সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার - গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী
হায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।গণপূর্ত মন্ত্রী আরও জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।মন্ত্রী বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।
বন্যা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রীর
বন্যা মৌসুমে দেশের জলাধারগুলোর নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী লিউ কুওচোং।তিনি বলেছেন, বন্যা মোকাবিলার সব ধরনের ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রোববার বেইজিংয়ে এক পরিদর্শন সফরকালে লিউ কুওচোং এ কথা বলেন। সফরের সময় তিনি বেইজিংয়ের পিংকু জেলার দুটি জলাধার পরিদর্শন করেন এবং সেগুলোর অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। চীনজুড়ে বিপুল সংখ্যক জলাধার বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধান বন্যা মৌসুমে এ সব জলাধারের নিরাপদ পরিচালনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন দায়িত্ব।লিউ বৃষ্টিপাত ও পানির অবস্থার পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস ব্যবস্থা আরও উন্নত করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি জলাধার পরিচালনার বিধিমালা ও জরুরি পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি নির্দেশ দেন, ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জলাধারগুলোতে আগেভাগেই পানি ছেড়ে ধারণক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই জলাধারকে বন্যা নিয়ন্ত্রণের নির্ধারিত স্তরের ওপরে পরিচালনা করা যাবে না।লিউ বলেন, “জলাধারের বাঁধ এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জরুরি উদ্ধার সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে দ্রুত জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে।”তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ সক্ষমতা আরও উন্নত করতে হবে, যাতে সতর্কবার্তার তথ্য কোনো বিলম্ব ছাড়াই তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে যায়।তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া।
দক্ষিণ চীন সাগর প্রশ্নে জাপানকে ‘হস্তক্ষেপ না করার’ আহ্বান চীনের
দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়’-এর দশম বার্ষিকী উপলক্ষে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি বিবৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে ওই অবৈধ সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের বৈধ দাবি ও অবস্থানের সমালোচনাও করেন তিনি। তিনি আরও দাবি করেন, দক্ষিণ চীন সাগরের একটি পক্ষ হলো জাপান। তার এ দাবির প্রতি তীব্র অসন্তোষ ও দৃঢ় বিরোধিতা জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধে জাপান কোনো পক্ষ নয়। তাই এ বিষয়ে চীনের ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার নিয়ে মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকারও তার নেই।মুখপাত্র বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দক্ষিণ চীন সাগরের চীনা দ্বীপ ও প্রবালপ্রাচীর অবৈধভাবে দখলসহ চীনের বিরুদ্ধে বহু আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল জাপান, যা চীনা জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপপুঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট জলসীমায় চীনের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায়। এর পক্ষে পর্যাপ্ত ঐতিহাসিক ও আইনি ভিত্তিও রয়েছে।তিনি আরও বলেন, অস্থায়ীভাবে গঠিত তথাকথিত সালিশি ট্রাইব্যুনালের রায়ের মাধ্যমে চীনের এসব অধিকার অস্বীকার করা যায় না। চীনের মতে, ওই ট্রাইব্যুনাল তার এখতিয়ার অতিক্রম করে রায় দিয়েছে। ফলে এই রায় অবৈধ, অকার্যকর এবং এর কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই। একই সঙ্গে এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের কর্তৃত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের শাসনকেও ক্ষুণ্ন করেছে বলে জানান তিনি।মুখপাত্র বলেন, জাপান এই রায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের পরিচয় দিয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, তথাকথিত ওই রায়ের যুক্তি অনুযায়ী যদি স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের থাইপিং দ্বীপকে পূর্ণাঙ্গ দ্বীপ হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া হয় এবং তার একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল দাবি করার অধিকার না থাকে, তা হলে জাপানের ওকিনোতোরিশিমা প্রবালপ্রাচীরের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড প্রযোজ্য হওয়া উচিত। উল্লেখ্য, স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের ৫ লাখ বর্গমিটার আয়তনের থাইপিং দ্বীপে মিঠা পানি, ফল, শাকসবজি ও গৃহপালিত প্রাণী রয়েছে। অন্যদিকে,প্রশান্ত মহাসাগরের ১০ বর্গমিটারেরও কম আয়তনের মাত্র দুটি শিলা নিয়ে গঠিত বিচ্ছিন্ন প্রবাল প্রাচীর ওকিনোতোরিশিমা। এর জন্য কয়েক লক্ষ বর্গকিলোমিটার একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপানের দাবি করে জাপান।এ অবস্থায় ওই ‘রায়’র পরিপ্রেক্ষিতে জাপানের আরও অনেক সামুদ্রিক দাবিও প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, যেহেতু জাপান এই ‘রায়’র বিষয়বস্তুর সমর্থনে বিবৃতি দিয়েছে, তাই চীনের বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, একই মানদণ্ড অনুযায়ী জাপান স্বেচ্ছায় তার সংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক দাবিগুলোও ত্যাগ করেছে।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, জাপানের প্রকৃত উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা নয়; বরং দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করা। তিনি জাপানকে চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করা, দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট না করার আহ্বান জানান।মুখপাত্র বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার দৃঢ়ভাবে রক্ষা করে যাবে চীন। সূত্র:রুবি-ফয়সল-সুর্বণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
বিদ্যুৎ সংকটের দ্বৈত আঘাত: লোডশেডিংয়ের অন্ধকার, ভুতুড়ে বিল ও চুরির ছায়ায় জিম্মি জনজীবন
মোহাম্মদ আলী সুমন।
শিক্ষার আলো বনাম ডিজিটাল অন্ধকার: এহসানুল হক মিলনের সংস্কারের পথে ট্রলের বিষাক্ত ছায়া
মোহাম্মদ আলী সুমন।
স্বাস্থ্য খাতের মহাপতন-অবৈধ ক্লিনিকের বিষবৃক্ষ ও ভুল চিকিৎসার মৃত্যুফাঁদ
মোহাম্মদ আলী সুমন।
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?
গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
ভালোবাসার স্পর্শে রঙিন হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ উৎসব
বিদ্যুৎ সংকটের দ্বৈত আঘাত: লোডশেডিংয়ের অন্ধকার, ভুতুড়ে বিল ও চুরির ছায়ায় জিম্মি জনজীবন
শিক্ষার আলো বনাম ডিজিটাল অন্ধকার: এহসানুল হক মিলনের সংস্কারের পথে ট্রলের বিষাক্ত ছায়া
স্বাস্থ্য খাতের মহাপতন-অবৈধ ক্লিনিকের বিষবৃক্ষ ও ভুল চিকিৎসার মৃত্যুফাঁদ
ডিজিটাল লোভের অন্ধকার জাল: অনলাইন জুয়ায় ধ্বংসোন্মুখ যুবসমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ