ঢাকা   শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

রেল অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থনীতিতে গতি আনছে চীন



রেল অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থনীতিতে গতি আনছে চীন

৪ জানুয়ারি, রোববার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চীনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ কোং-এর কার্যবিবরণী সম্মেলন থেকে জানা গেছে, ‘চতুর্দশ পাঁচশালা’ পরিকল্পনা সময়কালে, চীনের জাতীয় রেলপথের পরিচালন দৈর্ঘ্য ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩০০ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার কিলোমিটারে দাঁড়িয়েছে, যা ১২.৮% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। উচ্চগতির রেলপথ ৩৭ হাজার ৯০০ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৫০ হাজার ৪০০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা ৩২.৯৮% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এভাবে চীন বিশ্বের বৃহত্তম ও অত্যাধুনিক উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।


২০২৫ সালে, রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ আধুনিক রেল অবকাঠামো ব্যবস্থা নির্মাণ ত্বরান্বিত করেছে এবং রেল নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এ বছর সারাদেশে রেলখাতে ৯০ হাজার ১৫০ কোটি ইউয়ান স্থায়ী সম্পদের বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৬% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। ৩ হাজার ১০৯ কিলোমিটার নতুন রেলপথ চালু হয়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৬২ কিলোমিটার উচ্চগতির রেলপথ। রেল বিনিয়োগের অর্থনৈতিক প্রণোদনা ভূমিকা স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে।


২০২৫ সালে, রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ জাতীয় ‘চতুর্দশ পাঁচশালা’ পরিকল্পনা নির্ধারিত ১০২টি প্রধান প্রকল্পের রেল-প্রকল্প এবং ‘দুই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ’ প্রকল্পের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বাস্তবায়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে। ছাংশা-কাচৌ উচ্চগতির রেলসহ ৮টি প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে এবং শেনইয়াং-পাইশান উচ্চগতির রেলসহ ২৫টি প্রকল্পের কার্যক্রম চালু হয়েছে। লজিস্টিক অবকাঠামো নির্মাণ ত্বরান্বিত করা হয়েছে এবং ৫২টি বিশেষ রেললাইন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।


‘পঞ্চদশ পাঁচশালা পরিকল্পনা’র সময়কালে, রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ রেল-নেটওয়ার্ক নির্মাণ আরও এগিয়ে নেবে। ২০৩০ সাল নাগাদ, জাতীয় রেলপথের পরিচালন দৈর্ঘ্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে, যার মধ্যে উচ্চগতির রেলপথ প্রায় ৬০ হাজার কিলোমিটার হবে। ডাবল-ট্র্যাক লাইনের অনুপাত এবং বৈদ্যুতিকীকরণের হার যথাক্রমে ৬৪% এবং ৭৮% এ পৌঁছাবে। কৌশলগত প্রধান করিডোরসমূহ সর্বাঙ্গীনভাবে শক্তিশালী হবে, ‘আট উল্লম্ব ও আট অনুভূমিক’ উচ্চগতির রেল-নেটওয়ার্ক গঠিত হবে, আঞ্চলিক আন্তঃসংযোগের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে, মালবাহী পরিবহন নেটওয়ার্কের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং বিশ্ব-স্তরের আধুনিক রেল-নেটওয়ার্ক মূলত গড়ে উঠবে। 


সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


রেল অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থনীতিতে গতি আনছে চীন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

৪ জানুয়ারি, রোববার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চীনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ কোং-এর কার্যবিবরণী সম্মেলন থেকে জানা গেছে, ‘চতুর্দশ পাঁচশালা’ পরিকল্পনা সময়কালে, চীনের জাতীয় রেলপথের পরিচালন দৈর্ঘ্য ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩০০ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার কিলোমিটারে দাঁড়িয়েছে, যা ১২.৮% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। উচ্চগতির রেলপথ ৩৭ হাজার ৯০০ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৫০ হাজার ৪০০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে, যা ৩২.৯৮% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এভাবে চীন বিশ্বের বৃহত্তম ও অত্যাধুনিক উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।


২০২৫ সালে, রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ আধুনিক রেল অবকাঠামো ব্যবস্থা নির্মাণ ত্বরান্বিত করেছে এবং রেল নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এ বছর সারাদেশে রেলখাতে ৯০ হাজার ১৫০ কোটি ইউয়ান স্থায়ী সম্পদের বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৬% বৃদ্ধি নির্দেশ করে। ৩ হাজার ১০৯ কিলোমিটার নতুন রেলপথ চালু হয়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৬২ কিলোমিটার উচ্চগতির রেলপথ। রেল বিনিয়োগের অর্থনৈতিক প্রণোদনা ভূমিকা স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে।


২০২৫ সালে, রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ জাতীয় ‘চতুর্দশ পাঁচশালা’ পরিকল্পনা নির্ধারিত ১০২টি প্রধান প্রকল্পের রেল-প্রকল্প এবং ‘দুই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ’ প্রকল্পের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বাস্তবায়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে। ছাংশা-কাচৌ উচ্চগতির রেলসহ ৮টি প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে এবং শেনইয়াং-পাইশান উচ্চগতির রেলসহ ২৫টি প্রকল্পের কার্যক্রম চালু হয়েছে। লজিস্টিক অবকাঠামো নির্মাণ ত্বরান্বিত করা হয়েছে এবং ৫২টি বিশেষ রেললাইন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।


‘পঞ্চদশ পাঁচশালা পরিকল্পনা’র সময়কালে, রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে গ্রুপ রেল-নেটওয়ার্ক নির্মাণ আরও এগিয়ে নেবে। ২০৩০ সাল নাগাদ, জাতীয় রেলপথের পরিচালন দৈর্ঘ্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে, যার মধ্যে উচ্চগতির রেলপথ প্রায় ৬০ হাজার কিলোমিটার হবে। ডাবল-ট্র্যাক লাইনের অনুপাত এবং বৈদ্যুতিকীকরণের হার যথাক্রমে ৬৪% এবং ৭৮% এ পৌঁছাবে। কৌশলগত প্রধান করিডোরসমূহ সর্বাঙ্গীনভাবে শক্তিশালী হবে, ‘আট উল্লম্ব ও আট অনুভূমিক’ উচ্চগতির রেল-নেটওয়ার্ক গঠিত হবে, আঞ্চলিক আন্তঃসংযোগের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে, মালবাহী পরিবহন নেটওয়ার্কের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং বিশ্ব-স্তরের আধুনিক রেল-নেটওয়ার্ক মূলত গড়ে উঠবে। 


সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত