মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

যোগিপুকুরিয়া গ্রামে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি

বরুড়ায় বাবার দাফন নিয়ে সন্তানের বিরোধিতা

বরুড়ায় বাবার দাফন নিয়ে সন্তানের বিরোধিতা

কুমিল্লার বরুড়ায় যোগিপুরিয়া গ্রামের আনছর আলী (আজ ৩ জুন দুপুরে ইন্তেকাল করেন) ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।  এর মৃত্যু ঘিরে এক হৃদয়বিদারক ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মরহুম আনছর আলীর জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব সাহারপদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে তাঁর নিজ সন্তান, প্রবাসী আবদুল জলিলের বিরোধিতার কারণে এখনো মরদেহের গোসল ও দাফনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও দুঃখের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অমানবিক বলে মন্তব্য করেছেন।


সাবেক পৌর  কমিশনার জাকির হোসেন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। একজন সন্তানের এমন আচরণ মেনে নেওয়া কঠিন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”

আবদুল জলিল বলেন  পিতার সাথে আমার হিসাব রয়েছে।  এ কথা স্হানীয় কমিশনার কে জানান।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে মরহুমের দাফন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করা  যায়।


এ বিষয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক বলেন, এ বিষয় আমার জানা নেই। যেহেতু সংবাদ পেয়েছি এখনই সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


বরুড়ায় বাবার দাফন নিয়ে সন্তানের বিরোধিতা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার বরুড়ায় যোগিপুরিয়া গ্রামের আনছর আলী (আজ ৩ জুন দুপুরে ইন্তেকাল করেন) ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।  এর মৃত্যু ঘিরে এক হৃদয়বিদারক ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মরহুম আনছর আলীর জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব সাহারপদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে তাঁর নিজ সন্তান, প্রবাসী আবদুল জলিলের বিরোধিতার কারণে এখনো মরদেহের গোসল ও দাফনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও দুঃখের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বিষয়টিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অমানবিক বলে মন্তব্য করেছেন।


সাবেক পৌর  কমিশনার জাকির হোসেন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। একজন সন্তানের এমন আচরণ মেনে নেওয়া কঠিন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”

আবদুল জলিল বলেন  পিতার সাথে আমার হিসাব রয়েছে।  এ কথা স্হানীয় কমিশনার কে জানান।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে মরহুমের দাফন কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করা  যায়।


এ বিষয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক বলেন, এ বিষয় আমার জানা নেই। যেহেতু সংবাদ পেয়েছি এখনই সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই