কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের গালিমখারবাগ এলাকায় অবস্থিত ‘সৈয়দ মিরান শাহ তাতারী ইবতেদায়ী মাদ্রাসা’টি (গাউছিয়া পাড়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসা) দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একসময়ের দ্বীনি আলো ছড়ানো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচর্যা ও তদারকির অভাবে এখন চরম বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী—কারো কোনো উপস্থিতি নেই। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় পুরো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ভৌতিক পরিবেশ ধারণ করেছে। দিনের বেলা স্থানটি ফাঁকা থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট।
মাদকসেবীদের নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিণত হয় এই পরিত্যক্ত ভবনটি।
অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদকসেবীদের আস্তানা:
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর থেকেই এখানে মাঝে মাঝে বসে মাদকসেবী ও বখাটেদের জমজমাট আসর। মাদ্রাসার কক্ষগুলোর মেঝেতে তাকালেই চোখে পড়ে মাদকের নানাবিধ আলামত, ব্যবহৃত ব্লেড, খালি সিগারেটের প্যাকেট ও ফিল্টার। শুধু তাই নয়, অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নানা অনুষঙ্গ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় ভবনটির ভেতরে। দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন চরম অবক্ষয়ে ক্ষোভ ও চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
নিরাপত্তাহীনতায় এলাকাবাসী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি:
মাদ্রাসার এই বেহাল অবস্থার কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আশেপাশের বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর মাদ্রাসার সামনের রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন পুরো এলাকাবাসী।
এ অবস্থায় মাদ্রাসার পবিত্রতা ও এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে এই পরিত্যক্ত আস্তানা থেকে মাদকসেবীদের উচ্ছেদ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
পাশাপাশি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত টহল জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের গালিমখারবাগ এলাকায় অবস্থিত ‘সৈয়দ মিরান শাহ তাতারী ইবতেদায়ী মাদ্রাসা’টি (গাউছিয়া পাড়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসা) দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একসময়ের দ্বীনি আলো ছড়ানো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচর্যা ও তদারকির অভাবে এখন চরম বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী—কারো কোনো উপস্থিতি নেই। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় পুরো মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ভৌতিক পরিবেশ ধারণ করেছে। দিনের বেলা স্থানটি ফাঁকা থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট।
মাদকসেবীদের নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিণত হয় এই পরিত্যক্ত ভবনটি।
অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদকসেবীদের আস্তানা:
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর থেকেই এখানে মাঝে মাঝে বসে মাদকসেবী ও বখাটেদের জমজমাট আসর। মাদ্রাসার কক্ষগুলোর মেঝেতে তাকালেই চোখে পড়ে মাদকের নানাবিধ আলামত, ব্যবহৃত ব্লেড, খালি সিগারেটের প্যাকেট ও ফিল্টার। শুধু তাই নয়, অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নানা অনুষঙ্গ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় ভবনটির ভেতরে। দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন চরম অবক্ষয়ে ক্ষোভ ও চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
নিরাপত্তাহীনতায় এলাকাবাসী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি:
মাদ্রাসার এই বেহাল অবস্থার কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আশেপাশের বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর মাদ্রাসার সামনের রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন পুরো এলাকাবাসী।
এ অবস্থায় মাদ্রাসার পবিত্রতা ও এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে এই পরিত্যক্ত আস্তানা থেকে মাদকসেবীদের উচ্ছেদ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
পাশাপাশি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত টহল জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন