কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস ইউনিয়নের খোশবাস মিয়াজী বাড়িতে গভীর রাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পাশাপাশি পুরো ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (সোমবার দিবাগত) রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৯ জনের একটি ডাকাত দল খোশবাস মিয়াজী বাড়ির মনির হোসেনের বাড়িতে প্রবেশ করে। ডাকাতরা ঘরের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে রাখে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ডাকাত দলটি ঘর থেকে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ও ৯টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও বহিরাগত যুবকদের আনাগোনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। তাদের দাবি, মাদক নির্মূল ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটতে পারে।
স্থানীয়রা আরও জানান, ডাকাতির ঘটনার পর এখন পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়নি। ফলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ ও ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশের টহল ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার প্রকৃত পরিমাণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস ইউনিয়নের খোশবাস মিয়াজী বাড়িতে গভীর রাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পাশাপাশি পুরো ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (সোমবার দিবাগত) রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৯ জনের একটি ডাকাত দল খোশবাস মিয়াজী বাড়ির মনির হোসেনের বাড়িতে প্রবেশ করে। ডাকাতরা ঘরের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে রাখে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ডাকাত দলটি ঘর থেকে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ও ৯টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও বহিরাগত যুবকদের আনাগোনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। তাদের দাবি, মাদক নির্মূল ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটতে পারে।
স্থানীয়রা আরও জানান, ডাকাতির ঘটনার পর এখন পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়নি। ফলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ ও ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশের টহল ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার প্রকৃত পরিমাণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন