কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম এমপি অবৈধভাবে নির্মিত বেড়িবাঁধ অপসারণ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের নাড়িদিয়া গ্রামের বিরুলিয়া খালে পরিদর্শনে যান তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি খালে কৃত্রিমভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়, ফলে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আশপাশের কৃষিজমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এতে প্রায় ৫০০টি পরিবার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়ে চরম ভোগান্তিতে ছিল এবং প্রায় ১২০ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।
এ সময় এমপি আবুল কালাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সমস্যার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে অবগত হন। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে একটি এক্সেভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে অবৈধ বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে করে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন এবং কৃষিকাজে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
এ বিষয়ে এমপি আবুল কালাম বলেন, “জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়
এমন কর্মকাণ্ড করা হবে না। পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের আশা করছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম এমপি অবৈধভাবে নির্মিত বেড়িবাঁধ অপসারণ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় লাকসাম উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের নাড়িদিয়া গ্রামের বিরুলিয়া খালে পরিদর্শনে যান তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি খালে কৃত্রিমভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়, ফলে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আশপাশের কৃষিজমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এতে প্রায় ৫০০টি পরিবার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়ে চরম ভোগান্তিতে ছিল এবং প্রায় ১২০ হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল।
এ সময় এমপি আবুল কালাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সমস্যার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে অবগত হন। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে একটি এক্সেভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে অবৈধ বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেন।
স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে করে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন এবং কৃষিকাজে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
এ বিষয়ে এমপি আবুল কালাম বলেন, “জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়
এমন কর্মকাণ্ড করা হবে না। পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের আশা করছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন