কুমিল্লার বুড়িচংয়ে অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে তুচ্ছ বিরোধ মুহূর্তেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রূপ নিয়েছে। ধস্তাধস্তির সময় জ্বলন্ত বিড়ির আগুন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দুটি প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি। এতে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন তিন যুবক এবং কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার বিকেলে বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া সংলগ্ন শাহদৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে কয়েকজনের মধ্যে টানাহেঁচড়া ও ধস্তাধস্তির সময় একটি জ্বলন্ত বিড়ির আগুন পাশের প্লাস্টিক কারখানায় পড়ে যায়। মুহূর্তেই দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে এবং দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দুটি প্লাস্টিক ফ্যাক্টরির প্রায় ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন স্থানীয় তিনজন— ওহেদ ভুঁইয়ার ছেলে মো. সোলাইমান (৩২), নজরুল ইসলাম নজা'র ছেলে তানভীর হোসেন (১৯) এবং শরীফ মিয়ার ছেলে মো. শুভ। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে তুচ্ছ বিরোধ মুহূর্তেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রূপ নিয়েছে। ধস্তাধস্তির সময় জ্বলন্ত বিড়ির আগুন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দুটি প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি। এতে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন তিন যুবক এবং কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শনিবার বিকেলে বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া সংলগ্ন শাহদৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে কয়েকজনের মধ্যে টানাহেঁচড়া ও ধস্তাধস্তির সময় একটি জ্বলন্ত বিড়ির আগুন পাশের প্লাস্টিক কারখানায় পড়ে যায়। মুহূর্তেই দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে এবং দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দুটি প্লাস্টিক ফ্যাক্টরির প্রায় ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন স্থানীয় তিনজন— ওহেদ ভুঁইয়ার ছেলে মো. সোলাইমান (৩২), নজরুল ইসলাম নজা'র ছেলে তানভীর হোসেন (১৯) এবং শরীফ মিয়ার ছেলে মো. শুভ। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কারখানার মালিক বিল্লাল হোসেন ও নজরুল ইসলাম জানান, “আমরা তখন ফ্যাক্টরিতে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার শুনে দৌড়ে বের হয়ে কোনোমতে প্রাণে বাঁচি। কিন্তু আগুনে আমাদের সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম।”
স্থানীয়রা জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন