নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় দীর্ঘ আট বছর ধরে পাওনা অর্থ পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে রহিম ওরফে লাম্বু রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আজিম মিয়ার দাবি, বহুবার অনুরোধ, আলোচনাসহ একাধিক সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তিনি এখনো তার পাওনা অর্থ বুঝে পাননি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সালিশে পাওনা অর্থ পরিশোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও রহিম তা বাস্তবায়ন করেননি। বরং সময়ক্ষেপণ ও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি দীর্ঘায়িত করে আসছেন।
এদিকে, পাওনা অর্থ সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী টিপু সুলতানের সহকারী সোহাগ রহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং ভুক্তভোগী আজিম মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করার কথা বলেন।
আজিম মিয়ার দাবি, পাওনা অর্থ পরিশোধের পরিবর্তে থানায় অভিযোগের ভয় দেখিয়ে তাকে এবং বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি ও হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহিম ওরফে লাম্বু রহিম অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে চলাফেরা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া তিনি একসময় সোনাইমুড়ী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয়দের দাবি, নানা বিতর্কের পর সংগঠনটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। একই কার্যালয়কে ঘিরে অর্থ লেনদেনে অনিয়ম এবং সেখানে অবৈধ জুয়ার আসর বসার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা এই প্রতিবেদকের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে রহিম ওরফে লাম্বু রহিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং পাওনা অর্থ সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় দীর্ঘ আট বছর ধরে পাওনা অর্থ পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে রহিম ওরফে লাম্বু রহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আজিম মিয়ার দাবি, বহুবার অনুরোধ, আলোচনাসহ একাধিক সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তিনি এখনো তার পাওনা অর্থ বুঝে পাননি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সালিশে পাওনা অর্থ পরিশোধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও রহিম তা বাস্তবায়ন করেননি। বরং সময়ক্ষেপণ ও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি দীর্ঘায়িত করে আসছেন।
এদিকে, পাওনা অর্থ সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক পোস্ট এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী টিপু সুলতানের সহকারী সোহাগ রহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং ভুক্তভোগী আজিম মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করার কথা বলেন।
আজিম মিয়ার দাবি, পাওনা অর্থ পরিশোধের পরিবর্তে থানায় অভিযোগের ভয় দেখিয়ে তাকে এবং বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিকদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি ও হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রহিম ওরফে লাম্বু রহিম অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে চলাফেরা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া তিনি একসময় সোনাইমুড়ী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয়দের দাবি, নানা বিতর্কের পর সংগঠনটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। একই কার্যালয়কে ঘিরে অর্থ লেনদেনে অনিয়ম এবং সেখানে অবৈধ জুয়ার আসর বসার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা এই প্রতিবেদকের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে রহিম ওরফে লাম্বু রহিমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং পাওনা অর্থ সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন