মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

বরুড়ায় শ্রীপুর-বটতলী সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

বরুড়ায় শ্রীপুর-বটতলী সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্রীপুর থেকে বটতলী পর্যন্ত ৩.৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সড়কটির কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইট ও নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত এইচবিএম (হেরিংবোন/ইটের সলিং) অংশে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সাব-বেইজে ব্যবহৃত ইটের আদলাতেও তিন নম্বর ইট ও ঝামা ইটের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, সড়কের বেড থেকে পুরোনো ইটের খোয়া উঠিয়ে পুনরায় কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রোলার দিয়ে চাপ দেওয়ার সময় নিম্নমানের এসব উপকরণ ভেঙে রাবিশে পরিণত হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেন। বিশেষ করে জলাবদ্ধ বা নিচু অংশে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে তিন নম্বর ইটের কণা ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মাণাধীন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার ওই সড়কে সরেজমিনে গিয়ে এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। পুরো সড়ক যুড়েই দেখা গেছে, মাটি মিশ্রিত নিন্মমানের ইট ব্যবহারের ফলে রোলার দিয়ে ডলার পর তা রাবিশে পরিনত হয়েছে। 

এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মাসুম খান বলেন, সাইডে আমাদের নিয়মিত তদারকি আছে। অভিযোগ অনুযায়ী খোয়া গুলো আমরা ল্যাবে পরীক্ষা পাঠিয়েছি।

ঠিকাদার জসিম অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংস্কারকাজ নিয়ম অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। কিছু জামা ইট ব্যবহার করা হয়ে থাকলেও কতৃপক্ষ নির্দেশ দিলে সেগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম হয়ে থাকলে ঠিকাদারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারকাজ চলমান থাকতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে পরিদর্শন ও নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করা হলে সড়কটির স্থায়িত্ব ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বরুড়ায় শ্রীপুর-বটতলী সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্রীপুর থেকে বটতলী পর্যন্ত ৩.৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সড়কটির কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইট ও নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত এইচবিএম (হেরিংবোন/ইটের সলিং) অংশে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সাব-বেইজে ব্যবহৃত ইটের আদলাতেও তিন নম্বর ইট ও ঝামা ইটের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।


অভিযোগ রয়েছে, সড়কের বেড থেকে পুরোনো ইটের খোয়া উঠিয়ে পুনরায় কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রোলার দিয়ে চাপ দেওয়ার সময় নিম্নমানের এসব উপকরণ ভেঙে রাবিশে পরিণত হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেন। বিশেষ করে জলাবদ্ধ বা নিচু অংশে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে তিন নম্বর ইটের কণা ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মাণাধীন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।


বুধবার ও বৃহস্পতিবার ওই সড়কে সরেজমিনে গিয়ে এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। পুরো সড়ক যুড়েই দেখা গেছে, মাটি মিশ্রিত নিন্মমানের ইট ব্যবহারের ফলে রোলার দিয়ে ডলার পর তা রাবিশে পরিনত হয়েছে। 

এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মাসুম খান বলেন, সাইডে আমাদের নিয়মিত তদারকি আছে। অভিযোগ অনুযায়ী খোয়া গুলো আমরা ল্যাবে পরীক্ষা পাঠিয়েছি।


ঠিকাদার জসিম অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংস্কারকাজ নিয়ম অনুযায়ীই কাজ করা হচ্ছে। কিছু জামা ইট ব্যবহার করা হয়ে থাকলেও কতৃপক্ষ নির্দেশ দিলে সেগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম হয়ে থাকলে ঠিকাদারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারকাজ চলমান থাকতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে পরিদর্শন ও নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করা হলে সড়কটির স্থায়িত্ব ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই