ঢাকা   শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের ঘোষণা।ইশতেহারে বিএনপি বলেছে, “সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” দলটি দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বিএনপির এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার উপস্থাপন করেন।পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে বিভিন্ন খাতের কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি গণমাধ্যম বিষয়ে একটি পৃথক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক, স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। গঠনমূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক—এমন মন্তব্য করে দলটি জানায়, সমালোচনাকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্নিরীক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব ধরনের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক ও মিডিয়া অফিসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো হামলা, ভয়ভীতি বা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের সুযোগ থাকবে এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও রয়েছে ইশতেহারে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সাংবাদিক নির্যাতন রোধে একটি বিশেষ সেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।ঘোষিত ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’–এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থিক সহায়তা এবং নানামুখী কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।

কালীগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, একজন গ্রেফতার

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

মাদক সেবী, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ভোট আমার প্রয়োজন নেই ..ড. এহছানুল হক মিলন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

গালাকে বিশ্বে চীনের চেতনাবাহী মঞ্চ হিসেবে বর্ণনা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার  ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে

স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি

স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি

রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১

রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১

নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া

নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া

বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)

বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ

ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

নীলফামারীতে ২২ বছর পর তারেক রহমানের আগমন, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

নীলফামারীতে ২২ বছর পর তারেক রহমানের আগমন, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা

মহেশপুরে ধানের শীষের মিছিলে মোটরসাইকেল–করিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩

মহেশপুরে ধানের শীষের মিছিলে মোটরসাইকেল–করিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩

আমাকে একবার সুযোগ দিয়ে পরীক্ষা করুন... আবু নছর আশ্রাফী

আমাকে একবার সুযোগ দিয়ে পরীক্ষা করুন... আবু নছর আশ্রাফী

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ  লক্ষে ২৭ বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ লক্ষে ২৭ বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি

কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎ এর আগুনে বাড়ি ও দুই গরু ভস্মীভূত

কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎ এর আগুনে বাড়ি ও দুই গরু ভস্মীভূত

কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দু’টি অফিস ভাংচুর ও ককটেল নিক্ষেপ

কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দু’টি অফিস ভাংচুর ও ককটেল নিক্ষেপ

শিল্পের নামে নর্দমার চাষ: 'বাস্তবতা'র দোহাই দিয়ে আর কতদিন

শিল্পের নামে নর্দমার চাষ: 'বাস্তবতা'র দোহাই দিয়ে আর কতদিন

চসিকের ২০০ গাড়িচালকের চাকরি স্থায়ীকরণের ঘোষণা

চসিকের ২০০ গাড়িচালকের চাকরি স্থায়ীকরণের ঘোষণা

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের ঘোষণা।ইশতেহারে বিএনপি বলেছে, “সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” দলটি দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বিএনপির এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার উপস্থাপন করেন।পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে বিভিন্ন খাতের কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি গণমাধ্যম বিষয়ে একটি পৃথক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক, স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। গঠনমূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক—এমন মন্তব্য করে দলটি জানায়, সমালোচনাকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্নিরীক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব ধরনের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক ও মিডিয়া অফিসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো হামলা, ভয়ভীতি বা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের সুযোগ থাকবে এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও রয়েছে ইশতেহারে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সাংবাদিক নির্যাতন রোধে একটি বিশেষ সেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।ঘোষিত ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’–এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থিক সহায়তা এবং নানামুখী কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।

১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। 
চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি

বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
adsfghfjklh;kgjfydhtrsdhjfkglh;j

গালাকে বিশ্বে চীনের চেতনাবাহী মঞ্চ হিসেবে বর্ণনা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ

দক্ষিণ আফ্রিকায় চায়না মিডিয়া গ্রুপ বা সিএমজি’র ‘২০২৬ সালের বসন্ত উৎসব গালার’ তৃতীয় মহড়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্তম শহর জোহানেসবার্গে সিএমজি বসন্ত উৎসব গালার প্রোমো ভিডিও ও সংশ্লিষ্ট সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পণ্য প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় প্রবাসী চীনা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ চীন থেকে পাঠানো বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন।দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্তম শহর জোহানেসবার্গে ৩ লাখেরও বেশি প্রবাসী চীনা বসবাস করেন। সিএমজি বসন্ত উৎসব গালার প্রোমো ভিডিও প্রকাশের খবরে অনেকেই তা দেখতে ভিড় করেন। দর্শকরা জানান, বিদেশে বসে মাতৃভূমির বসন্ত উৎসবের ভিডিও দেখে তারা অনেক আপন অনুভব করছেন। এর ফলে তারা বসন্ত উৎসবের মর্ম আরও গভীরভাবে উপভোগ করতে পারছেন।দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ সিলিস মেঙ্গ্যা এর আগে জোহানেসবার্গে সিএমজির বসন্ত উৎসব গালা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। পুরানো স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সিএমজি বসন্ত উৎসব গালা চীনা সংস্কৃতির একটি আড়ম্বরপূর্ণ ভোজসভার মতো। এটি বিশ্বের কাছে চীনের চেতনা এবং প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার একটি চমৎকার মঞ্চ।ঘোড়ার বছর হিসেবে এবারের বসন্ত উৎসব গালা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেতনাকে মূর্ত করে তুলেছে। এটি চীনা জাতির প্রাণবন্ত ও ঊর্ধ্বমুখী চেতনারও প্রকাশ। বিশ্বজুড়ে সম্প্রচারিত এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি কেবল অগণিত দর্শককে পারিবারিক পুনর্মিলনের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগই দেয় না, বরং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে পারস্পরিক শিক্ষা এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করে। সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

সব বিভাগের খবর

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের খেলায় পুরস্কার বিতরণ করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাস ও নোয়াখালী আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি উপভোগের পর খেলোয়াড়দের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম কাজল।‎খেলায় চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাসকে ৫১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী জয়লাভ করে।জমজমাট এ ম্যাচে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।‎ম্যাচে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালীর পক্ষে ফয়সাল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে ‘গেম চেইনজার’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য জসিম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।‎পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কর্মকার মিঠুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজল পাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সদস্য জসিম উদ্দিন, হাসান আহমেদ, আবু মূসা আল শিহাব।‎উল্লেখ্য, খেলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী ৫১ রানের বড় জয় নিশ্চিত করে। যা উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়ানুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

আইপিএলে বাদ মোস্তাফিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান: রাজিন সালেহ (ভিডিও)

মোহাম্মদ আলী সুমন আসন্ন আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৯.২ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে চুক্তিবদ্ধ হলেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাকে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। https://youtu.be/4VXZlvahV3s?si=QAho6T9MgSac2V3J এ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি বিসিসিআই। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রভাব থাকলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এটা শুধু মোস্তাফিজের নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান। আইপিএলে নিজেকে প্রমাণ করা একজন খেলোয়াড়কে ডেকে আবার না নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, আইপিএলে যদি একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর ও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ভাবতে হবে।

ঝিনাইদহে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগের উদ্বোধন

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগ। সোমবার সকালে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে তিস্তা জোনের এ খেলার উদ্বোধন করা হয়। খেলার উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস। সেসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক নাজমুল হাসান লোভন, সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাইসার হামিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও অনুর্ধ-১৭ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান কাননসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন শেষে বেলুন উড়িয়ে এ লীগের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত লীগ ভিত্তিতে এ খেলায় খুলনা বিভাগের ৮ টি জেলার ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। আগামী ৩১ জানুয়ারী পদার্ নামবে এ তিস্তা জোনের এই চ্যাম্পিয়নশিপের। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ঝিনাইদহ ফুটবল একাদশ বনাম নড়াইল ফুটবল একাদশ। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতেই এই আয়োজন বলে জানায় আয়োজকরা।

নীলফামারীতে ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি নীলফামারীতে মাদক বিরোধী ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই দুই ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে ভলিবল ও সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের সন্নাসীতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। কাবাডি প্রতিযোগীতায় নীলফামারীকে হারিয়ে ডোমার এবং ভলিবলে কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে জলঢাকা উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে প্রধান অতিথি থেকে ট্রপি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মুজাক্কিন, সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোল্লা ইফতেখার আহমেদ, নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবুল হাসেম বক্তব্য দেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের সহযোগীতায় এই দুই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন জানান, প্রতিযোগীতার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটি ম্যাসেস দিতে চাই। যেটি হলো মাদককে না বলুন, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলুন। বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি আমাদের সর্বনাশ করে দিচ্ছে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে একহতে হবে। ‘এসো দেশ বদলাই পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব ঘিরে এই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী স্মৃতি স্মরনে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মোঃ ইলিয়াছ আহমদ, বরুড়া কুমিল্লার বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী'র স্মৃতির স্মরণে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ শুরু হয়েছে। ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল, এ প্রতিপাদ্যের আলোকে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩.৩০ মিনিটে বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দাতা পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আজকের খেলার সুন্দর আয়োজন দেখে আমি আনন্দিত হয়েছি আমি চাই এ ধরনের খেলা গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ুক আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত ও নেশা মুক্ত সমাজ গড়তে তখন মানসিক ও পারিবারিক ভাবে স্বস্তিতে থাকবো, আমরা মাদকের আসক্ত থেকে বিরত থাকতে পারবো, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে তিনি পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ আবু সায়েম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আমরা চাই যুবসমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে বিরত থাকুক সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলুক এ ধরনের পরিবেশে আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন বরাবরই সহযোগিতা করে আসছে ভবিষ্যতেও যুব সমাজকে মাদক থেকে বীরত্ব রাখতে শিক্ষার কল্যাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেধাদ উদ্দিন, ওরাই আপনজন সামাজিক সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সহসভাপতি মোঃ জামাল হোসেন, ঘোষ্পা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ মানিক হোসেন, কাতার প্রবাসী মোঃ মহিন উদ্দিন, প্রমুখ। ১৮ টি দল অংশ গ্রহণ করে এ টুর্ণামেন্টে। নক আউট পদ্ধতিতে এ খেলা চলবে।

রাঙামাটিতে ক্লাব আরজিটির উদ্যোগে ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মো. কাওসার, রাঙামাটি রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি মুসলিম পাড়ায় ক্লাব আরজিটি’র উদ্যোগে ডে-নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার পর্দা ওঠে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলাপ্রেমী শতাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সুস্থ দেহে গড়ে ওঠে সুস্থ মন। তরুণ সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর মুসলিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে খেলাধুলা অন্যতম মাধ্যম। এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে।” উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, “যুবকদের প্রতিভা বিকাশে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।” বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলভি হাসান নাঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. নাঈম সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের মোট ২০ টি দল অংশ নিচ্ছে এবং রাত পর্যন্ত ম্যাচগুলো চলবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এলাকার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়বে।

শিল্পের নামে নর্দমার চাষ: 'বাস্তবতা'র দোহাই দিয়ে আর কতদিন

শিল্প যখন মানুষের রুচি তৈরি না করে বরং কুরুচিকে পুঁজি করে ব্যবসা শুরু করে, তখন বুঝতে হবে সেই জাতির সাংস্কৃতিক মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গেছে। আমাদের দেশের নাটকের একটা সুদীর্ঘ এবং গৌরবময় ইতিহাস আছে। বিশেষ করে নব্বই দশকের সেই সোনালী দিনগুলোর কথা ভাবলে আজ বুক ফেটে দীর্ঘশ্বাস বের হয়। তখন টিভির পর্দা মানেই ছিল সাহিত্যের সুবাস, শুদ্ধ ভাষার চর্চা আর এক টুকরো প্রশান্তি। কিন্তু সময়ের আবর্তে আজ আমাদের সামনে এমন কিছু অভিনেতা এবং নির্মাতার আবির্ভাব ঘটেছে, যারা নাটককে ড্রয়িংরুম থেকে টেনে হিঁচড়ে নর্দমায় নামিয়ে এনেছেন। নাম না নিলেও আপনারা চেনেন সেই ‘বিখ্যাত’ অভিনেতাকে, যার মুখ খুললেই ভাষার সৌন্দর্য নয়, বরং নর্দমার দুর্গন্ধ বের হয়।আজকাল এক শ্রেণির অভিনেতার কাছে অভিনয় মানেই হলো উচ্চস্বরে চিল্লানো আর অনর্গল সস্তা গালিগালাজ করা। তারা দাবি করেন, তারা নাকি সমাজের ‘রিয়েলিস্টিক’ বা বাস্তব চিত্র তুলে ধরছেন। আমার প্রশ্ন হলো, বাস্তবতার সংজ্ঞায় কি কেবল গালিগালাজ আর অন্ধকার জগতই পড়ে? সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনে কি ভালোবাসা নেই? শ্রদ্ধাবোধ নেই? শুদ্ধ ভাষার কি কোনো স্থান নেই?​নব্বই দশকে হুমায়ূন ফরিদী যখন খলচরিত্রে অভিনয় করতেন, তার চোখের এক চাউনিতেই হাজারটা গালি ফুটে উঠত। অথচ তিনি কখনো মুখের ভাষা কলুষিত করেননি। আর আজকের এই ‘নতুন যুগের’ নায়করা মনে করেন, পর্দায় যত বেশি ‘সোদানির  ফো...’ বা এই জাতীয় কুৎসিত শব্দ উচ্চারণ করা যাবে, অভিনয় নাকি তত বেশি ‘ন্যাচারাল’ হবে। এই যে মানসিক বিকৃতি, একে শিল্প বলা তো দূরের কথা, সাধারণ বিনোদন বলাও পাপ।নাটক মানেই ছিল পরিবারের মিলনমেলা। অথচ আজ অবস্থা এমন হয়েছে যে, সেই অভিনেতার মুখ স্ক্রিনে দেখা গেলেই রিমোটের মিউট বাটন খুঁজতে হয় অথবা চ্যানেল পাল্টে দিতে হয়। কারণ, কখন কোন গালি দিয়ে বসবেন, তার কোনো ঠিক নেই। যারা নিজেকে বড় অভিনেতা দাবি করেন, তাদের কি একবারও মনে হয় না যে এই নাটকগুলো তাদের নিজের মা, বোন বা সন্তানরাও দেখতে পারে?​যে অভিনেতা পরিবার নিয়ে বসে দেখার মতো পরিবেশ বজায় রাখতে পারেন না, তিনি কিসের শিল্পী? শিল্প তো মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরায়, আর এরা মানুষকে নর্দমায় নামিয়ে দিচ্ছে। নব্বই দশকের নাটকের ভাষা ছিল আমাদের গর্ব, আমাদের পরিচয়। সেই আভিজাত্যকে যারা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য গালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন, তারা আসলে আমাদের সংস্কৃতির ক্যানসার।রাস্তার মোড়ের আড্ডা আর নাটকের সংলাপের মধ্যে একটা পার্থক্য থাকা উচিত। একজন রিকশাচালক বা একজন অপরাধী যখন রাস্তায় গালি দেয়, সেটা তার ব্যক্তিগত দীনতা। কিন্তু সেই একই গালি যখন বড় বাজেটের নাটকে একজন অভিনেতা গর্বের সাথে উচ্চারণ করেন, তখন সেটা আর কেবল গালি থাকে না, সেটা হয়ে যায় অপরাধের সামাজিকীকরণ। এই তথাকথিত ‘বিখ্যাত’ অভিনেতাটি তার ক্যারিয়ারের বড় অংশই পার করছেন এমন সব চরিত্রে অভিনয় করে, যেখানে তার একমাত্র যোগ্যতা হলো তিনি কত সাবলীলভাবে কুৎসিত গালি দিতে পারেন।​তার ভক্তরা হয়তো বলবেন, “ভাই অভিনয়টা তো ফাটাফাটি!” আরে ভাই, গালি দেওয়া কি অভিনয়ের অংশ? গালি তো সাধারণ মানুষও দেয়, তাহলে তারাও কি অভিনেতা? অভিনয় হলো সূক্ষ্ম কারুকার্য, সেখানে গালির কোনো স্থান নেই। অথচ এই মানুষগুলো আমাদের নাটকের চিরচেনা সুন্দর পরিবেশটাকে বিষিয়ে তুলেছেন। এদের কারণেই আজ শিক্ষিত সমাজ নাটক দেখা ছেড়ে দিয়ে নেটফ্লিক্স বা বিদেশি কন্টেন্টের দিকে ঝুঁকছে।নব্বই দশকের নাটকে যখন আসাদুজ্জামান নূর বা সুবর্ণা মুস্তাফারা সংলাপ বলতেন, তখন দর্শক মুগ্ধ হয়ে শুনত। ভাষার সেই লালিত্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। বর্তমানের এই অভিনেতা এবং তার বলয়ের নির্মাতারা নাটককে একটা বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর করেছেন, যেখানে রুচির চেয়ে সুড়সুড়ি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা ভাবেন, তরুণ প্রজন্ম গালি শুনতে পছন্দ করে, তাই গালি দিতে হবে। এটা স্রেফ এক ধরনের সস্তা ধান্দাবাজি।​শিল্পের মূল কাজ রুচি তৈরি করা, দর্শকদের নিচু রুচির কাছে আত্মসমর্পণ করা নয়। এই অভিনেতাটি যেভাবে নিজেকে ‘পাওয়ার হাউস পারফর্মার’ হিসেবে জাহির করেন, আসলে তার অভিনয়ের মূল খুঁটিই হলো উগ্রতা। অথচ উগ্রতা আর অভিনয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। যারা নব্বই দশকের অভিনয় দেখে বড় হয়েছেন, তারা জানেন প্রকৃত অভিনয়ের ওজন কতটুকু।আমরা কি আমাদের সন্তানদের এমন এক নাট্য সংস্কৃতির হাতে ছেড়ে দেব যেখানে বড়দের সম্মান নেই, ভাষার মর্যাদা নেই? ওই অভিনেতাটি যখন পর্দায় বীরদর্পে গালি দেন, তখন কিশোর-তরুণরা সেটাকেই ফ্যাশন মনে করে। তারা ভাবে, গালি দেওয়া বোধহয় স্মার্টনেস। এই সামাজিক অবক্ষয়ের দায় কে নেবে? এই অভিনেতারা কি নেবেন? না, তারা কেবল তাদের পকেট ভারী করবেন এবং সস্তা হাততালিতে গা ভাসাবেন।​আমাদের নাট্যাঙ্গন আজ এক গভীর সংকটে। একপাশে আছে নব্বই দশকের সেই শুদ্ধতা আর অন্যপাশে এই বর্তমানের কর্দমাক্ত গালি-সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি যদি বন্ধ না হয়, তবে আমাদের নাটক কেবল পর্নোগ্রাফির চেয়েও নিকৃষ্ট হয়ে দাঁড়াবে।শিল্পের নামে যারা নর্দমা ছড়াচ্ছে, তাদের সময় ফুরিয়ে আসছে। মানুষ আর কতদিন এই গালিগালাজকে অভিনয় হিসেবে গ্রহণ করবে? নাম না নিলেও আপনারা বোঝেন, কারা এই নোংরামির কারিগর। আমাদের উচিত এই ‘গালি-সম্রাটদের’ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করা। আমরা সেই নাটক ফিরে পেতে চাই যেখানে গালি থাকবে না, থাকবে মায়া। আমরা সেই পরিবেশ ফিরে পেতে চাই যেখানে বাবা-মেয়ে একসাথে বসে টিভি দেখতে পারবে।​যিনি মনে করেন গালি দিয়েই তিনি বাংলা নাটক জয় করে ফেলেছেন, তার উদ্দেশ্যে একটাই কথা—রুচিহীনতা কখনো অমর হয় না। আসাদুজ্জামান নূররা বেঁচে থাকবেন তাদের আভিজাত্যে, আর আপনারা হারিয়ে যাবেন সময়ের আস্তাকুঁড়ে, কারণ আপনাদের হাতে কোনো শিল্প নেই, আছে কেবল বিকৃতি। নাটকের পরিবেশ যারা নষ্ট করে, তাদের জন্য ঘৃণা ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই।

দর্শকদের মানসম্মত গান উপহার দিতে চায় মমতাজ রহমান লাবনী

বর্তমান প্রজন্মের প্রতিভাবান সংগীতশিল্পী মমতাজ রহমান লাবনী। দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার বিনোদন বিভাগের সাথে তার ক্যারিয়ার ও পারিপার্শ্বিক বিষয় নিয়ে কথোপকথন হয়৷ সাক্ষাতকার নিয়েছেন। রিফাত সাইফুদ্দিন ইয়াহ্ইয়া ১. গায়িকা হওয়ার ইচ্ছে কি ছোটবেলা থেকেই ছিল?.উ: জি ছোট বেলা থেকেই।২. গানের জগতেকত বছর যাবৎ কাজ করা হচ্ছে?.উ: প্রায় ২৫ বছর। ৩. কাজের শুরুটা সম্পর্কে কিছু জানতে চাই-উ: কাজের শুরুটা আমার স্টেজ শো দিয়েই হয়েছে। তারপর রেডিও টেলিভিশন ও শিল্পকলার মাধ্যমে।  ৪. বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে জানতে চাই-উ: গান চর্চার পাশাপাশি রেকর্ডিং এর কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। ৫...জীবনে গানকে পেশা হিসেবে গ্রহণ না করলে ; অন্য কি পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে?.উ: শিক্ষকতা পেশা  ৬.অবসর সময়ে কি করা হয়??উ: ছেলেকে সময় দেওয়া হয়।৭.সংগীত নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি??.উ: আরো বেশি বেশি গান গাইতে চাই এবং সুন্দর সুন্দর গান শুনতে চাই। দর্শকদের মানসম্মত গান উপহার দিতে চাই  

কিছু অপ্রিয় সত্য / বিদেশের সিল পড়লেই কি সিনেমা ‘ভালো’ হয়ে যায়?

​ইদানীং একটা ট্রেন্ড খুব চোখে পড়ছে। কোনো সিনেমা ইউরোপের কোনো ফেস্টিভ্যালে সিলেক্ট হলেই আমরা ধুমধাম করে বলে ফেলি—“দেশের নাম উজ্জ্বল হলো!” ফেসবুকে অভিনন্দনের বন্যা বয়ে যায়। কিন্তু স্যার, হাততালি দেওয়ার আগে একটু থামেন। কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন করার সময় এসেছে।​কারণ, আন্তর্জাতিক ফেস্টিভ্যাল মানেই ‘সেরা’—এই ধারণাটা সব সময় খাটে না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ওইসব ফেস্টিভ্যালের জুরিদের ‘রুচি’ আর ‘এজেন্ডা’র সাথে আমাদের সিনেমাটা মিলে গেছে বলেই সেটা সিলেক্ট হয়েছে।​১. এটা কি সিনেমা, নাকি এনজিও প্রোজেক্ট?সোজাসুজি বলি—ইউরোপের ফেস্টিভ্যালগুলোর একটা নিজস্ব ‘চেকপয়েন্ট’ আছে। এরা তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে সাধারণত এমন সিনেমাই খোঁজে যেখানে—দারিদ্র্য থাকবে, পলিটিক্যাল ক্যাচাল থাকবে, রাষ্ট্র বনাম ব্যক্তির হাহাকার থাকবে।সমস্যা এই টপিকগুলো নিয়ে না, সমস্যা হলো ট্রিটমেন্ট নিয়ে। মনে হয় পরিচালকরা দেশের দর্শকের জন্য গল্প না বলে, বিদেশের জুরিদের খুশি করার জন্য একটা ‘এক্সপোর্ট কোয়ালিটি ন্যারেটিভ’ বানাচ্ছেন। সিনেমার প্রাণ বা গল্পের চেয়ে সেখানে ‘ইস্যু’ বিক্রি করাটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। এটা কি সিনেমা, নাকি ফেস্টিভ্যালের জন্য বানানো প্যাকেজ?​২. থ্রিলারের নামে ‘ঘুমপাড়ানি’ লেকচারযে ছবিটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে, সেটা নাকি ‘পলিটিক্যাল থ্রিলার’। ভাই, থ্রিলার মানে তো বুঝি—বুকের ধড়ফড়ানি বাড়বে, ঘটনার ঘনঘটা থাকবে, টানটান উত্তেজনা থাকবে।কিন্তু আমাদের তথাকথিত ‘আর্ট ঘরানার’ থ্রিলারে কী দেখি?গল্প আগায় না, খালি লম্বা লম্বা শট, আর রূপকের আড়ালে পরিচালকের ভারী ভারী স্টেটমেন্ট। আপনি সিনেমা দেখতে বসলেন বিনোদনের জন্য, আর পেলেন রাজনৈতিক ভাষণ। মেসেজ থাকুক, কিন্তু সেটা গল্পের ঘাড় মটকে কেন?​৩. সেই এক মুখ, সেই এক অভিনয়কাস্টিং নিয়ে কথা বলতেও ক্লান্তি লাগে। সেই পরিচিত মুখ, সেই চেনা ভঙ্গি। ওই অভিনেতা নিঃসন্দেহে ভালো, কিন্তু তাকে দিয়ে আর কতবার একই ধরনের ‘সিরিয়াস/গম্ভীর’ চরিত্র করাবেন? পর্দায় তাকে দেখলে এখন আর চরিত্র মনে হয় না, মনে হয়—‘ওহ, উনি তো এমনই করেন’।থ্রিলারে যদি দর্শক দেখেই বুঝে ফেলে অভিনেতা এখন কী এক্সপ্রেশন দেবেন, তাহলে সাসপেন্স থাকে কোথায়? নিরাপদ কাস্টিংয়ের এই আলসেমি থেকে পরিচালকরা কবে বের হবেন?​৪. সিলেকশন নাকি কানেকশন?আমরা সাধারণ দর্শকরা ভাবি, সিনেমা ভালো তাই সিলেক্ট হয়েছে। কিন্তু পর্দার পেছনের ‘লবিং’ বা ‘নেটওয়ার্কিং’-এর খবর কজন রাখি? ফেস্টিভ্যাল প্রোগ্রামারদের সাথে খাতির আর বর্তমান ট্রেন্ডের সাথে খাপ খাওয়ানো—এগুলো অনেক সময় সিনেমার মানের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়।​শেষ কথা:বিদেশের মাটিতে দেশের ছবি যাওয়া অবশ্যই গর্বের। কিন্তু সেটা যেন শুধু ‘ফেস্টিভ্যাল ফ্রেন্ডলি’ ডার্ক বাংলাদেশ না হয়। আমরা চাই এমন সিনেমা যা ফেস্টিভ্যালের জুরিদের জন্য না, বরং আমাদের মাটির গল্পের জন্য বানানো।​সিনেমা যেন ‘প্রোডাক্ট’ না হয়ে, সত্যি সত্যিই ‘সিনেমা’ হয়ে ওঠে—এই আশাটা কি খুব বেশি?

কোন পোস্ট নেই !

১৫ শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে আবেদন বন্দর কর্তৃপক্ষের

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান আন্দোলন দুদিনের জন্য স্থগিত ঘোষণার পরপরই প্রশাসনিকভাবে কঠোর অবস্থানে গেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।  আন্দোলনের কারণে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়া এবং জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রেক্ষাপটে ১৫ শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।  একই সাথে তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট দফতর ও সংস্থাগুলোকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সই করা এক চিঠিতে এই আবেদন জানানো হয়।চিঠিটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে। এর অনুলিপি দেওয়া হয়েছে নৌপরিবহন উপদেষ্টার দফতর, দুদক এবং জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের কাছেও।চিঠিতে যে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন।  আন্দোলনের সময় তাদের প্রেষণে যথাক্রমে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়।তালিকায় থাকা অন্যরা হলেন— মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবীর (এসএস পেইন্টার), মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘উক্ত কর্মচারীগণ রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত।  এ সকল বিপথগামী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।  তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট দফতর ও এজেন্সিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’একই সাথে দুদকে পাঠানো চিঠিতে এই ১৫ কর্মচারীর সম্পদ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।  ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের লাগাতার কর্মসূচির ফলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যসহ বন্দরের প্রায় সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে যান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।  তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেন।  উপদেষ্টার আশ্বাসে বিকেল থেকে শ্রমিকেরা শুক্রবার ও শনিবার পর্যন্ত দুদিনের জন্য আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন।শ্রমিক নেতাদের সাথে বৈঠক শেষে ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রোজার আগে বন্দর বন্ধ করে আন্দোলন করা অত্যন্ত অমানবিক।  এর ফলে বিমানের জ্বালানি আটকে গিয়ে এয়ারলাইনসগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।  সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো আপস করা হবে না এবং ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।উপদেষ্টা আরও জানান, বন্দরের অচলাবস্থার কারণে যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণে একটি ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন’ পরিচালনা করা হবে।  আন্দোলনকারীরা কাজে বাধা দিলে সরকার ‘হার্ডলাইনে’ যেতে বাধ্য হবে।  এ ছাড়া এই আন্দোলনের পেছনে অন্য কোনো ইন্ধন আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।

কোন পোস্ট নেই !

রহস্যজনক মৃত্যু / মিরপুরে বাসা থেকে দম্পতি ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১১ এলাকার ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্পে একটি বাসা থেকে দুই শিশুসন্তানসহ এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে।পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের পর মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তবে স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণসংক্রান্ত আর্থিক সংকটে ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চরম হতাশা থেকেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে।

অপসারণ দাবি / খুনের মামলার আসামিদের নিয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তার ‘গোপন বৈঠক

​সাভার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কে এম শহীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের চেতনা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের মদত দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক বরাবর দায়ের করা এক অভিযোগে ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’ জানিয়েছে, একজন সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফেরারি আসামিদের সুরক্ষা দিতে নেপথ্যে কাজ করছেন।​ফেরারি আসামিদের সঙ্গে গোপন বৈঠক​অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে রাজধানীর লালমাটিয়ায় ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’-এর কার্যালয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলার (নং ১০০(১)২৫ এবং সিআর ৫৬০/২৪) এজাহারভুক্ত ১৯২, ১৯৩ ও ১৯৪ নম্বর আসামি যথাক্রমে দেওয়ান মো. মিজানুর রহমান, রফিকুল ইসলাম জজ এবং সেলিম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।​একজন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে ফেরারি আসামিদের সঙ্গে সভা করলেন, তা নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।​প্রতিষ্ঠান দখল ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের অভিযোগ​অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কে এম শহীদুজ্জামান সাবেক বিতর্কিত মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তিনি একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৌশলে সাভারে পুনরায় বহাল হন।​তিনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’-কে ব্যবহার করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জনাব নওয়াব আলী ভূইয়ার দৃঢ় অবস্থানের কারণে সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি।​আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলন​শহীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিগত সরকারের প্রচারণা এবং বিপ্লব পরবর্তী সময়ে সন্দেহভাজন কর্মকাণ্ডকে প্রশাসনের নিরপেক্ষতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।​"জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে খুনিদের সঙ্গে বৈঠক করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। আমরা তাকে দ্রুত অপসারণ করে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।" > — মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক কর্মকর্তা, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ।​পরবর্তী পদক্ষেপ​জানা গেছে, অভিযোগের অনুলিপি ইতিমধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ না এলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংক্ষুব্ধ পক্ষটি।

বাসর রাতে মুখ ধোয়ার পর বদলে গেল কনে, আদালতে মামলা, কারাগারে বর

বিয়ের পর বাসরঘর, আলো-ছায়ার ভেতর নতুন জীবনের শুরু সব ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু কনে মুখ ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন থমকে যায় সবকিছু। রায়হান কবিরের অভিযোগ যে মেয়েকে বিয়ের আগে দেখানো হয়েছিল, বাসর রাতে সেই মেয়ে ছিলেন না। মুহূর্তেই আনন্দের ঘর রূপ নেয় অভিযোগ, সন্দেহ আর মামলার জালে। এই ‘কনে বদল’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও কৌতূহল। সত্যিই কি পরিকল্পিত প্রতারণা, নাকি এটি একটি ভয়াবহ ভুল বোঝাবুঝি এই প্রশ্নের উত্তর খুজছে সাধারণ মানুষ।ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভান্ডার এলাকায়। এখানেই জিয়ারুল হকের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার মৃত ইব্রাহীমের ছেলে রায়হান কবিরের। বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ায় আদালত আর কারাগার পর্যন্ত! ঘটনার পর বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার দুই পক্ষ আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে গত বছরের ২৭ আগস্ট কনের বাবা জিয়ারুল হক বর রায়হান কবির ও তার দুলাভাই মানিক হাসানকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পাল্টা হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর রায়হান কবির কনের বাবা জিয়ারুল হক ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে আরেকটি মামলা করেন।উভয় পক্ষের মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আদালত রায়হান কবিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রায়হান কবিরের মামা বাদল অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ঘটক মোতালেবের মাধ্যমে রায়হান কবিরের জন্য পাত্রী খোজা হচ্ছিল। জুলাই মাসের শেষের দিকে রাণীশংকৈলের শিবদিঘী এলাকার একটি চায়ের দোকানে ঘটক একটি মেয়েকে দেখান। মেয়েটিকে পাত্র ও উপস্থিত স্বজনদের পছন্দ হলে তা ঘটককে জানানো হয়। পরবর্তীতে মেয়েপক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে এসে আত্মীয়তার প্রস্তাব দেয় এবং নতুন করে মেয়ে না দেখেই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানায়। দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করার তাগিদও ছিল বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, রায়হান কবিরের দুলাভাই মানিক মালয়েশিয়া প্রবাসী। তিনি দ্রুত বিদেশে ফিরে যাবেন এ কারণে আমরা বিয়ের কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করতে চেয়েছিলাম। ১ আগস্ট রাত ১১টায় দুটি মাইক্রোবাসে করে আমরা মেয়ের বাড়িতে যাই। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ভোর ৪টার দিকে বাড়ি ফিরি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতিরিক্ত মেকআপের কারণে বিয়ের রাতে কনে পরিবর্তনের বিষয়টি আমরা বুঝতে পারিনি। তবে বাসর রাতে মেয়ে মুখ ধোয়ার পর রায়হান কবির বুঝতে পারে, সে যে মেয়েকে বিয়ে করেছে সে অন্য কেউ। যে মেয়েকে আগে দেখানো হয়েছিল, তাকে কৌশলে বদল করা হয়েছে। ২ আগস্ট আমরা মেয়েটিকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিই এবং প্রতারণার কারণ জানতে চাই। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ঘটক ও মেয়ের বাবা পরিকল্পিতভাবে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে কনের বাবা জিয়ারুল হক বলেন,তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়ে জেমিন আক্তার রাণীশংকৈল মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ছেলেপক্ষ আমাদের বাসায় এসে মেয়েকে দেখে গেছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০ জন বরযাত্রী উপস্থিত ছিল। এমন অবস্থায় বিয়ের রাতে কনে বদল হয়েছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের আগে কোনো যৌতুকের কথা বলা হয়নি। কিন্তু বিয়ের পরদিনই তারা ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। আমি জমি বিক্রি করে দেওয়ার কথাও বলেছি, কিন্তু তারা সময় দিতে রাজি হয়নি। এখন আমাকে হেয় করার জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘটক মোতালেব বলেন, আমি অন্য কোনো মেয়ে দেখাইনি। মেয়ে দেখানো হয়েছিল তার বাবার বাসাতেই। পরে তারা নিজেরাই দ্রুত বিয়ের প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এরপরের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও ছেলেপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, ছেলেপক্ষের অভিযোগ মেয়েপক্ষ ও ঘটক মিলে কনে বদলের মাধ্যমে প্রতারণা করেছে। প্রথম দিকে মীমাংসার শর্তে রায়হান কবির জামিনে ছিলেন। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি এখন পুরোপুরি বিচারাধীন। আমরা আশা করছি আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।

সমুদ্রের বুকে প্রশান্তির খোঁজ

মোহাম্মদ আলী সুমন আজকের নগর জীবনে মানুষ যেন সবসময় ছুটে চলে অদৃশ্য এক প্রতিযোগিতার পেছনে। ভোর থেকে রাত অবধি ব্যস্ততা, কোলাহল, যানজট আর দৌড়ঝাঁপের মধ্যে হারিয়ে যায় নিজের সঙ্গে একান্ত কিছু সময় কাটানোর সুযোগ। অথচ মানুষ চায় প্রশান্তি, খোঁজে নীরবতা, খোঁজে প্রকৃতির সান্নিধ্য। সেই খোঁজেই হাজারো মানুষ ছুটে যায় সমুদ্র সৈকতে। সম্প্রতি কক্সবাজারের বালুকাবেলায় এমনই এক দৃশ্য ধরা পড়লো। সৈকতের সবুজ-হলুদ রঙের ছাতার নিচে বসে আছেন এক দর্শনার্থী। সাদা পোশাকে আরাম করে বসে থাকা তার চোখেমুখে যেন খেলে যাচ্ছিল এক ধরনের প্রশান্তির ছাপ। সমুদ্রের হাওয়ায় চুল এলোমেলো হলেও, তার দৃষ্টি স্থির হয়ে ছিল সমুদ্রের বিশালতার দিকে। যেন প্রতিটি ঢেউ তাকে শোনাচ্ছিল নতুন জীবনের গান। বালুকাবেলায় বসে তিনি যখন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে প্রকৃতি উপভোগ করছিলেন, তখন আশপাশের পরিবেশও যেন বদলে যাচ্ছিল। ঢেউয়ের মৃদু গর্জন, বাতাসের ছোঁয়া আর দূরে খেলতে থাকা শিশুদের হাসি একসাথে মিলেমিশে তৈরি করেছিল অন্যরকম আবহ। সমুদ্রকে অনেকেই শুধু জলরাশি ভেবে ভুল করেন। অথচ এর প্রতিটি ঢেউ জীবনের প্রতীক। ঢেউ আসে, ভেঙে যায়, আবারও নতুন করে ফিরে আসে। জীবনের প্রতিটি দুঃখ-কষ্টও যেন সেই ঢেউয়ের মতো—আসবে, কেটে যাবে, আবারও নতুন সূচনা হবে। সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা অনেক দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, তারা এখানে আসেন মনকে হালকা করতে, নিজেদের নতুন করে সাজাতে। একজন দর্শনার্থীর ভাষায়—“সমুদ্রের বিশালতা আমাকে শেখায়, জীবনে যত সমস্যা থাকুক না কেন, এর চেয়ে বড় কিছু নয়। প্রকৃতির সামনে সব কষ্টই তুচ্ছ।” বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্র সৈকতে সময় কাটানো মানুষের মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঢেউয়ের ছন্দ, হাওয়ার ছোঁয়া আর প্রকৃতির বিশালতা একসাথে কাজ করে মানসিক চাপ কমাতে। শুধু তাই নয়, এটি মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—“প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের একটি গভীর যোগ আছে। আমরা যখন সমুদ্র বা পাহাড়ে যাই, তখন আমাদের মস্তিষ্কে এমন কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুশ্চিন্তা দূর করে এবং প্রশান্তি এনে দেয়। তাই সমুদ্র ভ্রমণ শুধু আনন্দ নয়, এটি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।” নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শান্তির সন্ধানে সৈকতের চেয়ারে বসে থাকা সেই দর্শনার্থীর নির্লিপ্ত দৃষ্টি যেন প্রকৃতিরই প্রতিচ্ছবি। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সমুদ্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছেন। শহরের ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ব্যস্ততা সব ভুলে তিনি ডুবে গেছেন প্রকৃতির কোলে। তার সেই ভঙ্গি যেন নীরব ভাষায় বলছিল—প্রকৃতির কাছে ফিরে গেলে মন সত্যিই হালকা হয়ে যায়। পরিশেষে বলতে হয় সমুদ্র সৈকত কেবল ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি মানুষের জন্য এক ধরণের মুক্তির পথ। শহরের কোলাহল আর জীবনের চাপে যখন মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন সমুদ্রের বুকে কয়েক মুহূর্ত কাটানোই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ। বিশাল জলরাশি মানুষকে শেখায় ধৈর্য, শেখায় মুক্তি, শেখায় নতুনভাবে বাঁচার পাঠ।

সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের ঘোষণা।ইশতেহারে বিএনপি বলেছে, “সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” দলটি দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বিএনপির এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার উপস্থাপন করেন।পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে বিভিন্ন খাতের কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি গণমাধ্যম বিষয়ে একটি পৃথক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক, স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। গঠনমূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক—এমন মন্তব্য করে দলটি জানায়, সমালোচনাকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্নিরীক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব ধরনের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক ও মিডিয়া অফিসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো হামলা, ভয়ভীতি বা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের সুযোগ থাকবে এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও রয়েছে ইশতেহারে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সাংবাদিক নির্যাতন রোধে একটি বিশেষ সেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।ঘোষিত ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’–এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থিক সহায়তা এবং নানামুখী কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।

কটিয়াদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোর আটক

কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদীতে পোলট্রি খামারে একা পেয়ে মুখে কাপড় ঢুকিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে দুই কিশোর।  কটিয়াদী উপজেলার সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের কৈতরীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ওই গ্রামের এক কিশোরকে (১৬) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।জানা যায়,  সন্ধ্যার পরে কৈতরীপাড়া গ্রামে বাবার পোলট্রি খামারে ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে একই গ্রামের দুই কিশোর মুখে কাপড় ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে কটিয়াদী মডেল থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মজিবুর রহমান সুমন জানান, মেয়েটিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাকে প্রাথমিক পরীক্ষা করে দেখা যায় ধর্ষণের ফলে রক্তক্ষরণ হয়েছে। উন্নত চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জে রেফার করেছি। এঘটনায় পরিবারের মাঝে দুঃচিন্তা চলে আসছে।কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মেয়েটির মা দুইজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে কিশোরগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করেছি। পালিয়ে যাওয়া অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে উন্নত চিকিৎসা ও শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রতিপক্ষের ঘাত-প্রতিঘাত

নেতারা দেশের নেতৃত্ব দিবে,হাজার বক্তৃতা শুনি,কেবল সম্পর্কের আয়নায় সত্যটা আঁকি।ভাই থাকবে ভাই, বন্ধুত্বটাও থাকবে আপন,আজ কেন মতভেদে এত দূরত্ব, এত ক্ষতচিহ্ন?মত আলাদা হতেই পারে—এটাই তো জীবন,তাই বলে কেন ভাঙবে ভালোবাসার বন্ধন?নেতা আসবে, নেতা যাবে সময়ের স্রোতে,কিন্তু ভাঙা সম্পর্ক গুলো কাঁদবে নীরবে সয়ে!একটু ভাবুন, দিন শেষে কারা থাকবে পাশে?নেতা নাকি ভাই—কারা হাত বাড়াবে ক্লেশে?প্রতিপক্ষকে গালাগালিতে এ জয়ের কোনো মূল্য নেই,আঘাত দিয়ে কথা বললে,খেলায় হারার সম্ভাবনা তারেই।ভদ্র ভাষায় কথা বলে; বড় হওয়া ব্যাক্তিত্বের মান,হিংসা নয়—সহনশীলতাই দিতে পারে উচ্চ সম্মান।অন্যকে ছোট করে নিজে বড় হওয়া যায় না,সম্মান দিলে তবেই সম্মান ফিরে পায় আছে তা  জানা।ভাঙনের ফাঁকে সুযোগ নেয় ক্ষমতার লোভ,ভাইয়ে-ভাইয়ে দ্বন্দ্বে হাসে, শোষকের মুখোশ।তাই নেতা নয়, সম্পর্ককে রাখা চাই  আগলে,ভালোবাসাই দিনশেষে জীবনটাকে সামলে।

থাকো যদি আমার

তোমার ভালোবাসা হয় যদি খাঁটিবিছিয়ে দেব হৃদয়ের শীতল পাটি।যাবো না কোনদিন তোমায় ছেড়ে!তোমার বুকে গড়বো বসত বাড়ি। হব তোমারই প্রেম বাগানের মালি,সাজাবো তোমার জন্য ফুলের ডালি।করবো না যে কখনো চোখের বালি,গায়ে লাগতে দিব না কলঙ্কের কালি।যদি মিশে থাকো ভাবাবেগের সাথে,আদরে শুনাবো গান বৃষ্টি ভেজা রাতে।থাকো যদি পাশাপাশি হাতটা তুমি ধরে,এক জীবনের ভালোবাসা দিব উজার করে।হও যদি প্রিয়তম তুমি পথের সহযাত্রী,তোমার সাথে পাড়ি দেব আঁধারের রাত্রি।হও যদি তুমি রাগিণী আমার ঘরের ঘরনি,জোৎস্নাস্রোতে ভাসাবো সুখের তরণী। অন্তরে জ্বালাবা স্বর্গীয় আনন্দের বাতি,হব যে তোমার জনম জনমের সাথী।