ঢাকা   শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

মানসিক চাপ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের অভিযোগ

ঝালকাঠিতে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার



ঝালকাঠিতে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঝালকাঠিতে নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় কিশোর দাস (১৬) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা পৌনে ৩টার দিকে ঝালকাঠি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর ওই এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা কৃষ্ণ দাসের ছেলে।

নিহতের পরিবার জানায়, সদর হাসপাতালের পেছনের কুমারবাড়ি এলাকার এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সঙ্গে কিশোরের সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে কিশোরীর বড় বোনের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডাও হয় বলে দাবি পরিবারের।


এরপর থেকেই কিশোর মানসিক চাপে ছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে কিশোর তার মায়ের সঙ্গে বিয়ের বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি করে এবং দ্রুত বিয়ের জন্য চাপ দেয়। পরে তার মা বাজারে গেলে দুপুরের দিকে সে ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলে পড়ে।

স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুলতানা ছনিয়া বলেন, “হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

এদিকে কিশোরীর পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কিশোরীর বাবা বলেন, তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করা হতো। তাদের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। একই দাবি করেন কিশোরীর বড় বোনও।

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


ঝালকাঠিতে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঝালকাঠিতে নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় কিশোর দাস (১৬) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা পৌনে ৩টার দিকে ঝালকাঠি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর ওই এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা কৃষ্ণ দাসের ছেলে।


নিহতের পরিবার জানায়, সদর হাসপাতালের পেছনের কুমারবাড়ি এলাকার এক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সঙ্গে কিশোরের সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে কিশোরীর বড় বোনের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডাও হয় বলে দাবি পরিবারের।


এরপর থেকেই কিশোর মানসিক চাপে ছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে কিশোর তার মায়ের সঙ্গে বিয়ের বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি করে এবং দ্রুত বিয়ের জন্য চাপ দেয়। পরে তার মা বাজারে গেলে দুপুরের দিকে সে ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলে পড়ে।


স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুলতানা ছনিয়া বলেন, “হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। গলায় ফাঁসের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।


এদিকে কিশোরীর পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কিশোরীর বাবা বলেন, তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করা হতো। তাদের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না বলে দাবি করেন তিনি। একই দাবি করেন কিশোরীর বড় বোনও।


ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত