পাঁচপুকুরিয়া গ্রাম, নামের মধ্যেই যেন আছে পুকুরের শান্ত জল, গ্রামের সৌন্দর্য আর সরলতার গল্প। কিন্তু বাস্তবতা আজ বড়ই বেদনাদায়ক। কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের এই গ্রামের একটি রান্নাঘরের দৃশ্য যেন পুরো গ্রামের অবহেলার প্রতিচ্ছবি। ঘরে প্রবেশ করাই যেখানে কষ্টকর, বৃষ্টি হলেই যেখানে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ে—সেই ঘরেই মানুষ তাদের স্বপ্ন বুনে, বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যায়।
এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দিন এনে দিন খায়। বাশ শিল্প দিয়ে দৈননদিনের কাজ। দু’বেলা ভাত জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে নতুন জামাকাপড় তো বিলাসিতা মাত্র। জীবনের প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো পূরণ করতেই যখন হিমশিম খেতে হয়, তখন শিক্ষার আলো তাদের কাছে অনেক দূরের স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়। অথচ শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি, কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না।
পাঁচপুকুরিয়ার শিশুরা আজও স্কুলের ঘণ্টাধ্বনি শোনে না, বইয়ের পাতায় স্বপ্ন আঁকতে পারে না। তাদের শৈশব কাটে অভাবের সাথে লড়াই করে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই গ্রামের শিশুদের জীবনে এনে দিতে পারে নতুন আলো, নতুন দিশা, নতুন ভবিষ্যৎ।
তাই সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও দায়িত্বশীল মানুষদের প্রতি বিনীত আহ্বান—আপনারা এগিয়ে আসুন। এই অবহেলিত গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ান। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তুলে দিন, যেখানে এই শিশুদের স্বপ্ন ডানা মেলতে পারবে।
কারণ, একটি বিদ্যালয় শুধু একটি ভবন নয়—এটি একটি প্রজন্মকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যাওয়ার প্রথম সোপান। পাঁচপুকুরিয়ার মানুষগুলোও মানুষ, তাদেরও স্বপ্ন আছে, তাদেরও অধিকার আছে সুন্দর জীবনের। একটু সহানুভূতি, একটু উদ্যোগই বদলে দিতে পারে তাদের পুরো ভবিষ্যৎ।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
পাঁচপুকুরিয়া গ্রাম, নামের মধ্যেই যেন আছে পুকুরের শান্ত জল, গ্রামের সৌন্দর্য আর সরলতার গল্প। কিন্তু বাস্তবতা আজ বড়ই বেদনাদায়ক। কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের এই গ্রামের একটি রান্নাঘরের দৃশ্য যেন পুরো গ্রামের অবহেলার প্রতিচ্ছবি। ঘরে প্রবেশ করাই যেখানে কষ্টকর, বৃষ্টি হলেই যেখানে ঘরের ভেতর পানি ঢুকে পড়ে—সেই ঘরেই মানুষ তাদের স্বপ্ন বুনে, বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যায়।
এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দিন এনে দিন খায়। বাশ শিল্প দিয়ে দৈননদিনের কাজ। দু’বেলা ভাত জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে নতুন জামাকাপড় তো বিলাসিতা মাত্র। জীবনের প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো পূরণ করতেই যখন হিমশিম খেতে হয়, তখন শিক্ষার আলো তাদের কাছে অনেক দূরের স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়। অথচ শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি, কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না।
পাঁচপুকুরিয়ার শিশুরা আজও স্কুলের ঘণ্টাধ্বনি শোনে না, বইয়ের পাতায় স্বপ্ন আঁকতে পারে না। তাদের শৈশব কাটে অভাবের সাথে লড়াই করে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই গ্রামের শিশুদের জীবনে এনে দিতে পারে নতুন আলো, নতুন দিশা, নতুন ভবিষ্যৎ।
তাই সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও দায়িত্বশীল মানুষদের প্রতি বিনীত আহ্বান—আপনারা এগিয়ে আসুন। এই অবহেলিত গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ান। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তুলে দিন, যেখানে এই শিশুদের স্বপ্ন ডানা মেলতে পারবে।
কারণ, একটি বিদ্যালয় শুধু একটি ভবন নয়—এটি একটি প্রজন্মকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যাওয়ার প্রথম সোপান। পাঁচপুকুরিয়ার মানুষগুলোও মানুষ, তাদেরও স্বপ্ন আছে, তাদেরও অধিকার আছে সুন্দর জীবনের। একটু সহানুভূতি, একটু উদ্যোগই বদলে দিতে পারে তাদের পুরো ভবিষ্যৎ।

আপনার মতামত লিখুন