পাথরঘাটা পৌরসভার দূষণ রোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মুভমেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে পাথরঘাটা পৌরসভায় বর্জ্য দুষন রোধে কাচা বাজার এলাকায় অর্ধ-দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। অ্যাক্টিভিস্টা বরগুনার আয়োজনে এবং নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শহরের এক দিনের বর্জ্য স্তুপ করা হয়।
এরপর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, তরুণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নিরবতা কর্মসূচী পালন করা হয়। পরে মুভমেন্টে অংশগ্রহণকারী বক্তারা পৌরবাসীর বর্জ্য দুষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ডাম্পিং ষ্টেশন করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মজিবুল হায়দারের কাছে দাবি তুলে ধরেন। পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী সকলের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং তিনি বলেন-“অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডাম্পিং স্টেশনের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত শুরু হবে এবং মুভমেন্টে বক্তারা ক্রমবর্ধমান বর্জ্য দূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তা লাঘব করতে শহরের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিন অপসারণ করা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে মনিটরিং কাজ জোরালো করার জন্য সহকারী প্রকৌশলীকে নির্দেশনা প্রদান করেন”।
ধরিত্রী আন্দোলনের পাথরঘাটা উপজেলা সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন-“পরিবেশ দূষণ রোধে সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই। আমরা সচেতন তরুন সমাজকে নিয়ে যদি এখনই উদ্যোগ না নিই, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশ পাবে। তাই সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।”মুভমেন্ট শেষে ’নো পলিথিন ডে’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কিছু মুদি-মনিহারী,ফার্মেসী, হোটেল, ফলের দোকানে পলিথিন ব্যাগের বিকল্প পরিবেশ বান্ধব কাগজের ব্যাগ ও নেট সরবরাহ করা হয়।
মুভমেন্টে অংশগ্রহণকারীরা যেখানে-সেখানে বর্জ্য না ফেলা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, যাতে পাথরঘাটা পৌরসভাকে বর্জ্য দূষণের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।
এছাড়াও মুভমেন্টে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী এরফান আহমেদ সোয়েন, মেহেদি হাসান, গণমাধ্যমকর্মী জিয়াউর রহমান ফাহিম, এক্টিভিস্টা বরগুনা, এফরটি প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো: মনিরুজ্জামান, একশনএইড বাংলাদেশ-এর ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান, ইয়ুথ ফেলো, প্রকল্প অফিসারসহ পৌরবাসী।।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
পাথরঘাটা পৌরসভার দূষণ রোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মুভমেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে পাথরঘাটা পৌরসভায় বর্জ্য দুষন রোধে কাচা বাজার এলাকায় অর্ধ-দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। অ্যাক্টিভিস্টা বরগুনার আয়োজনে এবং নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শহরের এক দিনের বর্জ্য স্তুপ করা হয়।
এরপর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, তরুণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নিরবতা কর্মসূচী পালন করা হয়। পরে মুভমেন্টে অংশগ্রহণকারী বক্তারা পৌরবাসীর বর্জ্য দুষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ডাম্পিং ষ্টেশন করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মজিবুল হায়দারের কাছে দাবি তুলে ধরেন। পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী সকলের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং তিনি বলেন-“অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডাম্পিং স্টেশনের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত শুরু হবে এবং মুভমেন্টে বক্তারা ক্রমবর্ধমান বর্জ্য দূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তা লাঘব করতে শহরের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিন অপসারণ করা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে মনিটরিং কাজ জোরালো করার জন্য সহকারী প্রকৌশলীকে নির্দেশনা প্রদান করেন”।
ধরিত্রী আন্দোলনের পাথরঘাটা উপজেলা সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন-“পরিবেশ দূষণ রোধে সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই। আমরা সচেতন তরুন সমাজকে নিয়ে যদি এখনই উদ্যোগ না নিই, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশ পাবে। তাই সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।”মুভমেন্ট শেষে ’নো পলিথিন ডে’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কিছু মুদি-মনিহারী,ফার্মেসী, হোটেল, ফলের দোকানে পলিথিন ব্যাগের বিকল্প পরিবেশ বান্ধব কাগজের ব্যাগ ও নেট সরবরাহ করা হয়।
মুভমেন্টে অংশগ্রহণকারীরা যেখানে-সেখানে বর্জ্য না ফেলা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, যাতে পাথরঘাটা পৌরসভাকে বর্জ্য দূষণের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।
এছাড়াও মুভমেন্টে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী এরফান আহমেদ সোয়েন, মেহেদি হাসান, গণমাধ্যমকর্মী জিয়াউর রহমান ফাহিম, এক্টিভিস্টা বরগুনা, এফরটি প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো: মনিরুজ্জামান, একশনএইড বাংলাদেশ-এর ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান, ইয়ুথ ফেলো, প্রকল্প অফিসারসহ পৌরবাসী।।

আপনার মতামত লিখুন