শেরপুরেল জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় পবিত্র মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাজারে দেখা যায়, সবজি, মাছ ও মাংসসহ অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, আলু ২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা, শুকনো মরিচ ৩০০ টাকা এবং বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের মধ্যে রুই ৪০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা, কক মুরগি ২৮০–৩০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০–৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রমজান উপলক্ষে বাজারে কিছু পণ্যের সরবরাহ কম থাকায় সবজি, খেজুর, আপেল, কমলা, আঙুর, ছোলা, বুট ও খেসারির দামও বেড়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। রসুন, আদা, ভোজ্যতেল ও বিভিন্ন মসলার দামও ঊর্ধ্বমুখী। গরুর মাংসের দাম প্রায় স্থিতিশীল থাকলেও খাসির মাংসের দাম বেড়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য রমজান মাসে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ অসাধু সিন্ডিকেটের প্রভাব থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন।
সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
রমজানের শুরুতেই যদি এভাবে মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। তাই দ্রুত কার্যকর বাজার তদারকি ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেরপুরেল জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় পবিত্র মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাজারে দেখা যায়, সবজি, মাছ ও মাংসসহ অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ টাকা, আলু ২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা, শুকনো মরিচ ৩০০ টাকা এবং বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের মধ্যে রুই ৪০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা, কক মুরগি ২৮০–৩০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০–৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রমজান উপলক্ষে বাজারে কিছু পণ্যের সরবরাহ কম থাকায় সবজি, খেজুর, আপেল, কমলা, আঙুর, ছোলা, বুট ও খেসারির দামও বেড়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। রসুন, আদা, ভোজ্যতেল ও বিভিন্ন মসলার দামও ঊর্ধ্বমুখী। গরুর মাংসের দাম প্রায় স্থিতিশীল থাকলেও খাসির মাংসের দাম বেড়েছে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য রমজান মাসে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ অসাধু সিন্ডিকেটের প্রভাব থাকার কথাও উল্লেখ করেছেন।
সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় কিছু ব্যবসায়ী দাম বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
রমজানের শুরুতেই যদি এভাবে মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে। তাই দ্রুত কার্যকর বাজার তদারকি ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন