সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের ঘোষণা।ইশতেহারে বিএনপি বলেছে, “সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” দলটি দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বিএনপির এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার উপস্থাপন করেন।পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে বিভিন্ন খাতের কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি গণমাধ্যম বিষয়ে একটি পৃথক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক, স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। গঠনমূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক—এমন মন্তব্য করে দলটি জানায়, সমালোচনাকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্নিরীক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব ধরনের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক ও মিডিয়া অফিসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো হামলা, ভয়ভীতি বা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের সুযোগ থাকবে এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও রয়েছে ইশতেহারে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সাংবাদিক নির্যাতন রোধে একটি বিশেষ সেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।ঘোষিত ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’–এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থিক সহায়তা এবং নানামুখী কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।
কালীগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার, একজন গ্রেফতার
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
মাদক সেবী, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ভোট আমার প্রয়োজন নেই ..ড. এহছানুল হক মিলন
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
গালাকে বিশ্বে চীনের চেতনাবাহী মঞ্চ হিসেবে বর্ণনা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান
রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে
স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি
রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১
নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া
বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)
ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার
ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ
চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির
সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির
নীলফামারীতে ২২ বছর পর তারেক রহমানের আগমন, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা
মহেশপুরে ধানের শীষের মিছিলে মোটরসাইকেল–করিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩
আমাকে একবার সুযোগ দিয়ে পরীক্ষা করুন... আবু নছর আশ্রাফী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ লক্ষে ২৭ বিজিবির ব্যাপক প্রস্তুতি
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুৎ এর আগুনে বাড়ি ও দুই গরু ভস্মীভূত
কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দু’টি অফিস ভাংচুর ও ককটেল নিক্ষেপ
শিল্পের নামে নর্দমার চাষ: 'বাস্তবতা'র দোহাই দিয়ে আর কতদিন
চসিকের ২০০ গাড়িচালকের চাকরি স্থায়ীকরণের ঘোষণা
সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাংবাদিকদের জন্য ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের ঘোষণা।ইশতেহারে বিএনপি বলেছে, “সাংবাদিকেরা গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাঁদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” দলটি দাবি করেছে, ক্ষমতায় এলে সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বিএনপির এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার উপস্থাপন করেন।পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত ইশতেহারে বিভিন্ন খাতের কর্মপরিকল্পনার পাশাপাশি গণমাধ্যম বিষয়ে একটি পৃথক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক, স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। গঠনমূলক ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক—এমন মন্তব্য করে দলটি জানায়, সমালোচনাকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব।ইশতেহারে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্নিরীক্ষণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সব ধরনের গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক ও মিডিয়া অফিসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। গণমাধ্যমের ওপর যেকোনো হামলা, ভয়ভীতি বা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা, নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে গুজব ও ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধ, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার দমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের সুযোগ থাকবে এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি বাধ্যতামূলক করা হবে।সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও রয়েছে ইশতেহারে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের পাশাপাশি সাংবাদিক নির্যাতন রোধে একটি বিশেষ সেল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।ঘোষিত ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’–এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থিক সহায়তা এবং নানামুখী কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে।
বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি
আটকে আছে ১৪২ জাহাজ; হুমকিতে বাণিজ্য ও বাজার / অনির্দিষ্টকালের শ্রমিক কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর
চট্টগ্রাম মহানগর ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে সাতটি বাণিজ্যিক আদালত, প্রজ্ঞাপন জারি
পণ্যের কৃত্রিম সংকট ও মূল্যের অস্থিতিশীলতা রোধে যৌথ অভিযান
চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ী কারাবন্দি কেডিএস গ্রুপের খলিলুর রহমানের জামিন নাকচ
ফতুল্লায় শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা সোয়া ১ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়িসহ পাচারকারীকে আটক
কালীগঞ্জে ব্যাংকের ভেতর থেকে টাকা চুরির অভিযোগ
পরিবারসহ নিরাপত্তাহীনতায় তারেক সরকারের মানববন্ধন / শিবপুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিল্লাল সরকারের হাত থেকে বাঁচার আকুতি
মহেশখালীতে ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জেলে উদ্ধার, একজন আটক
প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি / ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারে সয়লাব কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে