মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার - গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

হায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।গণপূর্ত মন্ত্রী আরও জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।মন্ত্রী বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।

বন্যা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রীর

বন্যা মৌসুমে দেশের জলাধারগুলোর নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী লিউ কুওচোং।তিনি বলেছেন, বন্যা মোকাবিলার সব ধরনের ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রোববার বেইজিংয়ে এক পরিদর্শন সফরকালে লিউ কুওচোং এ কথা বলেন। সফরের সময় তিনি বেইজিংয়ের পিংকু জেলার দুটি জলাধার পরিদর্শন করেন এবং সেগুলোর অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। চীনজুড়ে বিপুল সংখ্যক জলাধার বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধান বন্যা মৌসুমে এ সব জলাধারের নিরাপদ পরিচালনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন দায়িত্ব।লিউ বৃষ্টিপাত ও পানির অবস্থার পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস ব্যবস্থা আরও উন্নত করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি জলাধার পরিচালনার বিধিমালা ও জরুরি পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি নির্দেশ দেন, ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জলাধারগুলোতে আগেভাগেই পানি ছেড়ে ধারণক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই জলাধারকে বন্যা নিয়ন্ত্রণের নির্ধারিত স্তরের ওপরে পরিচালনা করা যাবে না।লিউ বলেন, “জলাধারের বাঁধ এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জরুরি উদ্ধার সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে দ্রুত জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে।”তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ সক্ষমতা আরও উন্নত করতে হবে, যাতে সতর্কবার্তার তথ্য কোনো বিলম্ব ছাড়াই তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে যায়।তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া।

বন্যা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রীর

দক্ষিণ চীন সাগর প্রশ্নে জাপানকে ‘হস্তক্ষেপ না করার’ আহ্বান চীনের

দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়’-এর দশম বার্ষিকী উপলক্ষে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি বিবৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে ওই অবৈধ সালিশি রায়ের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের বৈধ দাবি ও অবস্থানের সমালোচনাও করেন তিনি। তিনি আরও দাবি করেন, দক্ষিণ চীন সাগরের একটি পক্ষ হলো জাপান। তার এ দাবির প্রতি তীব্র অসন্তোষ ও দৃঢ় বিরোধিতা জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর বিরোধে জাপান কোনো পক্ষ নয়। তাই এ বিষয়ে চীনের ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার নিয়ে মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকারও তার নেই।মুখপাত্র বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দক্ষিণ চীন সাগরের চীনা দ্বীপ ও প্রবালপ্রাচীর অবৈধভাবে দখলসহ চীনের বিরুদ্ধে বহু আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল জাপান, যা চীনা জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপপুঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট জলসীমায় চীনের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায়। এর পক্ষে পর্যাপ্ত ঐতিহাসিক ও আইনি ভিত্তিও রয়েছে।তিনি আরও বলেন, অস্থায়ীভাবে গঠিত তথাকথিত সালিশি ট্রাইব্যুনালের রায়ের মাধ্যমে চীনের এসব অধিকার অস্বীকার করা যায় না। চীনের মতে, ওই ট্রাইব্যুনাল তার এখতিয়ার অতিক্রম করে রায় দিয়েছে। ফলে এই রায় অবৈধ, অকার্যকর এবং এর কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই। একই সঙ্গে এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদের কর্তৃত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের শাসনকেও ক্ষুণ্ন করেছে বলে জানান তিনি।মুখপাত্র বলেন, জাপান এই রায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের পরিচয় দিয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, তথাকথিত ওই রায়ের যুক্তি অনুযায়ী যদি স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের থাইপিং দ্বীপকে পূর্ণাঙ্গ দ্বীপ হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া হয় এবং তার একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল দাবি করার অধিকার না থাকে, তা হলে জাপানের ওকিনোতোরিশিমা প্রবালপ্রাচীরের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড প্রযোজ্য হওয়া উচিত। উল্লেখ্য, স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের ৫ লাখ বর্গমিটার আয়তনের থাইপিং দ্বীপে মিঠা পানি, ফল, শাকসবজি ও গৃহপালিত প্রাণী রয়েছে। অন্যদিকে,প্রশান্ত মহাসাগরের ১০ বর্গমিটারেরও কম আয়তনের মাত্র দুটি শিলা নিয়ে গঠিত বিচ্ছিন্ন প্রবাল প্রাচীর ওকিনোতোরিশিমা। এর জন্য কয়েক লক্ষ বর্গকিলোমিটার একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মহীসোপানের দাবি করে জাপান।এ অবস্থায় ওই ‘রায়’র পরিপ্রেক্ষিতে জাপানের আরও অনেক সামুদ্রিক দাবিও প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, যেহেতু জাপান এই ‘রায়’র বিষয়বস্তুর সমর্থনে বিবৃতি দিয়েছে, তাই চীনের বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, একই মানদণ্ড অনুযায়ী জাপান স্বেচ্ছায় তার সংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক দাবিগুলোও ত্যাগ করেছে।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, জাপানের প্রকৃত উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা নয়; বরং দক্ষিণ চীন সাগরের পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করা। তিনি জাপানকে চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করা, দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট না করার আহ্বান জানান।মুখপাত্র বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার দৃঢ়ভাবে রক্ষা করে যাবে চীন। সূত্র:রুবি-ফয়সল-সুর্বণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

দক্ষিণ চীন সাগর প্রশ্নে জাপানকে ‘হস্তক্ষেপ না করার’ আহ্বান চীনের
সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার - গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার - গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

হায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।গণপূর্ত মন্ত্রী আরও জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।মন্ত্রী বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।

বন্যা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রীর

বন্যা মৌসুমে দেশের জলাধারগুলোর নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী লিউ কুওচোং।তিনি বলেছেন, বন্যা মোকাবিলার সব ধরনের ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।রোববার বেইজিংয়ে এক পরিদর্শন সফরকালে লিউ কুওচোং এ কথা বলেন। সফরের সময় তিনি বেইজিংয়ের পিংকু জেলার দুটি জলাধার পরিদর্শন করেন এবং সেগুলোর অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। চীনজুড়ে বিপুল সংখ্যক জলাধার বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধান বন্যা মৌসুমে এ সব জলাধারের নিরাপদ পরিচালনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন দায়িত্ব।লিউ বৃষ্টিপাত ও পানির অবস্থার পর্যবেক্ষণ এবং পূর্বাভাস ব্যবস্থা আরও উন্নত করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি জলাধার পরিচালনার বিধিমালা ও জরুরি পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।তিনি নির্দেশ দেন, ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জলাধারগুলোতে আগেভাগেই পানি ছেড়ে ধারণক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই জলাধারকে বন্যা নিয়ন্ত্রণের নির্ধারিত স্তরের ওপরে পরিচালনা করা যাবে না।লিউ বলেন, “জলাধারের বাঁধ এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জরুরি উদ্ধার সরঞ্জাম ও জনবল প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে দ্রুত জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে।”তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ সক্ষমতা আরও উন্নত করতে হবে, যাতে সতর্কবার্তার তথ্য কোনো বিলম্ব ছাড়াই তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে যায়।তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগর বিএনপির শোক পালন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) রাজশাহী মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক দিনের শোক কর্মসূচি পালিত হয়েছে।কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ৭টায় রাজশাহী মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা, দলীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। একই সঙ্গে নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন। পরে মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. আসাদুজ্জামান জনিসহ রাজশাহী মহানগর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।নেতৃবৃন্দ মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

কটিয়াদীতে কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার চান্দপুর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর  উদ্যোগে প্রথম বারের গ্রামীণ ঐতিহ্যের আমেজ: জমে উঠেছে হাড্ডাহাড্ডি কাবাডি প্রতিযোগিতা।বাঙালির প্রাণের খেলা কাবাডি। মাঠের কাদা আর দর্শকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে । শুক্রবার বিকেলে হযরত মিয়া চান্দ শাহ্ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ,  আয়োজিত এক জমজমাট কাবাডি প্রতিযোগিতায় দেখা গেল খেলোয়াড়দের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশিকুজ্জামান নজরুল ; ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ; মোঃ রিয়াজুল ইসলাম সেবক  চান্দ্পুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি, ইমাম হোসেন দুলাল মেম্বার চান্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক, এবং চান্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, শহিদুল হক উজ্জ্বল প্যানেল চেয়ারম্যান চান্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ, বাটা হাওর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ  মোঃ রাজিব সহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বিকেলের সূর্য নামার আগেই মাঠের চারপাশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় দর্শকে। স্থানীয় জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় মাঠ প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। প্রতিটি ম্যাচেই খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করে।প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জাসাস-এর স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এজেএম আজহারুল ইসলাম ফাহিম এর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ

এজেএম আজহারুল ইসলাম ফাহিম এর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের প্রসন্ন কাপ বেপারি বাড়ির অধিবাসী  ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আউয়াল এর বড় ছেলে এজেএম আজহারুল ইসলাম ফাহিম সদ্য ঘোষিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে  বৃত্তি লাভ করেছে। ফাহিম চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১১১ নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পরীক্ষার অংশ নেয়। তার বাবা আব্দুল আউয়াল পেশায় একজন ব্যাংকার। মা জান্নাত আক্তার ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলার এখলাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। তিনি (ফাহিমের মা)  জান্নাত আক্তার ২০২২ সালে জুন মাসের ১৮ তারিখে  হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা যায়। ফাহিম বর্তমানে মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। ফাহিম কিছু দিন আগে সারা বাংলাদেশে জাতীয় স্কাউট প্রতিযোগিতা উত্তীর্ণ হোন।  ফাহিম বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায়। ফাহিমের বাবা আ: আউয়াল তার ছেলের এই কৃতিত্বে শিক্ষক সহপাঠী এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, তার মা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন। তার মায়ের  স্বপ্ন ছিল ছেলেকে ডাক্তার বানাবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীর হাতে ১৮ হাজার টাকা করে অনুদান, মিলল সনদও

প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীর হাতে ১৮ হাজার টাকা করে অনুদান, মিলল সনদও

সমাজের প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন "বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেজ)" প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (৯ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর আজিমপুরে অবস্থিত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৩-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুজাউদ্দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, ঢাকার সহকারী পরিচালক তাসলিমা খাতুন। সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, ঢাকার উপপরিচালক আবু সাঈদ মো. কাওছার রহমান।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শহর সমাজসেবা কার্যালয়-৫, আজিমপুরের সমাজসেবা অফিসার মো. জহির উদ্দিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, খাগড়াছড়ির উপপরিচালক আবু আব্দুল্লাহ মো. ওয়ালীউল্লাহ, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, যশোরের সমাজসেবা অফিসার (রেজি.) মো. আব্দুল কাদের, প্রশিক্ষকবৃন্দ এবং পৌর সমাজকর্মী সোহেল রানা।বক্তারা বলেন, দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে একজন মানুষ শুধু নিজের কর্মসংস্থানই নিশ্চিত করতে পারেন না, বরং পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হন। তাই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা ৩০ জন প্রান্তিক পেশাজীবীর প্রত্যেককে এককালীন ১৮ হাজার টাকা অনুদান এবং প্রশিক্ষণ সনদপত্র প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণার্থীরা এ উদ্যোগকে তাদের আত্মনির্ভরশীল জীবনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসংস্থানভিত্তিক প্রশিক্ষণ আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।

বরুড়া সরকারি হাসপাতালে এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইসিজি মেশিন প্রদান

বরুড়া সরকারি হাসপাতালে এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইসিজি মেশিন প্রদান

বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা বরুড়া সরকারি হাসপাতালে একটি আধুনিক ইসিজি (ECG) মেশিন প্রদান করেছেন।এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোঃ বশির আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান, ২০০৫ ব্যাচের প্রতিনিধিত্বকারী ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলামসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।এই ইসিজি মেশিনের মাধ্যমে হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সহজ হবে, ফলে বরুড়া ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।ওরাই আপনজন সংগঠন, বরুড়া, কুমিল্লার পক্ষ থেকে এই মহৎ ও মানবিক উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২০০৫ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। সমাজের কল্যাণে এমন উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে—এই প্রত্যাশা রইল।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য :  স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য : স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে চলছে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের অবাধ বিচরণ। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা এবং ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের বাইরেও প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাতের জন্য অনেক চিকিৎসক উদগ্রীব হয়ে থাকেন, আর সেসময় রোগীদের কখনো লম্বা লাইনে  দাঁড়িয়ে  কখনো বা দরজার বাইরে অপেক্ষা করতে হয়। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা ।সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা শুধুমাত্র সপ্তাহে ২ দিন সোমবার ও বৃহ:বার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ২টা পর্যন্ত চিকিৎসকদের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। কিন্তু এই নিয়মকে তোয়াক্কা না করেই প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাসপাতালের অফিস কক্ষগুলোতে এবং চিকিৎসকদের চেম্বারে ভিড় করছেন তারা। কালীগঞ্জ হাসপাতালে ঔষধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিগণ প্রতিদিন নিয়ম করে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত ডাক্তারের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন। আর অঘোষিত এই নিয়ম সরকারি বিধি-বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে  চালু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ফারিয়া নামক সংগঠনের নেতারা। এভাবেই অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ   বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাথে ডাক্তারদের সাক্ষাৎকারকে প্রাধান্য দিয়ে রোগী সেবা ব্যাহত করে চলেছেন। বিষয়টি বেশ কয়েকবার স্থানীয় সচেতন মহল স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অবগত করলেও তিনি এ ব্যাপারে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী রোগী রহিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু ডাক্তার সাহেব আমাদের দিকে না তাকিয়ে ওষুধ কোম্পানির লোকজনের সাথে কথা বলায় ব্যস্ত। আমাদের সময়ের কোনো মূল্য নেই তাদের কাছে।স্কয়ার কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি অনিক হাসান এই প্রতিবেদককে জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং আমাদের সংগঠন ডাক্তারদের সাথে সাক্ষাতের সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।আমরা সে অনুযায়ী সাক্ষাৎ করছি। প্রতিদিনই সব কোম্পানির প্রতিনিধিগণ   ডাক্তারদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। নির্দেশনা না থাকলে কি আর সেটি করা সম্ভব হতো? এ বিষয়ে কালীগঞ্জ ওষুধ কোম্পানির সংগঠন ‘ফারিয়া’র সাধারণ সম্পাদক ফরাদুজ্জামান ফরহাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ডাক্তারদের সাথে সাক্ষাতের জন্য বলা হয়েছে। তাহলে প্রতিদিন সান্ধ্যকালীন এবং রাত্রিকালীন ডাক্তারদের সঙ্গে  সাক্ষাৎ কার অনুমতিতে করা হচ্ছে  জানতে চাইলে তিনি তা কৌশলে এড়িয়ে যান।  বিষয়টি নিয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আমানুল্লাহ আল মামুন জানান, সরকারি হাসপাতালে সরকারি বিধি উপেক্ষা  করার কোনো সুযোগ নেই। রোগীদের সেবা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।সিভিল সার্জন ডাঃ কামরুজ্জামান বলেন,সাক্ষাৎকার বিষয়ে  সরকারি পরিপত্রের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।কোনো চিকিৎসক  যদি নিয়ম বহি:র্ভূতভাবে বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাত করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার, কর্মস্থলেও অনুপস্থিতি / চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আটজন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ছয়জনের বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার মালিকানার অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অপর দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও অফিস চলাকালে বেসরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ৫ জুলাই পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা নেয়। প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর স্বাক্ষর রয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসকদের পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্থানীয় ম্যাক্স হাসপাতালে শেয়ার থাকার অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি হয়েছেন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফিজা নাসরিন, সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) ডা. মো. আব্দুল মজিদ, জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু-শিশু) ডা. মো. রেজাউল করিম, সদর উপজেলার মহারাজপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মোসা. মুনিরা খাতুন এবং ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আজহারুল ইসলাম। প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ছাড়া অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগে রুমালি খাতুন এবং সরকারি অফিস সময় বেসরকারি সিটি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের অভিযোগে ডা. সামছুল আলম রাশেদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। ডা. সামছুল আলম রাশেদকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মন্ত্রণালয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে জেলা হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসকের বদলিকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে, স্থানীয় ড্যাব নেতাদের সুপারিশে ওই বদলির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার জন্ম দেয়।এ পরিস্থিতিতে গত ২৯ জুন জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ বলেন, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বেসরকারি হাসপাতালের শেয়ার গ্রহণ, হাসপাতাল পরিচালনায় সম্পৃক্ত থাকা এবং একই সঙ্গে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগে পাঁচ ব্যক্তি তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।জেলায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অদৃশ্য কারণে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ

চরম ভোগান্তিতে রোগীরা / অদৃশ্য কারণে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স গত ২৯ জুন ২০২৬ থেকে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার রোগী ও তাদের স্বজনরা। জরুরি রোগীদের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়াসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছেন। এতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে জরুরি রোগী স্থানান্তরে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মোহাম্মদ খায়রুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কারণের কথা বলেন। কখনও তিনি বরাদ্দসংক্রান্ত সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আবার কখনও দাবি করেন, কয়েকটি পেট্রোল পাম্প জ্বালানি সরবরাহে অপারগতা প্রকাশ করায় অ্যাম্বুলেন্সটি চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করেন।এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "অ্যাম্বুলেন্স বন্ধের কারণ হিসেবে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। এটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও) ব্যক্তিগত বা মনগড়া বক্তব্য।"সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক টিপু জানান, "অফিস থেকেই আমাকে গাড়ি চালাতে নিষেধ করা হয়েছে। অফিস থেকে নির্দেশ পেলেই আমি আবার অ্যাম্বুলেন্স চালাব। প্রতিদিন রোগী ও তাদের স্বজনরা আমাকে ফোন দেন। আমি সবাইকে বলি, অফিস থেকে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। শুনেছি বাজেট-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গাড়িটি বন্ধ রয়েছে।"সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় রোগীদের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর বক্তব্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (বড়বাবু) শাহি আলমের বক্তব্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।এদিকে দীর্ঘদিন ধরে জরুরি এই সেবা বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। রোগীর স্বজনরা দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জরুরি স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

বরুড়া সরকারি হাসপাতালে এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইসিজি মেশিন প্রদান

বরুড়া সরকারি হাসপাতালে এসএসসি ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইসিজি মেশিন প্রদান

বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা বরুড়া সরকারি হাসপাতালে একটি আধুনিক ইসিজি (ECG) মেশিন প্রদান করেছেন।এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোঃ বশির আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান, ২০০৫ ব্যাচের প্রতিনিধিত্বকারী ডা. মো. মুজাহিদুল ইসলামসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।এই ইসিজি মেশিনের মাধ্যমে হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সহজ হবে, ফলে বরুড়া ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।ওরাই আপনজন সংগঠন, বরুড়া, কুমিল্লার পক্ষ থেকে এই মহৎ ও মানবিক উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২০০৫ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। সমাজের কল্যাণে এমন উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে—এই প্রত্যাশা রইল।