নওগাঁর রাণীনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর পদক্ষেপ। প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই অভিযানে এক যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১১৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাণীনগর উপজেলার ১নং খটেশ্বর ইউনিয়নের হাটখোলা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাবিলা ইয়াসমিন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রকাশ্যে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য সেবনের অভিযোগে মোঃ আবু জাফর সিদ্দিক (৬৫) ও মোঃ রফিকুল ইসলামকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এদিকে একই অভিযানে মোঃ সেলিম খন্দকার (৩০) নামে এক যুবকের কাছ থেকে ১১৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মাঝে মাদকবিরোধী এ অভিযানে স্বস্তি ফিরে এসেছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর রাণীনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর পদক্ষেপ। প্রকাশ্যে মাদক সেবনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই অভিযানে এক যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১১৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাণীনগর উপজেলার ১নং খটেশ্বর ইউনিয়নের হাটখোলা গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন রাণীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাবিলা ইয়াসমিন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রকাশ্যে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য সেবনের অভিযোগে মোঃ আবু জাফর সিদ্দিক (৬৫) ও মোঃ রফিকুল ইসলামকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এদিকে একই অভিযানে মোঃ সেলিম খন্দকার (৩০) নামে এক যুবকের কাছ থেকে ১১৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মাঝে মাদকবিরোধী এ অভিযানে স্বস্তি ফিরে এসেছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন