মুক্তির লড়াই

অর্থনীতি

কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ৮ বছরেও চালু হয়নি বারোবাজার হাটচাঁদনী

কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ৮ বছরেও চালু হয়নি বারোবাজার হাটচাঁদনী

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে নির্মিত দ্বিতল হাটচাঁদনী ভবনটি নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি আজও । ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি এই স্থাপনা এখন অনেকটাই অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভবনের নিচতলায় বাধ্য হয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করলেও দ্বিতীয় তলায় বাসাবাড়ির মতো বসবাস করছেন পাশে নির্মাণ কাজ চলমান থাকা একটি ভবনের নির্মাণশ্রমিকরা।

 স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ও অরক্ষিত থাকায় ভবনটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


➡️ ভবনটি  শ্রমিকদের দখল করে বসবাস  

➡️ অরক্ষিত থাকায় নষ্ট হওয়ার পথে 

➡️ রাতে বসে মাদকের আড্ডা

➡️  ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দের দাবি

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে বারোবাজার হাটচাঁদনী ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০২১ সালে কাজ শেষ হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত প্রকল্পটিতে ব্যয় হয়েছে দুই কোটি টাকারও বেশি। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ৬২টি দোকান। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরও দোকানগুলো ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।


বর্তমানে নিচতলায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নিজেদের সুবিধামতো জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। 

মানবিক দিক বিবেচনা করে হাটের ইজারাদার সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার নিচতলায় ব্যবসা করার সুযোগ দিলেও ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ব্যবসার জন্য নির্ধারিত দোকান বা স্থান পাননি। ফলে ভবনের নিচতলা ও আশপাশের জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে হচ্ছে তাদের।

অন্যদিকে, ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে পাশের ইউকেয়ার প্রকল্পের নির্মাণশ্রমিকরা বসবাস করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 স্থানীয়দের দাবি, বর্তমানে সেখানে প্রায় ৪০ জন শ্রমিক অবস্থান করছেন। ভবনের বিভিন্ন দোকানে থাকা, সিঁড়ি ও অন্যান্য স্থানে রান্নাবান্না এবং নির্মাণসামগ্রী রাখার কারণে দেয়াল, ওয়াশরুমসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি ভবনের দোতলায় শ্রমিকদের ছাগল পালতেও দেখা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি অরক্ষিত থাকায় রাতের বেলায় সেখানে মাদকের আড্ডাও বসে। ভবনের চারপাশে স্থাপন করা লাইটের বেশিরভাগই চুরি হয়ে গেছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় অনেক আগেই ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় একদিকে যেমন সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনটি কাঙ্ক্ষিত কাজে আসছে না, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

 স্থানীয়দের মতে, ভবনটি দ্রুত চালু করে দোকানগুলো প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ করা হলে ব্যবসার পরিবেশ যেমন উন্নত হবে, তেমনি সরকারও রাজস্ব পাবে।

বারোবাজার হাটের ইজারাদার মোদাচ্ছের হোসেন মোহন মিয়া বলেন, “দ্রুত উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে দোকান বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। ঘরগুলো বরাদ্দ দেওয়া হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন সেখানে ব্যবসা করতে পারবেন। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি পড়ে থাকায় আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত দোকান বরাদ্দ দিয়ে সুন্দর ব্যবসার পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশা করি।”

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রওশন আলী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা হাটচাঁদনী ভবনটি দ্রুত চালু করে দোকানগুলো প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হোক। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ দখলের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। আমরা আশা করি, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমাদের দোকান বুঝিয়ে দেবে।”


এদিকে পাশের ভবন নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা এলজিইডিতে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলী সবুজ বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেই নির্মাণসামগ্রী রাখা এবং শ্রমিকদের দ্বিতীয় তলায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তরিকুল ইসলামের এ বক্তব্য অস্বীকার করেছেন উপসহকারী প্রকৌশলী সবুজ বিশ্বাস। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সরকারি ভবনের দ্বিতীয় তলায় নির্মাণসামগ্রী রাখা ও শ্রমিকদের বসবাসের ব্যবস্থা করার বিষয়ে জানতে চাইলে তরিকুল ইসলাম বিষয়টি এড়িয়ে যান।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “ওই ভবন-সংক্রান্ত একটি চিঠি আমি এলজিইডি থেকে ইতোমধ্যে পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে কীভাবে নতুন ভবনের দোতলায় নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে এবং শ্রমিকরা সেখানে বসবাস করছেন, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি এলজিইডির দায়িত্ব। ভবনের যেকোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনটি আর ফেলে না রেখে দ্রুত দোকান বরাদ্দ, বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা হোক। একই সঙ্গে ভবনটির অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করে এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ৮ বছরেও চালু হয়নি বারোবাজার হাটচাঁদনী

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারে নির্মিত দ্বিতল হাটচাঁদনী ভবনটি নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি আজও । ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি এই স্থাপনা এখন অনেকটাই অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভবনের নিচতলায় বাধ্য হয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করলেও দ্বিতীয় তলায় বাসাবাড়ির মতো বসবাস করছেন পাশে নির্মাণ কাজ চলমান থাকা একটি ভবনের নির্মাণশ্রমিকরা।


 স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ও অরক্ষিত থাকায় ভবনটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


➡️ ভবনটি  শ্রমিকদের দখল করে বসবাস  

➡️ অরক্ষিত থাকায় নষ্ট হওয়ার পথে 

➡️ রাতে বসে মাদকের আড্ডা

➡️  ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দের দাবি


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে বারোবাজার হাটচাঁদনী ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০২১ সালে কাজ শেষ হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত প্রকল্পটিতে ব্যয় হয়েছে দুই কোটি টাকারও বেশি। ভবনটির দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ৬২টি দোকান। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরও দোকানগুলো ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।


বর্তমানে নিচতলায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নিজেদের সুবিধামতো জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। 

মানবিক দিক বিবেচনা করে হাটের ইজারাদার সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার নিচতলায় ব্যবসা করার সুযোগ দিলেও ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ব্যবসার জন্য নির্ধারিত দোকান বা স্থান পাননি। ফলে ভবনের নিচতলা ও আশপাশের জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে হচ্ছে তাদের।


অন্যদিকে, ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে পাশের ইউকেয়ার প্রকল্পের নির্মাণশ্রমিকরা বসবাস করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 স্থানীয়দের দাবি, বর্তমানে সেখানে প্রায় ৪০ জন শ্রমিক অবস্থান করছেন। ভবনের বিভিন্ন দোকানে থাকা, সিঁড়ি ও অন্যান্য স্থানে রান্নাবান্না এবং নির্মাণসামগ্রী রাখার কারণে দেয়াল, ওয়াশরুমসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি ভবনের দোতলায় শ্রমিকদের ছাগল পালতেও দেখা গেছে।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি অরক্ষিত থাকায় রাতের বেলায় সেখানে মাদকের আড্ডাও বসে। ভবনের চারপাশে স্থাপন করা লাইটের বেশিরভাগই চুরি হয়ে গেছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় অনেক আগেই ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।


এ অবস্থায় একদিকে যেমন সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনটি কাঙ্ক্ষিত কাজে আসছে না, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


 স্থানীয়দের মতে, ভবনটি দ্রুত চালু করে দোকানগুলো প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ করা হলে ব্যবসার পরিবেশ যেমন উন্নত হবে, তেমনি সরকারও রাজস্ব পাবে।


বারোবাজার হাটের ইজারাদার মোদাচ্ছের হোসেন মোহন মিয়া বলেন, “দ্রুত উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে দোকান বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। ঘরগুলো বরাদ্দ দেওয়া হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন সেখানে ব্যবসা করতে পারবেন। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি পড়ে থাকায় আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত দোকান বরাদ্দ দিয়ে সুন্দর ব্যবসার পরিবেশ তৈরি করবে বলে আশা করি।”


ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রওশন আলী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা হাটচাঁদনী ভবনটি দ্রুত চালু করে দোকানগুলো প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হোক। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপত্তা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ দখলের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। আমরা আশা করি, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমাদের দোকান বুঝিয়ে দেবে।”


এদিকে পাশের ভবন নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা এলজিইডিতে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলী সবুজ বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেই নির্মাণসামগ্রী রাখা এবং শ্রমিকদের দ্বিতীয় তলায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তরিকুল ইসলামের এ বক্তব্য অস্বীকার করেছেন উপসহকারী প্রকৌশলী সবুজ বিশ্বাস। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সরকারি ভবনের দ্বিতীয় তলায় নির্মাণসামগ্রী রাখা ও শ্রমিকদের বসবাসের ব্যবস্থা করার বিষয়ে জানতে চাইলে তরিকুল ইসলাম বিষয়টি এড়িয়ে যান।


কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “ওই ভবন-সংক্রান্ত একটি চিঠি আমি এলজিইডি থেকে ইতোমধ্যে পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীদের মধ্যে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে কীভাবে নতুন ভবনের দোতলায় নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে এবং শ্রমিকরা সেখানে বসবাস করছেন, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি এলজিইডির দায়িত্ব। ভবনের যেকোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে।”


স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনটি আর ফেলে না রেখে দ্রুত দোকান বরাদ্দ, বিদ্যুৎ সংযোগ, নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা করা হোক। একই সঙ্গে ভবনটির অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করে এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হোক।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই