ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

বুড়িচংয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৪ জন



বুড়িচংয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৪ জন

রোব১ জানুয়ারি  কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামে বাচ্চার মল মূত্র  ময়লা (ব্যবহৃত পেম্পাস) ফেলা নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই সন্তানের জননী ও অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে চাচাতো ভাই কুপিয়ে হত্যা করেছে এবং এঘটনায় আরও ৪ জন গুরুতর  আহত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুতফুর রহমান। রোববার ১১ জানুয়ারি উপজেলার পৌর সভার জগতপুর নাগরবাড়ীতে দুপুর ২ টায় ঘটনা ঘটেছে।


পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান উপজেলার জগতপুর নাগরবাড়ীতে গত শুক্রবার বাচ্চাদের মল মূত্র পেম্পাস বাড়ীর আঙ্গিনায় ফেলার বিরোধ কে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে রোববার ১১ জানুয়ারি দুপুর ২ টায় চলমান বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষ বাধে এতে

ফাহিমা আক্তার (২৫) নিহত হয়। তিনি জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে এবং দেবিদ্বার উপজেলার ছুটনা গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ও অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এক সপ্তাহ আগে তিনি বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে বাড়ির উঠোনে শিশুদের ব্যবহৃত একটি পেম্পাস ফেলা নিয়ে ফাহিমার সঙ্গে তার চাচাতো ভাই সাইদ সিয়ামের কথা-কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য গোসলখানায় প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তার ৪-৫ জন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফাহিমাকে গুরুতর আহত করে।



ফাহিমার চিৎকারে তার চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন ও বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করে।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।” সন্ধ্যা পৌনে ৭ টা পর্যন্ত এঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়নি তবে থানা সূত্র জানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬


বুড়িচংয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৪ জন

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রোব১ জানুয়ারি  কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামে বাচ্চার মল মূত্র  ময়লা (ব্যবহৃত পেম্পাস) ফেলা নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই সন্তানের জননী ও অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে চাচাতো ভাই কুপিয়ে হত্যা করেছে এবং এঘটনায় আরও ৪ জন গুরুতর  আহত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুতফুর রহমান। রোববার ১১ জানুয়ারি উপজেলার পৌর সভার জগতপুর নাগরবাড়ীতে দুপুর ২ টায় ঘটনা ঘটেছে।



পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান উপজেলার জগতপুর নাগরবাড়ীতে গত শুক্রবার বাচ্চাদের মল মূত্র পেম্পাস বাড়ীর আঙ্গিনায় ফেলার বিরোধ কে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে রোববার ১১ জানুয়ারি দুপুর ২ টায় চলমান বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষ বাধে এতে

ফাহিমা আক্তার (২৫) নিহত হয়। তিনি জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে এবং দেবিদ্বার উপজেলার ছুটনা গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ও অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এক সপ্তাহ আগে তিনি বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে বাড়ির উঠোনে শিশুদের ব্যবহৃত একটি পেম্পাস ফেলা নিয়ে ফাহিমার সঙ্গে তার চাচাতো ভাই সাইদ সিয়ামের কথা-কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য গোসলখানায় প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তার ৪-৫ জন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফাহিমাকে গুরুতর আহত করে।



ফাহিমার চিৎকারে তার চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন ও বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করে।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।” সন্ধ্যা পৌনে ৭ টা পর্যন্ত এঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়নি তবে থানা সূত্র জানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত