মুক্তির লড়াই

মতামত

বাংলাদেশ আমাদের

ঐক্য ও সম্প্রীতিই হোক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বড়ো হাতিয়ার

ঐক্য ও সম্প্রীতিই হোক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বড়ো হাতিয়ার

​বর্তমানে বাংলাদেশ এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল সময় পার করছে। দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে এবং এক ধরনের কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা বা গৃহবিবাদের পরিস্থিতি তৈরি করতে ভেতর ও বাহিরের কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছে।

 উসকানিমূলক বক্তব্য, সীমান্ত সংকট তৈরি এবং সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করার মতো ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়; বরং এগুলো দেশের সার্বভৌমত্ব ও শান্তি বিনষ্ট করার এক গভীর চক্রান্তের অংশ।

​ইতিহাস সাক্ষী, এ দেশের মানুষ চরম সংকটেও সবসময় ধৈর্য ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে এ দেশের মূল শক্তি হলো পারস্পরিক সহনশীলতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা। তাই যেকোনো ধরনের উসকানি বা অপপ্রচারে কান দিয়ে নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা যাবে না। কোনো উগ্রবাদী এজেন্ডা যেন আমাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় শান্তিকে বিপন্ন করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।


​আমাদের করণীয়:

​বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকা: যেকোনো উসকানিমূলক বা উগ্রবাদী বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডকে কঠোরভাবে বর্জন করতে হবে।

​সম্প্রীতি রক্ষা: কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে সকল ধর্মের ও মতের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

​জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা: দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে আমাদের নিজেদের মধ্যকার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভেদ ভুলে একতাবদ্ধ হতে হবে।

​আমরা যদি নিজেদের জায়গায় সচেতন, দায়িত্বশীল এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, তবে যেকোনো বহিরাগত বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হতে বাধ্য। আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও ইস্পাতকঠিন ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।

 ইনশাআল্লাহ, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সব সংকট কাটিয়ে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


ঐক্য ও সম্প্রীতিই হোক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বড়ো হাতিয়ার

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

​বর্তমানে বাংলাদেশ এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল সময় পার করছে। দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে এবং এক ধরনের কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা বা গৃহবিবাদের পরিস্থিতি তৈরি করতে ভেতর ও বাহিরের কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছে।


 উসকানিমূলক বক্তব্য, সীমান্ত সংকট তৈরি এবং সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করার মতো ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়; বরং এগুলো দেশের সার্বভৌমত্ব ও শান্তি বিনষ্ট করার এক গভীর চক্রান্তের অংশ।


​ইতিহাস সাক্ষী, এ দেশের মানুষ চরম সংকটেও সবসময় ধৈর্য ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে এ দেশের মূল শক্তি হলো পারস্পরিক সহনশীলতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা। তাই যেকোনো ধরনের উসকানি বা অপপ্রচারে কান দিয়ে নিজেদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা যাবে না। কোনো উগ্রবাদী এজেন্ডা যেন আমাদের দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্প্রীতি ও রাষ্ট্রীয় শান্তিকে বিপন্ন করতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।


​আমাদের করণীয়:

​বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকা: যেকোনো উসকানিমূলক বা উগ্রবাদী বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডকে কঠোরভাবে বর্জন করতে হবে।


​সম্প্রীতি রক্ষা: কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহলের পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে সকল ধর্মের ও মতের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।


​জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা: দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে আমাদের নিজেদের মধ্যকার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভেদ ভুলে একতাবদ্ধ হতে হবে।


​আমরা যদি নিজেদের জায়গায় সচেতন, দায়িত্বশীল এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, তবে যেকোনো বহিরাগত বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হতে বাধ্য। আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও ইস্পাতকঠিন ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।


 ইনশাআল্লাহ, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সব সংকট কাটিয়ে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই