চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামে মালেক কোম্পানির বাড়ির সেলিম ও ফয়েজ আহমেদ এর দুটি বসতঘর ও ১ টি রান্নাঘরসহ ৩ টি ঘর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সব শেষ হয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে -অগ্নি সংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ডুমুরিয়া গ্রামের মহররম আলীর পুত্র সেলিম ও আবু তাহেরের পুত্র ফয়েজ আহমেদ দুজনেই ওই সময়ে বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাদের স্ত্রী পরিবাররা ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। ফলে অগ্নি সংযোগের ঘটনা কিভাবে ঘটেছে তা জানা যায়নি।
স্থানীয় লোকজনরা জানিয়েছে -ইফতারের সময় এ অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। ফলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিভানোর আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে উভয় পরিবারের প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সেলিম পেশায় একজন অটো ড্রাইভার। দৈনন্দিন ইনকাম দিয়ে তার সংসার চলে। ফলে সে আজ নি:স্ব হয়ে পড়েছে। অপরদিকে ফয়েজ আহমেদ পেশায় একজন দিনমজুর। তিনি স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে ধার -দেনা করে ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কয়েক মাস আগে তার ঘরটি উত্তোলন করেছিলেন। এখন সব হারিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। পরিবার দুটি এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। এ কারণে তারা স্থানীয় বৃত্তবানসহ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের সব পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন অক্ষত অবস্থায় ছিলো।যা স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামে মালেক কোম্পানির বাড়ির সেলিম ও ফয়েজ আহমেদ এর দুটি বসতঘর ও ১ টি রান্নাঘরসহ ৩ টি ঘর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সব শেষ হয়ে যায়।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে -অগ্নি সংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ডুমুরিয়া গ্রামের মহররম আলীর পুত্র সেলিম ও আবু তাহেরের পুত্র ফয়েজ আহমেদ দুজনেই ওই সময়ে বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাদের স্ত্রী পরিবাররা ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না। ফলে অগ্নি সংযোগের ঘটনা কিভাবে ঘটেছে তা জানা যায়নি।
স্থানীয় লোকজনরা জানিয়েছে -ইফতারের সময় এ অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। ফলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিভানোর আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে উভয় পরিবারের প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সেলিম পেশায় একজন অটো ড্রাইভার। দৈনন্দিন ইনকাম দিয়ে তার সংসার চলে। ফলে সে আজ নি:স্ব হয়ে পড়েছে। অপরদিকে ফয়েজ আহমেদ পেশায় একজন দিনমজুর। তিনি স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে ধার -দেনা করে ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কয়েক মাস আগে তার ঘরটি উত্তোলন করেছিলেন। এখন সব হারিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। পরিবার দুটি এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। এ কারণে তারা স্থানীয় বৃত্তবানসহ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের সব পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন অক্ষত অবস্থায় ছিলো।যা স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন