দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে আসিয়ানের সঙ্গে সংলাপ জোরদারের আহ্বান বেইজিংয়ের
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং গত (শুক্রবার) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক তথাকথিত "দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়" প্রসঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চান। জবাবে মাও নিং বলেন, চীন বারবার স্পষ্ট করেছে যে, তথাকথিত ওই 'রায়' অবৈধ, অকার্যকর এবং এর কোনও আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। চীন এই রায় গ্রহণ করে না এবং এর কোনও স্বীকৃতিও দেয় না। এমনকি এই রায়ের ওপর ভিত্তি করে দাবি করা কোনও বিষয় বা পদক্ষেপও চীন মেনে নেবে না।তিনি আরও বলেন, "দক্ষিণ চীন সাগর আচরণবিধি" প্রণয়ন করা মূলত "দক্ষিণ চীন সাগরে পক্ষগুলোর আচরণের ঘোষণা" বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি চীন ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যও বটে। দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় চীন সর্বদা আসিয়ান দেশগুলোর সাথে আলোচনা ত্বরান্বিত করতে এবং যত দ্রুত সম্ভব একটি 'আচরণবিধি' চূড়ান্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তথাকথিত ওই 'রায়ের' সাথে এই আচরণবিধির কোনও সম্পর্ক নেই। তাই ফিলিপাইনের উচিত নয় এই 'রায়কে' কাজে লাগিয়ে 'আচরণবিধি' চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা সৃষ্টি করা।সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বেইজিংয়ে সি চিন পিং–পার্ক থাই-সং বৈঠক
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে সফররত উত্তর কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী পার্ক থাই-সং ১০ জুলাই, (শুক্রবার) বিকেলে সাক্ষাৎ করেছেন।সাক্ষাতে সি চিন পিং বলেন, "গত মাসে আমি উত্তর কোরিয়া সফর করেছি এবং সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে দেশ দুটির ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব সুসংহত ও উন্নত করার পাশাপাশি নতুন যুগে এর বিষয়বস্তু সমৃদ্ধ করে তোলার জন্য কৌশলগত নির্দেশনা দিয়েছি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বন্ধুত্ব, অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি এবং পারস্পরিক সহায়তা সবসময়ই চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের স্পষ্ট বৈশিষ্ট্য।" তিনি আরও বলেন, "'চীন-উত্তর কোরিয়া বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি' দুই দেশের জনগণের রক্ত দিয়ে সৃষ্ট যুদ্ধকালীন বন্ধুত্বকে সুসংহত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনগত ভিত্তি স্থাপন করেছে। আমি সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ৬৫তম বার্ষিকীকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী মৈত্রী পালন করতে এবং নতুন ঐতিহাসিক সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে প্রাণবন্ত করে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছি।"সি চিন পিং আরও বলেন, "বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল এবং জটিল। চীন ও উত্তর কোরিয়ার উচিত কৌশলগত আত্মবিশ্বাস জোরদার করে সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে উপনীত হওয়া ঐকমত্যের বাস্তবায়ন দ্রুততর করা, যাতে দুই দেশ ও দুই পার্টির সম্পর্ক সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। এর মাধ্যমে নিজ নিজ সমাজতান্ত্রিক খাত সুসংহত করা এবং নিজ নিজ দেশের আধুনিকীকরণের দিকে উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্থিতিশীলভাবে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া, জনগণের মৈত্রীর ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং অভিন্ন স্মৃতির মাধ্যমে দুই দেশের তরুণ-তরুণীদের 'চীনা জনগণের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর' ঐতিহাসিক কৃতিত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত। তা ছাড়া, কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করা, নিজ নিজ সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থ সুরক্ষা করা এবং জাতীয় পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক পথে চলার জন্য একটি অনুকূল বহিরাগত পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত।প্রধানমন্ত্রী পার্ক থাই-সং প্রথমেই সি চিন পিংকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, সিপিসি-এর প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী এবং সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে চীনা জনগণের অর্জিত মহান সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানায় তাঁর দেশ। উত্তর কোরিয়া দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়ন করতে, তাইওয়ানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের কেন্দ্রীয় স্বার্থ রক্ষা করতে এবং উত্তর কোরিয়া ও চীনের ঐক্য, মৈত্রী ও সমাজতান্ত্রিক খাতের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে যথাসাধ্য প্রচেষ্টা চালাবে।সূত্র; লিলি-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
নারীর ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে কোচিনে ব্রিকস সম্মেলন
গত ৮ ও ৯ জুলাই ভারতের কোচিন শহরে ব্রিকস নারী মন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এই সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে ব্রিকস সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রায় ১০০জন প্রতিনিধি অনলাইন ও অফলাইনে অংশ নেন।সম্মেলনে শাসনব্যবস্থায় নারীদের অংশগ্রহণ, আর্থিক ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরি এবং সবুজ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়। এ ছাড়া, সম্মেলনে 'ব্রিকস নারী মন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতি' গৃহীত হয়েছে।সম্মেলনে চীনা প্রতিনিধি তাঁর বক্তব্যে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে চীনে নারীদের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চীন সব পক্ষের সাথে মিলে চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করতে ইচ্ছুক। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন, মানবিক বিনিময়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে পারস্পরিক শিখনকে উৎসাহিত করা এবং যৌথ পদক্ষেপের মাধ্যমে বৈশ্বিক নারী সম্মেলনের লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়ন করে 'মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি' গড়ে তোলার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
বিদ্যুৎ সংকটের দ্বৈত আঘাত: লোডশেডিংয়ের অন্ধকার, ভুতুড়ে বিল ও চুরির ছায়ায় জিম্মি জনজীবন
মোহাম্মদ আলী সুমন।
শিক্ষার আলো বনাম ডিজিটাল অন্ধকার: এহসানুল হক মিলনের সংস্কারের পথে ট্রলের বিষাক্ত ছায়া
মোহাম্মদ আলী সুমন।
স্বাস্থ্য খাতের মহাপতন-অবৈধ ক্লিনিকের বিষবৃক্ষ ও ভুল চিকিৎসার মৃত্যুফাঁদ
মোহাম্মদ আলী সুমন।
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?
গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
ভালোবাসার স্পর্শে রঙিন হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ উৎসব
বিদ্যুৎ সংকটের দ্বৈত আঘাত: লোডশেডিংয়ের অন্ধকার, ভুতুড়ে বিল ও চুরির ছায়ায় জিম্মি জনজীবন
শিক্ষার আলো বনাম ডিজিটাল অন্ধকার: এহসানুল হক মিলনের সংস্কারের পথে ট্রলের বিষাক্ত ছায়া
স্বাস্থ্য খাতের মহাপতন-অবৈধ ক্লিনিকের বিষবৃক্ষ ও ভুল চিকিৎসার মৃত্যুফাঁদ
ডিজিটাল লোভের অন্ধকার জাল: অনলাইন জুয়ায় ধ্বংসোন্মুখ যুবসমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ