালী, জেলা-সিলেট, ৩। সাইদুল ইসলাম (২২), পিতা-মোঃ শাহ আলম, মাতা-নাসিমা বেগম, গ্রাম-পুরাতন গদিগাও, থানা- সুনামগঞ্জ সদর, জেলা-সুনামগঞ্জ, ৪। পাবেল আহম্মদ (২৬), পিতা-তরিক মিয়া, মাতা-বেদেনা বেগম, গ্রাম-নলকট, থানা-জালালাবাদ, জেলা- সিলেট, ৫। হোসাইন (২৩), পিতা-আঃ খালেক, মাতা- মিনারা বেগম, গ্রাম-নীলগাও, থানা-জালালাবাদ, জেলা-সিলেট, ৬। রিপন চন্দ্র দাস (২৯), পিতা-হেমেন্দ্র চন্দ্রদাস, মাতা- ফুলতারা, গ্রাম-দিরাই চান্দপুর, থানা-দিরাই, জেলা- সুনামগঞ্জ, ৭। রাজু আহম্মদ (২৮), পিতা-সালাউদ্দিন, মাতা-সালেহা বেগম, গ্রাম-চারাদিঘীরপার, ১৬ নং ওয়াড, থানা-কোতোয়ালি, জেলা-সিলেট, ৮। আবিদুল ইসলাম (২৮), পিতা-সাহেদ আলী, মাতা-আফিয়া বেগম, গ্রাম-তাতিকোনা, থানা- ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জ, ৯। কাওছার হোসেন (২৬), পিতা- তোফাজ্জল হোসেন, মাতা-সোনারা বেগম, গ্রাম- সালুটিঘর, থানা-গোয়াইনঘাট, জেলা-সিলেট।
উদ্ধারকৃত মালামালের বিবরণ: ১। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন নীল সাদা রংয়ের Yamaha R15 ২। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন কালো রংয়ের Yamaha MT15 ৩। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন সাদা রংয়ের Yamaha R15 ৪। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন কালো রংয়ের Yamaha MT15 ৫। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন কালো রংয়ের Yamaha R15 ৬। একটি রেজিঃ নাম্বার বিহীন নীল রংয়ের Yamaha R15 । এছাড়া কুমিল্লাতে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে পুলিশের একাধিক টিম রাতভর জন নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন