মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

সিপিসির রাজনৈতিক মডেল নিয়ে বৈশ্বিক জরিপের ফল প্রকাশ

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের উত্তরদাতাদের মধ্যে একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করে, যেখানে ১১ হাজার ৫২১ জন উত্তরদাতা তাদের মতামত দেন।জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, চীনের নতুন ধরনের রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা, উন্নততর রাজনৈতিক দলীয় মডেল অন্বেষণের জন্য, একটি চীনা সমাধান প্রদান করে। পশ্চিমা রাজনৈতিক দলীয় ব্যবস্থাগুলোর উন্মোচিত বিভিন্ন ত্রুটির তুলনায়, এর মূল সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক সমাজের কাছ থেকে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেছে।জরিপকৃত ৪১টি দেশের মধ্যে ৩০টি দেশের উত্তরদাতারা মনে করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় সিপিসি জনগণের ব্যাপকতম অংশের মৌলিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, দেশের সামগ্রিক ও দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য অধিক সহায়ক। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৬১.৩ শতাংশ মনে করেন, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটারদের একটি অংশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, যা সহজেই স্বল্পমেয়াদী নীতি এবং সামাজিক বিভাজনের জন্ম দিতে পারে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার উত্তরদাতাদের মধ্যে এই বিষয়ে একমত হওয়ার হার ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৬২.৫ ও ৬১.৫ শতাংশ উত্তরদাতাও এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৫৮.৫ শতাংশ মনে করেন যে, ঘন ঘন অভ্যন্তরীণ বিভাজনে জর্জরিত পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায়, সিপিসির নেতৃত্বে বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য অধিক সহায়ক এবং জাতীয় শাসন ও জনস্বার্থের জন্য অধিকতর উপকারী। বড় ধরনের জরুরি অবস্থা মোকাবিলার ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী উত্তরদাতাদের ৪৩.৫ শতাংশ মনে করেন, সিপিসি’র পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো অধিকতর সহজ। উল্লেখ্য, সিজিটিএন এবং রেনমিন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না-র নতুন যুগে আন্তর্জাতিক প্রচার গবেষণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জরিপটি, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের ১১ হাজার উত্তরদাতার মতামত তুলে ধরেছে। জরিপটি প্রধান উন্নত দেশ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেখানে উত্তরদাতারা ছিলেন ১৮ বছর বা আরো বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে সি চিন পিংয়ের নির্দেশ

চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, গত (মঙ্গলবার) বেইজিংয়ে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং খরা ত্রাণ কার্যক্রমসংশ্লিষ্ট এক সভায় সভাপতিত্ব করেন।সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছর প্রধান বর্ষা মৌসুমে চীনে আরও চরম আবহাওয়া ও জলবায়ুগত ঘটনা ঘটবে, যেখানে খরা ও বন্যা উভয়ই প্রকট থাকবে। সকল অঞ্চল ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বন্যা প্রতিরোধ, খরা ত্রাণ এবং দুর্যোগ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সম্মেলনে জোর দিয়ে বলা হয়, সর্বদা জনগণের জীবনের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে; পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়াতে হবে; দ্রুত ও দৃঢ়তার সাথে জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে; ব্যাপক প্রাণহানি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে; পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন জোরদার করতে হবে; এবং কৃষি অবকাঠামো সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।সম্মেলনে বলা হয়, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দুর্যোগ ত্রাণ ও সহায়তার কাজ ভালোভাবে করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মৌলিক জীবনধারণের চাহিদা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।পাশাপাশি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণের দায়িত্ব ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে; রাজ্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ সদর দপ্তরকে সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনা জোরদার করতে হবে; সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে; তৃণমূল স্তরের দলীয় সংগঠন এবং বিপুলসংখ্যক দলীয় সদস্য ও কর্মীকে জনগণের জীবন ও সম্পত্তি কার্যকরভাবে রক্ষা করতে হবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে সি চিন পিংয়ের নির্দেশ

জনগণের আস্থাই সিপিসির শক্তির উৎস: সি চিন পিং

"পরিবার, মানুষ ও কর্মজীবনের সমৃদ্ধি হোক; ভাগ্য, সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রসার হোক" গত ২৪ জুন, সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান সি চিন পিং শানতুং প্রদেশের সি ইউ চিয়া গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। গ্রামটির বাসিন্দাদের বাড়ির দরজার দু'পাশে লাগানো বসন্ত উৎসবের শ্লোক-এ লেখা ছিল—"পরিবার, মানুষ ও কর্মজীবনের সমৃদ্ধি হোক; ভাগ্য, সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রসার হোক।" চীনা ভাষায় লেখা এই বাক্যটি সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি বলেন, এটি হলো "জনগণের মনের সুন্দর প্রত্যাশা"।তিনি সবাইকে বলেন, গত ১০৫ বছরে সিপিসি দেশের আপামর জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং সবার নিরলস প্রচেষ্টায় মহান সাফল্য অর্জিত হয়েছে বা হচ্ছে। বর্তমানে আমরা সার্বিকভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক আধুনিক দেশ নির্মাণের নতুন অগ্রযাত্রায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে এই নতুন অগ্রযাত্রায় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করা এবং সুন্দর জীবনের প্রতি জনগণের মনের আকাঙ্ক্ষা অব্যাহতভাবে পূরণ করা।তিনি আরও জানান, সিপিসি জনগণ থেকে এসেছে এবং জনগণের জন্যই এর জন্ম হয়েছে। জনগণের কারণেই সিপিসি সমৃদ্ধি লাভ করেছে, সিপিসি সবসময় জনগণের সাথে রয়েছে, জনগণের সাথে একযোগে সব কঠিন সময় অতিক্রম করেছে এবং জনগণের সাথে একযোগে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অতীতের পথচলায় সিপিসি যেমন জনগণের ওপর নির্ভর করে কাজ করে এসেছে, ভবিষ্যতেও আগের মতোই জনগণের ওপর নির্ভর করে সিপিসি নতুন ঐতিহাসিক সাফল্য সৃষ্টি করবে।মন দিয়ে গণকল্যাণ বৃদ্ধিতে কাজ করা২০১৭ সালের অক্টোবরে, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং গোটা পার্টিকে "প্রাথমিক লক্ষ্য কখনো ভুলে যেও না, মিশন মনে রাখো এবং চিরকাল সংগ্রাম করো"—এই মহান দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।সিপিসি সদস্যদের প্রাথমিক লক্ষ্য ও মিশন হচ্ছে চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন বাস্তবায়ন করা। জন্মের পর থেকে সিপিসি ‘জনগণ’ শব্দটিকে তাদের পতাকায় লিখে রেখেছে এবং নিজেদের রক্তে মিশিয়ে নিয়েছে।সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং জোর দিয়ে জানান, কোনো সময়েই আমরা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ভুলে যেতে পারব না, সবসময় মিশনটিকে মনে রাখতে হবে। জনগণই যে আমাদের মূল শেকড়, তা ভুলে যাওয়া চলবে না; চিরকাল জনগণকে সেবা প্রদান করতে হবে। সমৃদ্ধির স্বপ্ন, শক্তিশালী দেশের স্বপ্ন এবং চীনা স্বপ্ন—এসবের মূল বিষয়ই হচ্ছে জনসাধারণের সুখের স্বপ্ন। সিপিসি যেসব প্রচেষ্টা চালিয়েছে বা চালাবে, তার সবকিছুর উদ্দেশ্য হলো জনগণের সুখ অন্বেষণ করা।নতুন যুগে, কমরেড সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে গঠিত সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটি সুন্দর জীবনের প্রতি জনগণের নতুন প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তারা গণকল্যাণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও গোটা জনগণের অভিন্ন সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে কাজ করে আসছে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু যত্ন, বয়স্কদের যত্ন, আবাসন এবং পরিবেশসহ জনসাধারণের প্রাত্যহিক জীবন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে দেশের উন্নয়নের শীর্ষ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে জনগণের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে।সি চিন পিং জানান, "আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জনসাধারণের আরও সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা পূরণ করা।" জনগণের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা, জনগণকে মনে রাখা এবং জনগণের জন্য কাজ করার মাধ্যমে নতুন যুগে সিপিসি’র সদস্যরা গণকল্যাণ বৃদ্ধিতে বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে জনগণের প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা ফুটে উঠেছে।সূত্র:আকাশ-তৌহিদ-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

জনগণের আস্থাই সিপিসির শক্তির উৎস: সি চিন পিং
মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অডিটোরিয়ামে ঢাকা আহছানিয়া মিশন (স্বাস্থ্য সেক্টর) ও আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের যৌথ উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২২ জন মনোচিকিৎসক, মনোসামাজিক পরামর্শদাতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী অংশ নেন।প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ক্লিনিক্যাল মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহির উদ্দিন। তিনি মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় গবেষণাভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে অংশগ্রহণকারীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।প্রশিক্ষণে মনোসংযোগের চর্চা, মানসিক সংকট মোকাবিলার কৌশল, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, আত্মপ্রশান্তির পদ্ধতি এবং ব্যক্তি-সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন দক্ষতা নিয়ে হাতে-কলমে অনুশীলন করানো হয়। পাশাপাশি বাস্তব ঘটনার বিশ্লেষণ, দলীয় আলোচনা এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের পেশাগত সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এ বাস্তবতায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত পেশাজীবীরা আধুনিক, কার্যকর এবং গবেষণাভিত্তিক সেবা প্রদানে আরও সক্ষম হয়ে উঠবেন।তারা আরও বলেন, প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সেবাগ্রহীতাদের জন্য মানসম্মত ও মানবিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ অব্যাহত থাকবে।দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী অংশগ্রহণকারীদের পরবর্তীতে সনদপত্র প্রদান করা হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সিপিসির রাজনৈতিক মডেল নিয়ে বৈশ্বিক জরিপের ফল প্রকাশ

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের উত্তরদাতাদের মধ্যে একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করে, যেখানে ১১ হাজার ৫২১ জন উত্তরদাতা তাদের মতামত দেন।জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, চীনের নতুন ধরনের রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা, উন্নততর রাজনৈতিক দলীয় মডেল অন্বেষণের জন্য, একটি চীনা সমাধান প্রদান করে। পশ্চিমা রাজনৈতিক দলীয় ব্যবস্থাগুলোর উন্মোচিত বিভিন্ন ত্রুটির তুলনায়, এর মূল সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক সমাজের কাছ থেকে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেছে।জরিপকৃত ৪১টি দেশের মধ্যে ৩০টি দেশের উত্তরদাতারা মনে করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় সিপিসি জনগণের ব্যাপকতম অংশের মৌলিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, দেশের সামগ্রিক ও দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য অধিক সহায়ক। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৬১.৩ শতাংশ মনে করেন, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটারদের একটি অংশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, যা সহজেই স্বল্পমেয়াদী নীতি এবং সামাজিক বিভাজনের জন্ম দিতে পারে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার উত্তরদাতাদের মধ্যে এই বিষয়ে একমত হওয়ার হার ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৬২.৫ ও ৬১.৫ শতাংশ উত্তরদাতাও এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৫৮.৫ শতাংশ মনে করেন যে, ঘন ঘন অভ্যন্তরীণ বিভাজনে জর্জরিত পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায়, সিপিসির নেতৃত্বে বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য অধিক সহায়ক এবং জাতীয় শাসন ও জনস্বার্থের জন্য অধিকতর উপকারী। বড় ধরনের জরুরি অবস্থা মোকাবিলার ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী উত্তরদাতাদের ৪৩.৫ শতাংশ মনে করেন, সিপিসি’র পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো অধিকতর সহজ। উল্লেখ্য, সিজিটিএন এবং রেনমিন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না-র নতুন যুগে আন্তর্জাতিক প্রচার গবেষণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জরিপটি, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের ১১ হাজার উত্তরদাতার মতামত তুলে ধরেছে। জরিপটি প্রধান উন্নত দেশ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেখানে উত্তরদাতারা ছিলেন ১৮ বছর বা আরো বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নাজমুন নাহার বেবী

​২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরের কচুয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন বীজ, সার ও ফলজ চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।​শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রণোদনা প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই কচুয়াসহ সারা দেশে কৃষিখাতে সমৃদ্ধি আসবে। তিনি আরও বলেন, কৃষি উপকরণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম।কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার মোট ১৩শ জন কৃষককে রোপা আমন ধানের বীজ, সার এবং বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের হাতে হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, ফিতা পাইপ, এলএলপি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার (ধান কাটার যন্ত্র), ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, ফুট পাম্প ও ধান মাড়াই যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়।​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উত্তর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুস সালাম শান্ত, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর নবী সুমন, ছাত্রদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সম্রাট রইসুদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা।ছবি: কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

কটিয়াদীতে খৎনা উপলক্ষে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামে আনন্দঘন পরিবেশে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চান্দপুর ইউনিয়নের পাঁচ পাড়া গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলের সুন্নতে খাতনা উপলক্ষে এই ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজন করা হয়।লাঠি খেলা দেখতে পাঁচপাড়া গ্রামসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। আধুনিক বিনোদনের যুগে হারিয়ে যেতে বসা এই লোকজ সংস্কৃতিকে নতুন করে দেখতে পেয়ে মেতে ওঠেন সব বয়সী মানুষ।এই লাঠি খেলাটি সভাপতিত্বে করেন মোঃ হাসুগুনী ও তার সদস্যগণ এই লাঠি খেলার ঢাক-ঢোলের তালে লাঠির কসরত : অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী ঢাক, ঢোল আর কাঁসার ঘণ্টার শব্দে চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে। রঙিন পোশাক পরিহিত লাঠিয়ালরা ঢোলের তালে তালে তাদের লাঠির নান্দনিক ও রুদ্ধশ্বাস কসরত প্রদর্শন করেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা এবং পাল্টা আক্রমণ করার এই রোমাঞ্চকর খেলা উপস্থিত দর্শকদের দারুণভাবে আনন্দিত করে। খেলায় চমৎকার নৈপুণ্য দেখানোর পর দর্শকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো প্যান্ডেল। স্থানীয় এক দর্শনার্থী জানান: "ছোটবেলায় মেলা-পার্বণে এমন লাঠি খেলা নিয়মিত দেখতাম। এখন তো এসব চোখেই পড়ে না। কালো মিয়ার ছেলের সুন্নতে খাতনা উপলক্ষে এমন আয়োজন আমাদের পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে করিয়ে দিল।"হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রয়াস:আয়োজক মো: কালো মিয়া জানান, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই বিশেষ আয়োজন। তিনি বলেন, "আমার ছেলের খৎনার এই আনন্দঘন মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং গ্রামের মানুষকে একটু সুস্থ বিনোদন দিতেই লাঠি খেলার আয়োজন করেছি। সবাই যেভাবে সাড়া দিয়েছেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত।"এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, অপসংস্কৃতির ভিড়ে লাঠি খেলার মতো আমাদের নিজস্ব লোকজ ঐতিহ্যগুলো দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এই গ্রামীণ ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।

বুড়িচংয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়  প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৯ জন

বুড়িচংয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৯ জন

বৃহস্পতিবার  ২ জুলাই থেকে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা  অনুপস্থিত ৬৯ জন পরীক্ষার্থী।  প্রথম দিনের পরীক্ষায় উপজেলার পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষার পরিবেশ ছিল শান্ত সুশৃঙ্খল।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩ হাজার ১১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯ জন ছিল অনুপস্থিত।  ইতোমধ্যে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল।বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা  শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার নির্ধারিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলায় কুমিল্লা  শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি কলেজের মোট ২ হাজার ৬৭৩ জন পরীক্ষার্থী ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩০১ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৩৭২ জন।এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৪৫ জন পরীক্ষার্থী।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসার ৩২০ জন পরীক্ষার্থী ২টি কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীর  মধ্যে ছাত্র ১৩৯ জন এবং ছাত্রী ১৮১ জন। এর অনুপস্থিত ছিল ২১ জন।এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজি কেন্দ্রে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৮৬ জন এবং ছাত্রী ৩৯ জন। এর অনুপস্থিত ছিল ৩ জন।কোরপাই কাকিয়ার চর ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরিদর্শনে আসেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুর রহমান, কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা মাওলানা অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান সরকার, হলসুপার মাওলানা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রুহুল আমিন।পারুয়ারা আব্দুল মতিন খসরু কলেজে পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, ফাবলিহা আনবার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ ভূইয়া, উপজেলা প্রোগ্রামার মইন আল রশিদ।এদিকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ তানভীর হোসেন  বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজ, ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজি সহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শন করে তিনি কেন্দ্রের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ,ফাবলিহা আনবার,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুতফুর রহমান।

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৬ জুন উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা কৰ্তৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও শংকর হাসপাতাল। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ফ্রেন্ডস ব্লাড ব্যাংক, মহিদপুর গ্রামবাসী এবং প্রফেসর ডাক্তার রুহুল আমিন রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ ইয়াসিন মিয়া ও শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব মো.আমির হোসেন ভূঁইয়া,  সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান জেড. এইচ. জহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান শিশির, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, আজীবন সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোশাররফ হোসেন, ডাক্তার মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবৰ্গরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন প্রায় সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা সহযোগিতা পাওয়ার পাশাপাশি ১৩২ জন রোগীর ছানি অপারেশন করার ব্যবস্থা করা হয়।

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

আগামী ২৮ জুন কুমিল্লার বরুড়ায়  ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।বৃহস্পতিবার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃক আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।সভায় আরো জানানো হয়, এবছর ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ৮ হাজার ৯০০ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৬৪ হাজার ৩০০ শিশুকে ৪০৮ টি ইপিআই সাবব্লক, ১ টি স্থায়ী কেন্দ্র সহ মোট ৪০৯ টি টিকা কেন্দ্রে ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি"র সভাপতিত্বে এসব কথা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো: মাজেদুর রহমান। সভা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জনি, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ আহমদ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

আগামী ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও চক্ষু হাসপাতাল শংকর, আলেখারচর, বিশ্বরোড, কুমিল্লার পরিচালনায় এবং বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এই চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।শিবিরে চক্ষু রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হবে। এছাড়াও যেসব রোগীর অপারেশনের প্রয়োজন হবে, তাদেরকে সেদিনই চক্ষু হাসপাতালের নিজস্ব গাড়িতে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হবে। রোগীদের জন্য যাতায়াত, থাকা-খাওয়া, সেবাযত্ন এবং চশমা প্রদানের ব্যবস্থাও বিনামূল্যে করা হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বরুড়া উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গড়ে উঠেছে। এসব সংগঠনের সদস্যরা যদি নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের সংগঠিত করে চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসেন, তাহলে অধিকসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং মানবিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ সকল স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনের সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসার জন্য বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।যোগাযোগ:মোঃ আবদুস সামাদসাবেক সাধারণ সম্পাদকবরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকামোবাইল: ০১৭১৮-৫৬৯৭৮০

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।