দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালনা করছে বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২’। এই অভিযানে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান শুরুর পর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মোট ১,৬৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী, মাদক কারবারি এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি।
অভিযানকালে অপরাধীদের কাছ থেকে ২৪২টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানায় পুলিশ। পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত বা অবৈধভাবে চলাচলকারী ৮,৯৭৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে, যা অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা যায়,
“দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে নির্বিঘ্ন জীবনযাপনের সুযোগ করে দিতেই এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ধরনের অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
অপরাধীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এমন অভিযানে সাধারণ জনগণকে অপরাধ দমনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানায় জানানোর অনুরোধ করা হয়।
বাংলাদেশ পুলিশ আরো জানায়, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২ চলমান থাকবে এবং দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালনা করছে বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২’। এই অভিযানে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান শুরুর পর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে মোট ১,৬৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী, মাদক কারবারি এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি।
অভিযানকালে অপরাধীদের কাছ থেকে ২৪২টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানায় পুলিশ। পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত বা অবৈধভাবে চলাচলকারী ৮,৯৭৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে, যা অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য সূত্রে জানা যায়,
“দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে নির্বিঘ্ন জীবনযাপনের সুযোগ করে দিতেই এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ধরনের অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
অপরাধীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এমন অভিযানে সাধারণ জনগণকে অপরাধ দমনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানায় জানানোর অনুরোধ করা হয়।
বাংলাদেশ পুলিশ আরো জানায়, অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ–২ চলমান থাকবে এবং দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন