মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

লালমনিরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় ১জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

লালমনিরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় ১জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

লালমনিরহাটে শিশু রিয়ামনি ধর্ষণ মামলায় সুজন নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিতানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন লালমনিরহাট সদর উপজেলার তালুক খুটামারা এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে।

আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ভুক্তভোগী শিশু রিয়ামনি ও তার মা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বাড়ি ফেরার জন্য তারা লালমনিরহাট আদালত প্রাঙ্গণের সামনে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন। এ সময় সুজন শিশুটিকে ঘুরিয়ে দেখানোর কথা বলে ফুসলিয়ে আদালতসংলগ্ন এয়ারপোর্ট এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।


পরে শিশুটির কান্না ও চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সুজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বুধবার আদালত সুজনকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ছিল। আদালত চত্বরের পাশ থেকে শিশুকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বাদীপক্ষও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লালমনিরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় ১জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটে শিশু রিয়ামনি ধর্ষণ মামলায় সুজন নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিতানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন লালমনিরহাট সদর উপজেলার তালুক খুটামারা এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে।


আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ভুক্তভোগী শিশু রিয়ামনি ও তার মা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বাড়ি ফেরার জন্য তারা লালমনিরহাট আদালত প্রাঙ্গণের সামনে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন। এ সময় সুজন শিশুটিকে ঘুরিয়ে দেখানোর কথা বলে ফুসলিয়ে আদালতসংলগ্ন এয়ারপোর্ট এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।


পরে শিশুটির কান্না ও চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সুজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।


দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন হলে বুধবার আদালত সুজনকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।


রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ছিল। আদালত চত্বরের পাশ থেকে শিশুকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বাদীপক্ষও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই