মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

নিরাপদ ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের জোর সুপারিশ জানানো হয়েছে।  বুধবার (২০ মে) দুপুর ১ টায় রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে “রোডক্র্যাশ রোধে নিরাপদ ঈদযাত্রায় করণীয়” শীর্ষক সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই সুপারিশ জানানো হয়। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের রোড সেফটি প্রকল্প সমন্বয়কারি শারমিন রহমান সরকারের প্রতি জরুরি কিছু সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে ঈদযাত্রাকালীন রোডক্র্যাশ ও প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। এছাড়াও ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সীমিত করা, স্পিডগানের মাধ্যমে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, টোল প্লাজায় দ্রুত ডিজিটাল বুথ চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথা বলা হয়।সভায় শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ)’র সাধারণ সম্পাদক ও ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)’র বিশেষ প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম হাইওয়েতে রোডক্র্যাশ কমাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক হাইওয়ে পুলিশ মোতায়েনসহ বাসটার্মিনাল থেকে যাতে কোনো ফিটনেসবিহীন বাস বের হতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার জামিউল আহ্ছান শিপু বলেন, ঈদের সময় টোলপ্লাজায় বা ব্রিজের উপর গাড়ির লম্বা লাইন হয় এবং এই জন্য তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই যানজট নিরসনে টোলপ্লাজায় বুথ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। দৈনিক নয়া দিগন্তের সিনিয়র রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশে অনেক আইন প্রণয়ন হলেও সেসব আইনের বিভিন্ন ফাঁকফোকড়ের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যায়। সড়ক পরিবহন আইনেও এমন কিছু দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যার কারণে কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং রোডক্র্যাশ কমিয়ে আনা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।এদিকে জাগোনিউজ২৪ ডটকমের নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদুজ্জামান তন্ময় বলেন, গণমাধ্যমে সবসময় রোডক্র্যাশের সংবাদ প্রকাশ করা হলেও কেন রোডক্র্যাশ হলো এবং এর পেছনের কারণ কী, তা বেশিরভাগ সংবাদে থাকে না। এমনকি এর পরবর্তী ফলোআপ প্রতিবেদনও দেখা যায় না। তাই যেকোনো রোডক্র্যাশের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ফলোআপ প্রতিবেদন থাকা জরুরি। সভার সঞ্চালক দৈনিক মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম) শুভ্র দেব বলেন, সড়ক নিরাপত্তা কোনো একক সংস্থা বা ব্যক্তির না, এটি সকলের দায়িত্ব। এই সমন্বিত উদ্যোগে গণমাধ্যমকেও সক্রিয় অংশ হতে হবে।এছাড়াও উপস্থিত সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিশেষভাবে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী নিশ্চিত করা, বেপরোয়া লেন পরিবর্তন রোধ করা, বাম পাশের লেন মোটরসাইকেল চলাচলের জন্য সুনির্দিষ্ট করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করেন। পাশাপাশি সর্বস্তরে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা পরিশেষে উল্লেখ করেন, 'সেইফ সিস্টেমের' আলোকে সড়ক নিরাপত্তা আইন যত দ্রুত প্রণয়ন হবে এবং যত দ্রুত এর কঠোর বাস্তবায়ন বা প্রয়োগ নিশ্চিত করা যাবে, সরকারের পক্ষে সড়কের এই বিশৃঙ্খলা রোধ করা তত দ্রুত সম্ভব হবে। তাই সড়ক নিরাপত্তা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও এর কঠোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতি ঈদযাত্রাসহ সড়কপথকে সর্বদা সকলের জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় করে তোলাই সরকারের প্রধান করণীয় হওয়া উচিত।

কালীগঞ্জে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহবুবা বেগমের বিরুদ্ধে কাঙ্খিত অর্থ না পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে রাখা, অর্থের বিনিময়ে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া, ছাত্র হাজিরা খাতায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর চেয়ে কয়েকগুন বেশি নাম তালিকাভুক্তি, বোর্ড বই বিক্রি ও বিদ্যালয়ের জমিতে দোকান নির্মাণ করে অর্থ আত্মসাতসহ সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি অভিযোগ উঠেছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ সেশনে নবম শ্রেণীতে ৪৭ জন ছাত্রের রেজিষ্ট্রেশন করা হলেও টেষ্ট পরীক্ষায় ২৮ জন ছাত্র কৃতকার্য হয়। এছাড়াও ১৫ জন অনিয়মিত ছাত্র ছিল। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৩জন শিক্ষার্থী ছাড়াও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষিকা মাহবুবা বেগম গঠনিকা বিদ্যানিকেতন ও নতুন কুঁড়ি কিন্ডার গার্টেনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের আরো ৫০ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করেন। মাহবুবা বেগম বিভিন্ন বিদ্যালয়ের একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে ফরম পূরণ করলেও নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উর্মি হাবীবা, সৃজন রক্ষিত ও শাহাদাত হোসেনের ফরম পূরণ করেননি। এছাড়াও কাঙ্খিত অর্থ না পাওয়ায় মানবিক বিভাগের শিহাব (রোল ৩১১২৭৪, রেজিঃ ২৩১০৮১২৬০০) ও মোঃ রিফাত (রোল ৩১১২৭৫, রেজিঃ ২৩১০৮১২৫৯৬), ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিপুল রায় (রোল ৩১১২৮১, রেজিঃ ২৩১০৮১২৭৭৫), শোভন এগ্নেসিয়াস ক্রুশ (রোল ৫১৪০২১, রেজিঃ ২৩১০৮১২৭০৪) এবং নিরব হোসেন (রোল ৫১৪০২২, রেজিঃ ২৩১০৮০২৪৬৮) এর প্রবেশপত্র আটকে দেন মাহবুবা বেগম। ফলে ফরম ফিলাপের পরও প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তারা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। কোন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষিকার এসব অনিয়ম ও দূর্ণীতির প্রতিবাদ করলে তাদেরকে শোকজসহ নানা ভাবে হয়রানি করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহবুবা বেগম প্রায় ১২ বছর যাবৎ বিভিন্ন শ্রেণীতে ভর্তিকৃত ছাত্রের চেয়ে হাজিরা খাতায় দুই তিন গুণ বেশি ছাত্র দেখিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে বোর্ড বই সংগ্রহ করছেন। পরে পার্শ্ববর্তী গঠনিকা বিদ্যানিকেতন, নুতন কুড়িঁ কিন্ডার গার্টেন-১ (দূর্বাটি) ও নতুন কুড়িঁ কিন্ডার গার্টেন-২ (ভাদার্ত্তী) সহ বিভিন্ন অননোমোদিত বেসরকারী বিদ্যালয়ে ওই বইগুলো উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করছেন। গত ১৭ মে নাগরী ইউনিয়নের গঠনিকা বিদ্যানিকেতনের মালিকানাধীন একটি দোকান থেকে বিভিন্ন শ্রেণীর দুই বস্তা বোর্ড বই উদ্ধার করেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম। এ বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী মোঃ রিফাতের মা হোসনেয়ারা আক্তার জানান, আমার ছেলের প্রবেশপত্র আসার পরও প্রধান শিক্ষিকার চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় তাকে প্রবেশপত্র দেয়নি। এবার পরীক্ষা দিতে না পারায় আমার ছেলের শিক্ষা জীবন থেকে একটি বছর নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও অন্য চারজন শিক্ষার্থীর অভিভাবকগণ প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করেন।গঠনিকা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক দিলীপ চন্দ্র বণিক জানান, আবেদনের পরও আমাদের বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি না পাওয়ায় আমরা বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে ১০ বছর যাবৎ বোর্ড বই সংগ্রহ, রেজিষ্ট্রেশন ও ফরম পূরণ করে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আসছি। বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহবুবা বেগম বলেন, আমি বেসরকারী কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও এলাকাবাসীর অনুরোধে বিদ্যালয়ের স্বার্থে বহিরাগত ছাত্রদের বোর্ড বই সরবরাহ ও ফরম পূরণ করি। টেষ্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ পাঁচজন শিক্ষার্থীর ভুলবশতঃ ফরম পূরণ হয় বিধায় আমি তাদের প্রবেশপত্র প্রদান করিনি। বহিরাগত অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ, বোর্ড বই বিক্রি ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি নিরব থাকেন। বিদ্যালয়ের জমিতে দোকান নির্মাণ ও আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিগত কমিটির সাথে আলোচনা করেই যাবতীয় কাজ করা হয়েছে।বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালীগঞ্জে বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি

ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের ক্যাশিয়ার রেজায়ে রাব্বি

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাময়িক বরখাস্তকৃত ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মোঃ রেজায়ে রাব্বীকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ, বিতর্ক ও প্রশাসনিক তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সরকারি কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া, প্রভাব খাটিয়ে পদায়ন বাণিজ্য এবং আন্দোলনকালীন ভূমিকা নিয়ে তার বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএন-১০০৩১৮ নম্বরধারী রেজায়ে রাব্বী দীর্ঘদিন ঢাকা অঞ্চলে ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ঢাকার বিভিন্ন লাইসেন্সিং এলাকায় কর্মরত ছিলেন। এই সময়েই তাকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও বিতর্কের অভিযোগ সামনে আসে।অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার বদলি ও পদায়নে সুবিধা নিয়েছেন। স্থানীয় ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় প্রশাসনিক সুবিধা ভোগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে আচরণগত কারণে বদলি করা হলেও রহস্যজনকভাবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বলেও দাবি সংশ্লিষ্টদের।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তার ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বস্থলে অনুপস্থিত থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরে এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং রংপুরে পদায়ন দেওয়া হয়। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি সরকারি কোয়ার্টার নিয়ে। অভিযোগ আছে, নিজের নামে বরাদ্দ নেওয়া সরকারি বাসা তিনি নিজে ব্যবহার না করে ভাড়া দিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন। এমনকি চাকরিচ্যুত এক ফায়ার ফাইটার হান্নানের কাছে সেই কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসের অভ্যন্তরে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি মহাপরিচালক জায়েদ কামালের ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আবারও পদায়ন বাগিয়ে নিয়েছেন রেজায়ে রাব্বী। এতে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও।ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের ক্যাশিয়ার রেজায়ে রাব্বি
নিরাপদ ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ

নিরাপদ ঈদযাত্রায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের সুপারিশ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধের জোর সুপারিশ জানানো হয়েছে।  বুধবার (২০ মে) দুপুর ১ টায় রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে “রোডক্র্যাশ রোধে নিরাপদ ঈদযাত্রায় করণীয়” শীর্ষক সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই সুপারিশ জানানো হয়। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের রোড সেফটি প্রকল্প সমন্বয়কারি শারমিন রহমান সরকারের প্রতি জরুরি কিছু সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে ঈদযাত্রাকালীন রোডক্র্যাশ ও প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ওপর জোর দিয়েছে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। এছাড়াও ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সীমিত করা, স্পিডগানের মাধ্যমে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, টোল প্লাজায় দ্রুত ডিজিটাল বুথ চালু এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথা বলা হয়।সভায় শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ)’র সাধারণ সম্পাদক ও ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)’র বিশেষ প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম হাইওয়েতে রোডক্র্যাশ কমাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক হাইওয়ে পুলিশ মোতায়েনসহ বাসটার্মিনাল থেকে যাতে কোনো ফিটনেসবিহীন বাস বের হতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার জামিউল আহ্ছান শিপু বলেন, ঈদের সময় টোলপ্লাজায় বা ব্রিজের উপর গাড়ির লম্বা লাইন হয় এবং এই জন্য তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই যানজট নিরসনে টোলপ্লাজায় বুথ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। দৈনিক নয়া দিগন্তের সিনিয়র রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশে অনেক আইন প্রণয়ন হলেও সেসব আইনের বিভিন্ন ফাঁকফোকড়ের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যায়। সড়ক পরিবহন আইনেও এমন কিছু দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যার কারণে কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না এবং রোডক্র্যাশ কমিয়ে আনা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।এদিকে জাগোনিউজ২৪ ডটকমের নিজস্ব প্রতিবেদক তৌহিদুজ্জামান তন্ময় বলেন, গণমাধ্যমে সবসময় রোডক্র্যাশের সংবাদ প্রকাশ করা হলেও কেন রোডক্র্যাশ হলো এবং এর পেছনের কারণ কী, তা বেশিরভাগ সংবাদে থাকে না। এমনকি এর পরবর্তী ফলোআপ প্রতিবেদনও দেখা যায় না। তাই যেকোনো রোডক্র্যাশের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ফলোআপ প্রতিবেদন থাকা জরুরি। সভার সঞ্চালক দৈনিক মানবজমিনের সিনিয়র রিপোর্টার (ক্রাইম) শুভ্র দেব বলেন, সড়ক নিরাপত্তা কোনো একক সংস্থা বা ব্যক্তির না, এটি সকলের দায়িত্ব। এই সমন্বিত উদ্যোগে গণমাধ্যমকেও সক্রিয় অংশ হতে হবে।এছাড়াও উপস্থিত সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিশেষভাবে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী নিশ্চিত করা, বেপরোয়া লেন পরিবর্তন রোধ করা, বাম পাশের লেন মোটরসাইকেল চলাচলের জন্য সুনির্দিষ্ট করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করেন। পাশাপাশি সর্বস্তরে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা পরিশেষে উল্লেখ করেন, 'সেইফ সিস্টেমের' আলোকে সড়ক নিরাপত্তা আইন যত দ্রুত প্রণয়ন হবে এবং যত দ্রুত এর কঠোর বাস্তবায়ন বা প্রয়োগ নিশ্চিত করা যাবে, সরকারের পক্ষে সড়কের এই বিশৃঙ্খলা রোধ করা তত দ্রুত সম্ভব হবে। তাই সড়ক নিরাপত্তা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও এর কঠোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতি ঈদযাত্রাসহ সড়কপথকে সর্বদা সকলের জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় করে তোলাই সরকারের প্রধান করণীয় হওয়া উচিত।

ইন্টারনেট খাতে শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে অগ্রসর হচ্ছে চীন

চীনের কুয়াং সি চুয়াং জাতির স্বায়ত্তশাসিত এলাকার রাজধানী নাননিংয়ে ১৯মে, শুরু হয়েছে, ‘চীনা ইন্টারনেট সভ্যতা সম্মেলন, ২০২৬’। চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী লি শু লেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, সিপিসি-র অষ্টাদশ জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে, কমরেড সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে সিপিসি-র কেন্দ্রীয় কমিটির দৃঢ় নেতৃত্বে, চীন নিজস্ব শৈলীর ইন্টারনেট প্রশাসনব্যবস্থা গড়ে তুলেছে এবং ইন্টারনেট খাতে দেশকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার পথে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং ইন্টারনেট সভ্যতা নিয়ে ধারাবাহিক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, যা গভীরভাবে অধ্যায়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, চীনের পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনায় ইন্টারনেট সভ্যতার নির্মাণকাজ সার্বিকভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। এখন সেই পরিকল্পনার আওতায়, অনলাইনে মানসম্মত ও সমৃদ্ধ কন্টেন্টের সরবরাহ ক্রমাগত বাড়াতে হবে; ইন্টারনেট পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদি শাসন ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া জোরদার করতে হবে; অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই সভ্যতা নির্মাণকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে; সভ্যতার চর্চা, নৈতিক আচরণ ও সভ্যতা সৃজনের কার্যক্রমকে অনলাইন জগতে সম্প্রসারিত করতে হবে। আর, এ সবের লক্ষ্য হবে, ইন্টারনেট সভ্যতার যৌথ নির্মাণ ও ভাগাভাগির একটি সুপরিবেশ সৃষ্টি করা এবং ইন্টারনেট যেন মানুষের কল্যাণে আরও বেশি কাজে লাগে, তা নিশ্চিত করা। সূত্র:শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

মোংলায় মাদক, চাঁদাবাজি ও নারী হয়রানির অভিযোগ এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের ৭'নং ওয়ার্ডের  উলুবুনিয়া এলাকায় সরকারি বরাদ্দকৃত আবাসনে ওই বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহিদ শেখ মাদক সেবন, নারীদের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে আবাসনের বর্তমান বাসিন্দারা একযোগে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উলুবুনিয়া সরকারি আবাসন প্রকল্পে মোট ২৫টি ঘর রয়েছে। আবাসনের বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ জাহিদ শেখ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের কারণে আবাসনের অনেক পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আবাসনের বাসিন্দা মোসাঃ হেনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে পরিবারসহ সেখানে বসবাস করে আসছেন। একই এলাকার বাসিন্দা সালমা বেগমের সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে কলহ, ভয়ভীতি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।ভুক্তভোগীর দাবি, গত ৭ মে ২০২৬ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সালমা বেগম তার বসতঘরের সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে তাকে মারধরের উদ্দেশ্যে তেড়ে আসা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এদিকে আবাসনের একাধিক নারী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সোনাইলতলা ইউনিয়নের ৭'নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহিদ শেখ দীর্ঘদিন ধরে আবাসনে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। লিখিত অভিযোগে তারা দাবি করেন, তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং আবাসনের নারীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে আবাসন থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।স্থানীয় কয়েকজন নারী অভিযোগ করে আরও বলেন, মোঃ জাহিদ শেখের ছেলের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময়ে নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।আবাসনের বাসিন্দাদের দাবি, মোঃ জাহিদ শেখ ভয়ভীতি ও প্রভাবের কারণে ইতোমধ্যে কয়েকটি পরিবার ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে আবাসনে অবস্থানরত পরিবারগুলো একত্রিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।এলাকাবাসীর দেওয়া সূত্র মতে জানা যায়, বিএনপির পদ ব্যবহার করে মোঃ জাহিদ শেখ সোনাইলতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।এ অভিযোগের বিষয়ে ওই বিএনপি নেতা মোঃ জাহিদ শেখের কাছে জানতে চাইলেন তিনি বলেন, এ অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করা করেন।এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি বলেন, “আবাসনের বাসিন্দাদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, “এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

শেরপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

শেরপুরে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার ১৬ মে সকাল ১১ টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন শেরপুর-১  আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।উক্ত ​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল।  উদ্বোধনী পর্ব শেষে মাঠের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয় ঝিনাইগাতির উপজেলার চ্যাম্পিয়ন হাতিবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল বনাম নকলার উপজেলার চ্যাম্পিয়ন বাছুর আগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল।  এ সময় প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বিশেষ অতিথিবৃন্দ গ্যালারিতে বসে ক্ষুদে ফুটবলারদের চমৎকার ক্রীড়া নৈপুণ্য উপভোগ করেন এবং তাদের করতালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। ​টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্টেডিয়ামে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শক, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

নোবিপ্রবিতে হলের দেয়ালে আপত্তিকর চিত্র আঁকার অভিযোগ

নোবিপ্রবিতে হলের দেয়ালে আপত্তিকর চিত্র আঁকার অভিযোগ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) হযরত বিবি খাদিজা হলের দেয়ালে আপত্তিকর ছবি আঁকা এবং নির্মাণ শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের উত্যক্ত করার অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।বুধবার (২০ মে) রাত ১১টার দিকে হলের মূল ফটকে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে রাত ১২টার দিকে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।শিক্ষার্থীরা জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে হলের ছাদের কাজ চলছিল। কাজের শেষ দিন হলের ছাদ সংস্কারকাজে নিয়োজিত এক শ্রমিক হলের পেছনের ব্লকের ছাদে কুরুচিপূর্ণ ছবি আঁকেন। বুধবার সকালে তারা প্রথম ছবিটি দেয়ালে দেখতে পান। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে রাত ১১টার দিকে হলের মূল ফটকে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে। তাদের অভিযোগ, কিছু শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের উদ্দেশে অশোভন আচরণ ও ইঙ্গিত করে আসছিলেন।বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা দায়ীদের শাস্তি, হলের নিরাপত্তা জোরদার এবং বহিরাগত শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আশ্বাসে রাত ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।হযরত বিবি খাদিজা হলের প্রভোস্ট আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, বুধবার সকালে শিক্ষার্থীরা দেয়ালে অঙ্কিত একটি চিত্র দেখতে পেয়ে বিষয়টি প্রশাসনকে জানায়। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।তিনি আরও বলেন, কাউকে শনাক্ত করা না যাওয়ায় ওই চিত্রটি মুছে ফেলা হয় এবং সকালে বিষয়টি সমাধান করা হয়। তবে রাত ১১টার দিকে হঠাৎ করে এ নিয়ে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে সকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুনরায় বৈঠক হবে। সেখানে বিষয়টি পুনরায় আলোচনা করা হবে।  

প্রবাসীকে ৮ টুকরা করে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিকাকে গ্রেফতারের পর কারণ জানাল ডিএমপি

প্রবাসীকে ৮ টুকরা করে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিকাকে গ্রেফতারের পর কারণ জানাল ডিএমপি

যৌথ অভিযান চালিয়ে বুধবার (২০ মে) সকালে নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার জয়নগর এলাকায় আসামির বোন শিল্পী আক্তারের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৩ মে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা মোকাররম মিয়া (৩৮)। গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে পূর্বের পরকীয়া সম্পর্কের সূত্র ধরে তিনি মুগদার মান্ডা প্রথম গলিতে প্রেমিকা তাসলিমা ওরফে হাসনার বড় বোন হেলেনা বেগমের ভাড়া বাসায় ওঠেন। এরপর ১৭ মে দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে মুগদা থানা পুলিশ মান্ডা ১ম গলির ২৬০/১ নম্বর ভবনের নিচে আবর্জনার স্তূপ থেকে সাতটি কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মাথা ও বাম হাতবিহীন খণ্ডিত, অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পিবিআইয়ের সহায়তায় মরদেহটি মোকাররমের বলে শনাক্ত করা হয়। তদন্তে জানা যায়, মোকাররমের সঙ্গে তাসলিমার দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্কের সূত্রে বিভিন্ন সময়ে মোকাররমের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নেন তাসলিমা। গত ১৪ মে দুপুরে মোকাররম ওই টাকা ফেরত চান এবং তাসলিমাকে স্বামীকে ছেড়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। এতে দুজনের মধ্যে তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। পুলিশের দাবি, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাসলিমা পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে মোকাররমকে খাওয়ান। তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে তাসলিমা, তার বোন হেলেনা ও ভাগ্নি হালিমা আক্তার মিলে ধারালো বটি ও হাতুড়ি দিয়ে মাথা, ঘাড় ও গলায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেন। হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে বাথরুমে নিয়ে মরদেহের মাথা, হাত ও পা বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে খণ্ডিত অংশগুলো কালো পলিথিনে মুড়িয়ে মানিকনগর বালুর মাঠ ও মান্ডার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর তাসলিমা মোকাররমের লাগেজ ও তার চার বছরের শিশুকে নিয়ে নরসিংদীতে আত্মগোপনে চলে যান বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত ১৮ মে র‌্যাব এ মামলার এক নম্বর আসামি হেলেনা বেগম (৪০) ও তার মেয়ে হালিমা আক্তারকে (১৩) গ্রেপ্তার করে। পরে হেলেনা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিকনগর বালুর মাঠ এলাকা থেকে মোকাররমের বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের চাচা বাদী হয়ে মুগদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে

মানসিক স্বাস্থ্য দক্ষতা বাড়াতে আহ্ছানিয়া মিশন কেন্দ্রের কর্মশালা

মানসিক স্বাস্থ্য দক্ষতা বাড়াতে আহ্ছানিয়া মিশন কেন্দ্রের কর্মশালা

মানসিক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ব্যাসিকস অব অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১ মে) ৩ টায় রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে কর্মরত সকল কর্মীদের অংশগ্রহণে এ কর্মশালার আয়োজন করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোঃ রাহানুল ইসলাম। এছাড়া প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখি গাঙ্গুলী।কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরূপণ এবং যেকোনো সংকটকালীন পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবেলার ব্যবহারিক কৌশল ও তাত্ত্বিক বিষয়সমূহ নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে আত্মহানি প্রবণতা, মানসিক অস্থিরতা, জরুরি কাউন্সেলিং এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরা হয়।আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে মানসিক সংকটের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সঠিক সময়ে সঠিক মূল্যায়ন এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের জরুরি মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলায় আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।এছাড়াও কর্মশালায় তিনটি ড্রাগ ট্রিটমেন্ট কেয়ার সেন্টারের ম্যানেজার ও কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

কালীগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার চাপালি  এলাকায় পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে) আয়োজিত বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় পাঁচ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।‎ রবিবার  সকাল থেকে দিনব্যাপী কালীগঞ্জ  শাখা অফিস প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ‎ক্যাম্পে চক্ষু, মেডিসিন, গাইনি, চর্ম ও যৌন, শিশু এবং সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন। পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রেসক্রিপশন, ওষুধ, চক্ষুরোগীদের পাওয়ারের চশমা ও চোখের ড্রপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ডেপুটি  প্রোগ্রাম ম্যানেজার অরুণ কুমার বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক  চিত্তরঞ্জন রায় ।‎বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।কালীগঞ্জ  শাখার  ব্যবস্থাপক চিত্তরঞ্জন রায়  বলেন, ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসচেতনতা, চক্ষু চিকিৎসা এবং গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে।‎চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. আরশাফুল আলম। ডা.মোঃমিনহাজুল ইসলাম,ডা. চন্দন দেব বক্ষণ , ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ।

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আনুমান ৬:৩০ মিনিট  মাস্টার পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তির কিছুক্ষণ পর পুষষ ওয়ার্ডে দেয়া হয় , চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০:১৫ মিনিটে  তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে যখন আনা হয়েছিল তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ও অচেতন ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।এলাকার বাসিন্দারা জানান, মৃত ব্যক্তিকে তারা আগে কখনো এই এলাকায় দেখেননি। তার পরনে ছিল পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি সাথে কোনো পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাইরে থেকে এই এলাকায় এসেছিলেন অথবা পথচারী ছিলেন।রানীনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য দক্ষতা বাড়াতে আহ্ছানিয়া মিশন কেন্দ্রের কর্মশালা

মানসিক স্বাস্থ্য দক্ষতা বাড়াতে আহ্ছানিয়া মিশন কেন্দ্রের কর্মশালা

মানসিক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ব্যাসিকস অব অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১ মে) ৩ টায় রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে কর্মরত সকল কর্মীদের অংশগ্রহণে এ কর্মশালার আয়োজন করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন।কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোঃ রাহানুল ইসলাম। এছাড়া প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখি গাঙ্গুলী।কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরূপণ এবং যেকোনো সংকটকালীন পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবেলার ব্যবহারিক কৌশল ও তাত্ত্বিক বিষয়সমূহ নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে আত্মহানি প্রবণতা, মানসিক অস্থিরতা, জরুরি কাউন্সেলিং এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরা হয়।আয়োজকরা জানান, বর্তমান সময়ে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে মানসিক সংকটের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সঠিক সময়ে সঠিক মূল্যায়ন এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের জরুরি মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলায় আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।এছাড়াও কর্মশালায় তিনটি ড্রাগ ট্রিটমেন্ট কেয়ার সেন্টারের ম্যানেজার ও কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।