কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা-এ মাদক কারবারের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত এনামুল হক শিশির ওরফে মাহি (৩৫) বুড়িচং পৌরসভার পূর্ণমতি গ্রামের কামরুল হক ফরহাদের সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে বুড়িচং পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় মাহির শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় একই সম্প্রদায়ের জহিরুল ইসলাম আপন ওরফে জহির। আগুনে দগ্ধ হয়ে মাহি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা কামরুল হক ফরহাদ বাদী হয়ে বুড়িচং থানা-য় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান অভিযুক্ত জহির এখনো পলাতক রয়েছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “ঘটনার পর হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা-এ মাদক কারবারের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত এনামুল হক শিশির ওরফে মাহি (৩৫) বুড়িচং পৌরসভার পূর্ণমতি গ্রামের কামরুল হক ফরহাদের সন্তান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে বুড়িচং পৌরসভার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় মাহির শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় একই সম্প্রদায়ের জহিরুল ইসলাম আপন ওরফে জহির। আগুনে দগ্ধ হয়ে মাহি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, মাহির শ্বাসনালীসহ শরীরের প্রায় ৪৪ শতাংশ পুড়ে যায়। আইসিইউতে টানা চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার (১৭ মে) বিকেল ৫টার দিকে তিনি মারা যান।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকার সরকারি জায়গায় কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। নিহত মাহিও অতীতে মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেছিলেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি মাদকের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সেই বিরোধের জের ধরেই এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা কামরুল হক ফরহাদ বাদী হয়ে বুড়িচং থানা-য় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান অভিযুক্ত জহির এখনো পলাতক রয়েছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “ঘটনার পর হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন