মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণে ‘৩০ বিলিয়ন বনাম ৩০ বিলিয়ন’ কাঠামো

২০২৬ সালের মে মাসে বেইজিংয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে সরকারি পর্যায়ের একটি বাণিজ্য পরিষদ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। এরপর ২০ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অষ্টম দফা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীন-মার্কিন বাণিজ্য পরিষদের কার্যপ্রণালি, ‘৩০ বিলিয়ন বনাম ৩০ বিলিয়ন’ সমতুল্য শুল্ক হ্রাস কাঠামোর দায়িত্ব ও কার্যপ্রণালির নির্দেশিকা এবং শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় দুই পক্ষ। কার্যপ্রণালি অনুযায়ী, বাণিজ্য পরিষদের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও উন্নত করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা এবং বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে এমন বিভিন্ন বিষয় সমাধান করা। ধারণা করা হচ্ছে, চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং মতপার্থক্যের বিষয়গুলো কমিয়ে আনতে বাণিজ্য পরিষদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম ও প্রাতিষ্ঠানিক নিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক কৌশলগত ও স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য পরিষদের কাঠামোর অধীনে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য শুল্ক হ্রাস কাঠামো নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে, ২০২৪ সালের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণের ভিত্তিতে প্রত্যেক পক্ষের প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের আমদানি পণ্যের ওপর নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ আইন ও বিধি অনুযায়ী সমতুল্য হারে শুল্ক হ্রাসের সুবিধা দেওয়া হবে। এর আওতাভুক্ত ৯০ শতাংশেরও বেশি পণ্যের ওপর পারস্পরিকভাবে আরোপিত সব অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে এবং এসব পণ্য সর্বাধিক অনুকূল শুল্ক সুবিধা পাবে। দুই পক্ষ নিজ নিজ বাজারের চাহিদা ও শিল্পের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সমতুল্য শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকা নির্ধারণ করেছে। চীন থেকে আমদানি করা খেলনা, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, শিশুদের পণ্য, রান্নাঘর ও বাথরুমের সামগ্রী এবং উৎসবের উপহারসহ প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কৃষিপণ্য, ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কয়লাসহ প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে চীন। দুই পক্ষ নিজ নিজ শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকা যৌথভাবে প্রকাশ করতে সম্মত হয়েছে। এরপর নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই সময়ে শুল্ক হ্রাস কার্যকর করবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যকে আরও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে চীনের সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির জন্য তুলনামূলকভাবে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে। পাশাপাশি, দুই দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে কৃষিপণ্য, জ্বালানি, শিল্পপণ্য ও ভোগ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারেও এটি সহায়ক হবে। এ ছাড়া, দুই পক্ষ বাণিজ্য পরিষদের অধীনে একটি কৃষি কার্যকারী দল গঠনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। কার্যকারী দলটি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, বাজারে প্রবেশাধিকারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে, বাণিজ্যসংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলা করবে এবং কৃষি ক্ষেত্রে বাস্তব সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করবে। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দলটির প্রথম বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। চীন জানিয়েছে, এই বৈঠকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট উদ্বেগগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সূত্র: স্বর্ণা, ফয়সল, লিলি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়তে সব দেশের সঙ্গে কাজ করবে

শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণে উন্নয়ন ও নিরাপত্তার সমন্বয়ের নির্দেশনা সি চিন পিংয়ের

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান সি চিন পিং সম্প্রতি উচ্চতর স্তরের শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন।তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির অষ্টাদশ জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। জনগণের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন ও কাজের পরিবেশ এবং সমাজের স্থিতিশীল ও সুশৃঙ্খল পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ।সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, নতুন যাত্রাপথে নতুন যুগের চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের চিন্তাধারাকে প্রধান নির্দেশনা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে এবং সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে পার্টির সর্বাত্মক নেতৃত্ব জোরদার করতে হবে, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে সমন্বয় করতে হবে এবং শাস্তি ও প্রতিরোধের পাশাপাশি সমস্যার লক্ষণ ও মূল কারণ—উভয়ের সমাধানে গুরুত্ব দিতে হবে।আইনের শাসনের সহায়তা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সক্ষমতা আরও বাড়ানো, জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সক্ষমতা জোরদার, জননিরাপত্তা পরিচালনার মান উন্নত এবং সামাজিক পরিচালনাব্যবস্থা আরও পরিপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি প্রতিরোধ ও নিরসনের মাধ্যমে দেশকে আরও নিরাপদ, সমাজকে আরও সুশৃঙ্খল, পরিচালনাকে আরও কার্যকর এবং জনগণকে আরও সন্তুষ্ট করার আহ্বান জানান।শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণবিষয়ক সম্মেলন ২৮ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ও আইনবিষয়ক কমিটির সম্পাদক ছেন ওয়েনছিং সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য দেন।তিনি বলেন, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির দৃঢ় নেতৃত্বে শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণে অর্জিত সাফল্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হয়েছে এবং ‘শান্তি’ চীনের শাসনব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে।তার মতে, এর মূল কারণ হলো, পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মূল নেতৃত্ব হিসেবে সি চিন পিংয়ের নেতৃত্ব এবং নতুন যুগের চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের চিন্তাধারার বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা।ছেন ওয়েনছিং বলেন, সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি অটলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা গভীরভাবে অধ্যয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বে শাস্তি ও প্রতিরোধের সমন্বয় এবং বিভিন্ন পক্ষের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে উচ্চতর স্তরের শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সদস্য এবং জননিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াং সিয়াও হং বলেন, সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা গভীরভাবে অধ্যয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘চারটি আরও’ লক্ষ্য দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করতে হবে। চিন্তাধারার নেতৃত্ব জোরদার, মূল কাজের ওপর গুরুত্ব, পদ্ধতি উদ্ভাবন, তৃণমূল ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং কাজের কাঠামো আরও পরিপূর্ণ করার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণে নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে।সম্মেলনে শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণের ক্ষেত্রে ৬০টি মডেল শহর এবং ১৬০টি মডেল কাউন্টিকে স্বীকৃতি ও নামকরণ করা হয়। পুরস্কৃত প্রতিনিধিরা সম্মেলনে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সূত্র: স্বর্ণা, ফয়সল, লিলি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শান্তিপূর্ণ চীন নির্মাণে উন্নয়ন ও নিরাপত্তার সমন্বয়ের নির্দেশনা সি চিন পিংয়ের

চীন-মার্কিন সম্পর্কের নতুন ঐতিহাসিক সূচনাবিন্দু : সি চিন পিং

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও তাঁর স্ত্রী ফেং লি ইউয়ানের সম্মানে একটি রাষ্ট্রীয় স্বাগত ভোজের আয়োজন করেন। স্থানীয় সময় ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে হোয়াইট হাউসে এ ভোজের আয়োজন করা হয়। সি চিন পিং ও ফেং লি ইউয়ান হোয়াইট হাউসে পৌঁছালে ট্রাম্প ও মেলানিয়া তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। দুই রাষ্ট্রপ্রধান ও তাঁদের স্ত্রীরা একসঙ্গে ছবি তোলেন এবং ভোজে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ভোজ শুরু হওয়ার পর সি চিন পিং ও ট্রাম্প পৃথক ভাষণ দেন। চীন-মার্কিন সম্পর্কের উন্নয়নে আগ্রহী ও সমর্থনকারী যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং মধ্যশরৎ উৎসবের শুভকামনা জানান সি চিন পিং। সি চিন পিং বলেন, চলতি বছরের মে মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সফলভাবে চীন সফর করেছেন। ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানরা পরস্পরের দেশে সফর করেছেন, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, এবারের সফরে আবারও অনেক নতুন ঐকমত্য অর্জিত হয়েছে, যা চীন-মার্কিন গঠনমূলক ও স্থিতিশীল সম্পর্কের ভিত্তি আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং সম্পর্কে নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, দুই শতাধিক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা অর্জন করে। এর পরপরই চীনের দিকে দৃষ্টি দিয়েছিল। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক পণ্য বিনিময় ও অর্থনৈতিক পরিপূরকতার মাধ্যমে বাণিজ্যিক আদান-প্রদানও শুরু হয় তখন। তিনি বলেন, ৮০ বছরেরও বেশি আগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জাপানি সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। রক্ত ও অগ্নিপরীক্ষায় গড়ে ওঠা এই বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যাবে। ৫০ বছরেরও বেশি আগে দীর্ঘদিনের বন্ধ দরজা খুলে দিয়েছিল টেবিল টেনিস কূটনীতি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিকরা ‘ছোট একটি বল বড় একটি বলকে নাড়ায়’—এই রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে চীন-মার্কিন সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মহান প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। ২০ বছরেরও বেশি আগে রোনাল্ড সাকোলস্কি নামের এক মার্কিন নাগরিক চীনের মরুকরণ নিয়ন্ত্রণকর্মী ইন ইয়ু চেনকে বৃক্ষরোপণে সহায়তা করেছিলেন। তাঁদের গল্প বহু চীনা মানুষকে মুগ্ধ করেছিল এবং এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের একটি উদাহরণ হয়ে ওঠে। সি চিন পিং বলেন, চীন-মার্কিন মানবিক ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও হৃদয়ের যোগাযোগ বাড়াতে সহায়ক। একইসঙ্গে এটি চীন-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য জনসমর্থনের দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে। সি চিন পিং উল্লেখ করেন, চীন-মার্কিন সম্পর্ক আবারও একটি নতুন ঐতিহাসিক সূচনাবিন্দুতে দাঁড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকাকে আবার মহান করার প্রস্তাব দিয়েছেন, আর চীনা জাতির মহান পুনরুত্থান বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। এই দুই লক্ষ্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একে অপরের পরিপূরক হতে পারে। তিনি বলেন, উভয়পক্ষের উচিত বড় দেশের দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করা এবং জনগণের প্রত্যাশা ও সময়ের প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বড় দেশগুলোর মধ্যে সঠিকভাবে সহাবস্থানের নতুন পথ অন্বেষণ করা। সি চিন পিং বলেন, ইতিহাসের স্রোত বয়ে চলেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্ভাবনাও বিস্তীর্ণ। উভয়পক্ষকে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে এবং চীন-মার্কিন ‘বন্ধুত্বের সুন্দর ফুলের’ যত্ন নিয়ে যৌথভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনা করতে হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, গত মে মাসে চীন সফরের সময় চীনা জনগণের উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ তাঁর মনে গভীর ও সুন্দর ছাপ ফেলেছিল। তিনি বলেন, ‘আজ রাতে দুই দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে হাজার হাজার মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে শত বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা মৈত্রী উদযাপন করছেন।’ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—উভয় দেশেরই সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের ইতিহাস রয়েছে। দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা ভিন্ন হলেও তাঁদের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিন ধরে অটুট রয়েছে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও লালন করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা বয়ে আনতে ইচ্ছুক।’ ভোজসভাটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। ভোজ চলাকালে মার্কিন শিল্পীরা চমৎকার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। সূত্র: আনন্দী, ফয়সল, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

চীন-মার্কিন সম্পর্কের নতুন ঐতিহাসিক সূচনাবিন্দু : সি চিন পিং
রোডক্র্যাশে তরুণদের হতাহত বেশি, সড়ক নিরাপত্তা আইন চায় তারা

রোডক্র্যাশে তরুণদের হতাহত বেশি, সড়ক নিরাপত্তা আইন চায় তারা

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় (রোডক্র্যাশ) তরুণ ও যুবকেরা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণা ও সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণদের সম্পৃক্ততা ও হতাহতের হার বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। তরুণদের একটি বড় অংশ মোটরসাইকেল ব্যবহার করায় অতিরিক্ত গতি, হেলমেটের সঠিক ব্যবহার না করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংসহ বিভিন্ন কারণে তারা সড়কে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ফলে তরুণদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ যানবাহন, মানসম্মত হেলমেট, সিটবেল্ট এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবাকে সমন্বিত করে কার্যকর সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।‘সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইনের পক্ষে তরুণদের আহ্বান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ দাবি উঠে আসে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সভাকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।সভায় নিরাপদ যানবাহন, গতি নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত হেলমেট এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবা নিয়ে প্যানেল আলোচনা হয়। পাশাপাশি ‘রোড সেফটি আইন কেন দরকার ও তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেশনে সড়ক নিরাপত্তায় তরুণদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সমন্বয়কারী মারজানা মুনতাহার সঞ্চালনায় কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান।এসময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের সদস্য মো. ইস্তিয়াক ইমন, মিশন গ্রিন বাংলাদেশের সদস্য মো. ইফরাত হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক সমন্বয়কারী মো. আরমান হোসাইন রায়েদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল স্টুডেন্ট সোসাইটির সদস্য নওশীন নাওয়ার আচল।আলোচনায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণদের ঝুঁকির চিত্রও উদ্বেগজনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিএইচও) হিসাবে, সড়ক দুর্ঘটনা বিশ্বব্যাপী ৫–২৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর প্রধান কারণ। অতিরিক্ত গতি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারে অনীহা এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা ও জরুরি সেবা না পাওয়ায় দুর্ঘটনার ক্ষতি বেড়ে যেতে পারে। তাই সড়ক নিরাপত্তায় যানবাহন, গতি নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ব্যবহারকারীর আচরণ এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী সেবাকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।তারা আরও বলেন, আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি তরুণদের মতামত ও উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণে ‘৩০ বিলিয়ন বনাম ৩০ বিলিয়ন’ কাঠামো

২০২৬ সালের মে মাসে বেইজিংয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে সরকারি পর্যায়ের একটি বাণিজ্য পরিষদ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ঐকমত্য হয়। এরপর ২০ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অষ্টম দফা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীন-মার্কিন বাণিজ্য পরিষদের কার্যপ্রণালি, ‘৩০ বিলিয়ন বনাম ৩০ বিলিয়ন’ সমতুল্য শুল্ক হ্রাস কাঠামোর দায়িত্ব ও কার্যপ্রণালির নির্দেশিকা এবং শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায় দুই পক্ষ। কার্যপ্রণালি অনুযায়ী, বাণিজ্য পরিষদের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও উন্নত করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা এবং বাণিজ্যকে প্রভাবিত করে এমন বিভিন্ন বিষয় সমাধান করা। ধারণা করা হচ্ছে, চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং মতপার্থক্যের বিষয়গুলো কমিয়ে আনতে বাণিজ্য পরিষদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম ও প্রাতিষ্ঠানিক নিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক কৌশলগত ও স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য পরিষদের কাঠামোর অধীনে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য শুল্ক হ্রাস কাঠামো নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে, ২০২৪ সালের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণের ভিত্তিতে প্রত্যেক পক্ষের প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের আমদানি পণ্যের ওপর নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ আইন ও বিধি অনুযায়ী সমতুল্য হারে শুল্ক হ্রাসের সুবিধা দেওয়া হবে। এর আওতাভুক্ত ৯০ শতাংশেরও বেশি পণ্যের ওপর পারস্পরিকভাবে আরোপিত সব অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে এবং এসব পণ্য সর্বাধিক অনুকূল শুল্ক সুবিধা পাবে। দুই পক্ষ নিজ নিজ বাজারের চাহিদা ও শিল্পের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সমতুল্য শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকা নির্ধারণ করেছে। চীন থেকে আমদানি করা খেলনা, গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, শিশুদের পণ্য, রান্নাঘর ও বাথরুমের সামগ্রী এবং উৎসবের উপহারসহ প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা কৃষিপণ্য, ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কয়লাসহ প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে চীন। দুই পক্ষ নিজ নিজ শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকা যৌথভাবে প্রকাশ করতে সম্মত হয়েছে। এরপর নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই সময়ে শুল্ক হ্রাস কার্যকর করবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যকে আরও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে চীনের সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির জন্য তুলনামূলকভাবে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে। পাশাপাশি, দুই দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে কৃষিপণ্য, জ্বালানি, শিল্পপণ্য ও ভোগ্যপণ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারেও এটি সহায়ক হবে। এ ছাড়া, দুই পক্ষ বাণিজ্য পরিষদের অধীনে একটি কৃষি কার্যকারী দল গঠনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। কার্যকারী দলটি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, বাজারে প্রবেশাধিকারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে, বাণিজ্যসংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলা করবে এবং কৃষি ক্ষেত্রে বাস্তব সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করবে। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দলটির প্রথম বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। চীন জানিয়েছে, এই বৈঠকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট উদ্বেগগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সূত্র: স্বর্ণা, ফয়সল, লিলি, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়তে সব দেশের সঙ্গে কাজ করবে

চাঁদপুর জেলা বিএনপির তিন সংগঠনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা বিএনপির তিন সংগঠনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর( শুক্রবার ) চাঁদপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চাঁদপুরে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। অনুষ্ঠিত মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমদ মানিক। সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমদ মানিক বলেন, চাঁদপুর জেলায় যারা  শান্তিতে ঘুমিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত  সংগঠনের মিছিলে যোগদান করেন তারা এখনো বোকার স্বর্গে বাস করতেছেন ।আপনারা যারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন  ঘোষিত নানা দাবী করেন তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য যা যা দরকার আমরা তাই করবো। চাঁদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্ব এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের এডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সিনিয়র শামসুল আরেফিন খানের যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সলিমুল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ মাসুদুর রহমান মাঝি ,পৌর যুবদলের খোকা, চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল ,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম সূর্য ,,সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ কাকন পুরুষ স্বেচ্ছাসেবক দলের  আহ্বায়ক শফিউদ্দিন বাবলু প্রমুখ। আরো  উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী ,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট হারুনুর রশিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আফজাল হোসেন বেপারী সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ উদ্দিন পলাশ ,জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সালা আহমেদ বাহার ,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারী  ,সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান সোহাগসহ বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন নেতাকর্মীরা। পরিশেষে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি আবার পুনরায় চাঁদপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ফিরে আসেন এবং শেষ করেন।

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন

বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের আন্ত উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বরুড়া কুমিল্লা, বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের আন্ত-উপজেলা  ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৩শে সেপ্টেম্বর বিকাল তিনটায় বরুড়া পৌরসভার তলাগ্রাম ত.চ. লাহা উচ্চ বিদ্যালয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সাবেক সাংসদ মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের সন্তান কুমিল্লা দঃ জেলা বিএনপির সভাপতি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও  গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। উল্লেখ্য এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় কুমিল্লা  ইলেভেন স্টার ক্লাবের সার্বিক সহযোগীতায় বরুড়ার তলাগ্রাম ত.চ লাহা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ মাঠে একযোগে কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার একটি করে দল চার গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহন করবে।প্রাথমিক পর্বে সকল দলের মোট  ৩৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং চার গ্রুপের চ্যান্পিয়ান ও রানারআপ দল কোয়াটার ফাইনালে উত্তির্ন হয়ে, সেমিফাইনাল  ও ফাইনাল মিলে সর্বমোট ৪২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টে। আগামী ১৬ই অক্টোবর দুটি সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে ফাইনালের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, সহকারী কমিশনার ভুমি আহসান হাফিজ,  বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম,  সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন,  বরুড়া পৌরসভার বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

বরুড়ার আদ্রায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা অনুষ্ঠিত

বরুড়ার আদ্রায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধণা অনুষ্ঠিত

‎বরুড়ার আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্যাটাগড়ীতে মেধাবী  কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধণা প্রদান করা হয়েছে।‎২৯শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রাকিবুল হাসান লিমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি।‎এদিন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেরপেটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি   সোহেল পারভেজ, আদ্রা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডাঃ আবুল বাসার, একবাড়িয়া হাফিজ আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার ভৌমিক, পেরপেটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সফিউল্লাহ,  সমাজকর্মী মানিক লাল মজুমদার , যুবদল নেতা জামাল হোসেন সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গ।‎আলোচনা সভা শেষে ২০২৬ সালের আদ্রা ইউনিয়নয়ের এস এস সি / দাখিল পরীক্ষায় এ প্লাস প্রাপ্ত  সকল শিক্ষার্থী,  অষ্টম শ্রেনী ও পঞ্চম শ্রেনীর সকল বৃত্তি প্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছে আদ্রা ইউনিয়ন পরিষদ।

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে শেরপুরের সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগদের সাক্ষাৎ

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে শেরপুরের সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগদের সাক্ষাৎ

বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের শেরপুর জেলার সহযোগী সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগণ  ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোন্দকার মোঃ মোরতাজুল করিম বাদরুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সহযোগী সংস্থাসমূহ দারিদ্র্য বিমোচনে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে  এনজিও ফাউন্ডেশনের সুনাম অক্ষুন্ন রাখবে। এ সময় সহযোগী সংস্থাসমূহের চেয়ারম্যানকে ক্রেষ্ট প্রদান করেন। আলাপকালে সংস্থাসমূহের প্রধান নির্বাহীরা  জানান তাঁরা স্বচ্ছতার সাথে ফাউন্ডেশনের অনুদানে গাভি পালন, ছাগল বিতরণ, স্যানিটেশন, মাদক নিরাময়সহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন।  এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজ থেকে যেমন দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে তেমনি আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি করে আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এজন্য তারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সাক্ষাতে উপস্থিত সহযোগী সংস্থাসমূহের মধ্য সেন্টার ফর অ্যাডভান্সডমেন্ট প্রোগ্রাম (ক্যাপ), সেবা পরিষদ ( এসপি), সবুজ বাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা, সুনীতি সংঘ, স্ব-নির্ভর নারী কল্যান সংস্থা, পল্লী উন্নয়ন সংস্থা, ভোরের আলো মহিলা সংস্থা, মহিলা ও শিশু পুনর্বাসন সংস্থা, দিশারী পৌর পল্লী সংস্থা, গ্রামীণ কল্যান সংস্থা, অভীষ্ঠ গণ উন্নয়ন সংস্থা, এক্স-সোলজার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু শনাক্তের কীট সংকট দেখা দেওয়ায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। এতে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৮২ জন রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।➡️ সাধারণ রোগীরা সেবা বঞ্চিত➡️  বাড়তি খরচে ➡ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে➡️ কীট না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা প্রমাণিত সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের তুলনামূলক কম খরচ হয়। এনএস ১ ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়। এছাড়া আইজিএমও আইজিজি ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সরকারি নির্ধারিত ১০০ টাকা ফি দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে রোগীদের প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অথচ কালীগঞ্জ হাসপাতালে দুই দিন যাবত কীটের অভাবে ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আমানুল্লাহ আল মামুন   এ ব্যাপারে নেননি  কোন ব্যবস্থা। সঙ্গত কারণেই এই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কীটের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো নতুন করে কীট সরবরাহ করা হয়নি।ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা করাতে আসা রোগী শাহাদত হোসেন বলেন, “চিকিৎসক ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে বলেছেন। কিন্তু ল্যাবে কীট না থাকায় পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।” ডেঙ্গু নিয়ে সরকার চিন্তিত হলেও কালীগঞ্জ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যারা শিথিলতা দেখিয়েছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরী বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমাদেরও পর্যাপ্ত কীট ছিল। সেখান থেকে কিছু কীট অন্য উপজেলায় ধার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বর্তমানে সংকট দেখা দিয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আবার কীটের মজুত হবে এবং ডেঙ্গু পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে শুরু করা সম্ভব হবে।”

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে বিষয়ভিত্তিক আধুনিক চিকিৎসাসেবায় সমৃদ্ধ *মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের* শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি।বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।মরহুম এ কে এম আবু তাহে'র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছিন। একই সঙ্গে হাসপাতালটি যেন মানুষের কল্যাণে কার্যকর ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ মোহাম্মদ জুলকারনাইন  মজুমদারের সভাপতিত্বে ও উপসহকারী মেডিকেল অফিসার এটিএম গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রেজা মোহাম্মদ সারোয়ার আকবর, বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, মাদক একটি এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে। তাই মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাড়া-মহল্লায় মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।তিনি বলেন, বরুড়ায় শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল-কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের দিয়েও তিনি বিরতিহীনভাবে কাজ করিয়ে যাচ্ছেন এবং নিয়মিত কাজের খোঁজখবর নিচ্ছেন। আমরা বরুড়ার উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।”হাসপাতালটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। প্রয়াত এ কে এম আবু তাহেরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি। হাসপাতালটি এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান হাফিজ, বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হকসহ চিকিৎসক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে হাসপাতালে সরকারি পদায়নকৃত চিকিৎসক রয়েছেন একজন, সংযুক্ত চিকিৎসক দুইজন, সিনিয়র স্টাফ নার্স তিনজন, উপসহকারী মেডিকেল অফিসার দুইজন, ওয়ার্ডবয় একজন এবং ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট একজন। সীমিত জনবল নিয়েই প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, শুরুর দিকে হাসপাতালে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে না এবং সার্জারি কার্যক্রমও চালু হচ্ছে না। প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কচুয়া  হাসপাতালে ৫০ বেডে ৮৮ রোগীর  চিকিৎসা চলছে!

কচুয়া হাসপাতালে ৫০ বেডে ৮৮ রোগীর চিকিৎসা চলছে!

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা বিছানা (বেড) না পেয়ে বারান্দায়ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- চাঁদপুরের এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বেড রয়েছে মাত্র  ৫০ টি। কিন্তু  ওইদিন (সোমবার) ৮৮ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।তার মধ্যে পুরনো ভর্তি রোগীও ছিলো। অর্থাৎ গত ২৪ ঘন্টায় ৮৮ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালে পর্যাপ্ত  বেড না থাকায় হসপিটাল কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বারান্দায় ও মেঝেতে চিকিৎসা দিচ্ছেন।সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোর ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় সরকার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সম্প্রসারনের উদ্যোগ নিয়েছে । সরকারের এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হলে এই উপজেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার দুর্ভোগ লাগব হবে। প্রসঙ্গত :এই উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ লোকের বসবাস রয়েছে।  কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ( ইউএইচও) ডাক্তার মোহাম্মদ সোহেল রানা জানিয়েছেন -এটা প্রায় প্রতিদিনকার চিত্র। তবুও তারা সাধ্যমত মানুষকে সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষদের শহরে গিয়ে চিকিৎসা সেবা কষ্টসাধ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা: কচুয়ায় রেনেঁসা ও সেবা ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা: কচুয়ায় রেনেঁসা ও সেবা ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।​অভিযানে লাইসেন্স বা মানদণ্ড ছাড়া চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনা, অপারেশন থিয়েটারে বা হাসপাতালে চরম অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ রাখা, অযোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার দায়ে রেনেঁসা মেডিকেল সেন্টারকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা প্রতারণা সহ্য করা হবে না। চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মের মধ্যে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং ভেজাল বা অনিয়ম রোধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ মোঃ  জাহিদ হোসাইন এবং সাচার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা প্রমুখ।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু শনাক্তের কীট সংকট দেখা দেওয়ায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। এতে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৮২ জন রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।➡️ সাধারণ রোগীরা সেবা বঞ্চিত➡️  বাড়তি খরচে ➡ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে➡️ কীট না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা প্রমাণিত সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের তুলনামূলক কম খরচ হয়। এনএস ১ ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়। এছাড়া আইজিএমও আইজিজি ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সরকারি নির্ধারিত ১০০ টাকা ফি দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে রোগীদের প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অথচ কালীগঞ্জ হাসপাতালে দুই দিন যাবত কীটের অভাবে ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আমানুল্লাহ আল মামুন   এ ব্যাপারে নেননি  কোন ব্যবস্থা। সঙ্গত কারণেই এই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কীটের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো নতুন করে কীট সরবরাহ করা হয়নি।ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা করাতে আসা রোগী শাহাদত হোসেন বলেন, “চিকিৎসক ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে বলেছেন। কিন্তু ল্যাবে কীট না থাকায় পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।” ডেঙ্গু নিয়ে সরকার চিন্তিত হলেও কালীগঞ্জ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যারা শিথিলতা দেখিয়েছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরী বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমাদেরও পর্যাপ্ত কীট ছিল। সেখান থেকে কিছু কীট অন্য উপজেলায় ধার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বর্তমানে সংকট দেখা দিয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আবার কীটের মজুত হবে এবং ডেঙ্গু পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে শুরু করা সম্ভব হবে।”