নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে দুই সাংবাদিককে মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ (ইমো) কল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. ইকবালের বিরুদ্ধে মাদক-সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশের পর এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে প্রথমে এক জাতীয় দৈনিকের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারকে মোবাইল ফোনে কল করে সংবাদটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে একই বিষয়ে আরেকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ওই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও প্রকাশকের সঙ্গেও একাধিকবার মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ (ইমো) কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সংবাদ অপসারণ না করলে “খেলা হবে” বলে হুমকি দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ফেক আইডি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, মানহানিকর প্রচারণা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার কাছে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের হুমকি ও চাপের মুখে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ইকবালের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে দুই সাংবাদিককে মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ (ইমো) কল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. ইকবালের বিরুদ্ধে মাদক-সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশের পর এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে প্রথমে এক জাতীয় দৈনিকের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারকে মোবাইল ফোনে কল করে সংবাদটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে একই বিষয়ে আরেকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ওই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও প্রকাশকের সঙ্গেও একাধিকবার মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ (ইমো) কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, সংবাদ অপসারণ না করলে “খেলা হবে” বলে হুমকি দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ফেক আইডি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, মানহানিকর প্রচারণা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার কাছে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ ধরনের হুমকি ও চাপের মুখে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ইকবালের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন