নীলফামারীর খোকসাবাড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেলতলী বাজার থেকে উত্তরে ভবানীগঞ্জ সড়ক এলাকায় একটি মুরগির খামারকে ঘিরে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় খামারি মোঃ আশরাফুল ইসলাম তার খামারের পাশে থাকা একটি পুকুরে মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে খামারের মুরগির বিষ্ঠা পুকুরে ফেলা হচ্ছে, যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পানির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। এতে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।
এ বিষয়ে খামারি মোঃ আশরাফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এসময় তিনি স্থানীয় কিছু উৎশৃঙ্খল লোকজনকে ডেকে এনে সাংবাদিকদের হেনস্থা করার অপচেষ্টা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, “পুকুরে নিয়মিত মুরগির বিষ্ঠা ফেলার কারণে পানির রং পরিবর্তন হয়ে গেছে এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আমরা এই পানি ব্যবহার করতে পারছি না, এতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এভাবে খামারের বর্জ্য ফেলা হলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ আব্দুস সালামকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, “বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি পরিবেশের ক্ষতি সাধন করতে পারে এমন বর্জ্য বা পদার্থ জলাশয়ে ফেলতে পারেন না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। এছাড়া মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন অনুযায়ী জলাশয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করে এমন কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
সচেতন মহল মনে করছেন, পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ জরুরি।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
নীলফামারীর খোকসাবাড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেলতলী বাজার থেকে উত্তরে ভবানীগঞ্জ সড়ক এলাকায় একটি মুরগির খামারকে ঘিরে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় খামারি মোঃ আশরাফুল ইসলাম তার খামারের পাশে থাকা একটি পুকুরে মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে খামারের মুরগির বিষ্ঠা পুকুরে ফেলা হচ্ছে, যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পানির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। এতে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।
এ বিষয়ে খামারি মোঃ আশরাফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এসময় তিনি স্থানীয় কিছু উৎশৃঙ্খল লোকজনকে ডেকে এনে সাংবাদিকদের হেনস্থা করার অপচেষ্টা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, “পুকুরে নিয়মিত মুরগির বিষ্ঠা ফেলার কারণে পানির রং পরিবর্তন হয়ে গেছে এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। আমরা এই পানি ব্যবহার করতে পারছি না, এতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।”
আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এভাবে খামারের বর্জ্য ফেলা হলে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ আব্দুস সালামকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, “বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি পরিবেশের ক্ষতি সাধন করতে পারে এমন বর্জ্য বা পদার্থ জলাশয়ে ফেলতে পারেন না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। এছাড়া মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন অনুযায়ী জলাশয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করে এমন কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
সচেতন মহল মনে করছেন, পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন