শূন্য-কার্বন কারখানায় জীবাশ্মবহির্ভূত শক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব
১৮ আগস্ট চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্প্রতি "জাতীয় পর্যায়ে শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণের আয়োজন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি" জারি করেছে, যেখানে জাতীয় পর্যায়ে শূন্য-কার্বন কারখানা (শূন্য-কার্বন কম্পিউটিং সুবিধাসহ) নির্মাণের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।শূন্য-কার্বন কারখানা কী? ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্বন নিউট্রালিটি ইনস্টিটিউটের ডিন হ্য খ্য পিন বলেন, একটি শূন্য-কার্বন কারখানা মানে একেবারে "শূন্য" কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন নয় বরং এর মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, কাঠামোগত সমন্বয় এবং ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তমকরণের মতো পদ্ধতিগত নির্গমন হ্রাসকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে নির্গমন হ্রাসের সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগানো। বর্তমানে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে, এর লক্ষ্য হলো কারখানার সর্বনিম্ন সম্ভাব্য কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমন বজায় রেখে, সর্বোচ্চ নির্গমন হ্রাস এবং ক্রমাগত উন্নতি অর্জন করা।শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণে শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষামূলকভাবে পথনির্দেশনা দেওয়ার জন্য, পাঁচটি বিভাগের যৌথভাবে জারি করা নির্দেশনামূলক মতামত থেকে শুরু করে, ‘শূন্য-কার্বন কারখানা ও শিল্প পার্ক নির্মাণ’-এর প্রস্তাবনাসম্বলিত ‘পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ এবং তারপরে ৫০০টি শূন্য-কার্বন কারখানার উন্নয়ন ও নির্মাণের সুস্পষ্ট উল্লেখসম্বলিত ‘শিল্পের সবুজ ও স্বল্প-কার্বন উন্নয়নের জন্য পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ পর্যন্ত—এই বছর ধারাবাহিক নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যা শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণের কাজকে ক্রমাগতভাবে উত্সাহিত করছে।এই বিজ্ঞপ্তিটি শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণকে শীর্ষ-পর্যায়ের নকশা পর্যায় থেকে পূর্ণ বাস্তবায়নে উত্তরণের সূচনা করে। শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের শক্তি সংরক্ষণ ও সমন্বিত ব্যবহার বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, “বিজ্ঞপ্তিটি একটি পর্যায়ক্রমিক ও স্তরভিত্তিক উন্নয়ন-পদ্ধতি অনুসরণ করে, নির্মাণের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভিত্তি, সুস্পষ্ট নির্মাণ লক্ষ্য এবং একটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন পথসহ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং কম্পিউটিং সুবিধাগুলোকে নির্বাচন করে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের নির্মাণ লক্ষ্যগুলো সম্পন্ন করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করে। এগুলোকে মানদণ্ড হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয়-স্তরের শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণ তালিকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”একটি শূন্য-কার্বন কারখানা দেখতে কেমন হবে? বিজ্ঞপ্তিটিতে তিনটি মূল সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে: প্রতি ইউনিট শক্তি ব্যবহারে কার্বন নির্গমন; জীবাশ্ম-বহির্ভূত শক্তি ব্যবহারের অনুপাত; এবং ভৌতভাবে যাচাইকৃত জীবাশ্ম-বহির্ভূত শক্তি থেকে বিদ্যুতের ব্যবহারের অনুপাত।তা ছাড়া, এই তিনটি মূল সূচকই শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণের সম্পূর্ণতা নয়। একটি কারখানা জাতীয় পর্যায়ের শূন্য-কার্বন কারখানা হতে পারবে কি না, তার জন্য নির্মাণ কার্যকারিতা, কর্মপন্থার যৌক্তিকতা, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা, ব্যবস্থাপনার মানসম্মতকরণ এবং চালিকাশক্তির মতো বিষয়গুলোর একটি ব্যাপক মূল্যায়ন প্রয়োজন।শূন্য-কার্বন কারখানা কীভাবে নির্মাণ করা উচিত? বিজ্ঞপ্তিটি একটি মূল্যায়ন সূচক পদ্ধতিকে নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহার করে, যা বৈজ্ঞানিক কার্বন গণনা, উত্স থেকে কার্বন হ্রাস, প্রক্রিয়াগত কার্বনমুক্তকরণ, সম্মিলিত কার্বন হ্রাস, এবং বুদ্ধিদীপ্ত কার্বন নিয়ন্ত্রণসহ একাধিক দিক থেকে একটি বাস্তবায়ন পথের রূপরেখা দেয়।শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণের জন্য সম্মিলিত কার্বন হ্রাস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। চায়নিজ ইনস্টিটিউট অফ ইলেকট্রনিক্স-এর ডেপুটি সেক্রেটারি-জেনারেল ছাও শুয়েছিন জানান, কম্পিউটিং পাওয়ার ফ্যাসিলিটিগুলো চীনের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শক্তি-ব্যবহারকারী খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম। ২০২৫ সালের মধ্যে কম্পিউটিং পাওয়ার ফ্যাসিলিটিগুলোর জন্য বিদ্যুতের খরচ মোট সামাজিক বিদ্যুতের খরচের প্রায় ১.৬% হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।শূন্য-কার্বন কারখানা তৈরির মূল পথ হলো বুদ্ধিমান কার্বন নিয়ন্ত্রণ। বিজ্ঞপ্তিতে একটি ডিজিটাল শক্তি ও কার্বন ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ ও পরিচালনার প্রস্তাব করা হয়েছে; এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট, ইন্টারনেট অফ থিংস, বিগ ডেটা ও ব্লকচেইনসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।নির্মাণের মান কীভাবে নিশ্চিত করা যায়? বিজ্ঞপ্তিতে "নির্মাণ পরিকল্পনায় সময়োপযোগী সমন্বয় ও উন্নতি", "একটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা" এবং "নির্মাণের অগ্রগতির সময়োপযোগী পর্যবেক্ষণ"-এর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শূন্য-কার্বন কারখানা নির্মাণে এককালীন মূল্যায়ন ও সার্টিফিকেশনের পরিবর্তে, প্রযুক্তি, নির্মাণ এবং কার্যকারিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।সূত্র: লিলি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
বিদ্যুৎ গিলে খাচ্ছে অটোরিকশা, বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি
দেশের সড়ক এখন এক অদ্ভুত দ্বৈত বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে কোটি মানুষের স্বল্পমূল্যের যাতায়াত ও জীবিকার অবলম্বন, অন্যদিকে জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর অসহনীয় চাপ, রাজস্বের বিপুল ক্ষতি এবং সড়ক নিরাপত্তার ভয়াবহ সংকট। এই দ্বৈত রূপের নাম ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা তথাকথিত ‘বাংলার টেসলা’। একসময় প্রান্তিক মানুষের সাশ্রয়ী বাহন হিসেবে সমাদৃত এই যান আজ পরিণত হয়েছে এক অদৃশ্য ‘লোড-দানব’-এ।যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল করছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতেই সংখ্যাটা ১৫ থেকে ২০ লাখের কাছাকাছি। প্রতিটি যানে সাধারণত ১২ ভোল্টের চার থেকে ছয়টি ব্যাটারি থাকে। টানা চার্জে প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৯ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। সামগ্রিক হিসাবে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে ৭৫০ থেকে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে শুধু এই খাতেই-যা মোট উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ। বছরে এই পরিমাণ বিদ্যুতের আর্থিক মূল্য হাজার হাজার কোটি টাকা। অথচ এর সিংহভাগই আসে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে। রাজধানীতে বৈধ চার্জিং স্টেশনের সংখ্যা মাত্র কয়েক হাজার হলেও অবৈধ পয়েন্টের সংখ্যা ৪৮ হাজারেরও বেশি। ফলে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। অন্যদিকে গ্যারেজ ও চার্জিং ব্যবসায় বছরে লেনদেন হচ্ছে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। শুধু ঢাকায়ই প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি টাকার লেনদেন চলছে।এই অপচয় কেবল রাজস্ব ক্ষতির বিষয় নয়। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়িয়ে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণা বাড়াচ্ছে সাধারণ গ্রাহক ও শিল্পখাতে। রাতের অফ-পিক সময়েও চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে উচ্চ থাকায় বিদ্যুৎ বিভাগ হিমশিম খাচ্ছে। পাশাপাশি সড়কে তৈরি হয়েছে এক সমান্তরাল অবৈধ পরিবহন ব্যবস্থা। নিবন্ধিত মোট যানবাহনের সংখ্যা যেখানে প্রায় ৬২ লাখ, সেখানে প্রায় সমান সংখ্যক অনিবন্ধিত তিন চাকার যান সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নিম্নমানের লিড-অ্যাসিড ব্যাটারি, দুর্বল ব্রেকিং সিস্টেম এবং কোনো কারিগরি মানদণ্ড ছাড়াই তৈরি এই যানগুলো মহাসড়কে দ্রুতগতির বাহনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সড়ককে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পঙ্গু, গড় গতি কমছে, যানজট বাড়ছে। সিপিডির গবেষণায় দেখা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য অংশে এই যানগুলোর দায় রয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল শৃঙ্খলার অভাব নয়-দীর্ঘদিনের নীতিগত ব্যর্থতা। বুয়েটের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান সতর্ক করেছেন যে, কোটি মানুষের জীবিকা জড়িত থাকায় একে হঠাৎ নিষিদ্ধ করা বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন রাখার মাশুল দিচ্ছে পুরো রাষ্ট্র। সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জোর দিয়েছেন সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে একযোগে কাজ করে দায়িত্ব ভাগ করে দিতে হবে।সমাধানের পথ অবশ্যই বাস্তবসম্মত হতে হবে। প্রথমত, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার অবাস্তব চিন্তা বাদ দিয়ে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রতিটি যানের জন্য ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও চালকের লাইসেন্স নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, অবৈধ চার্জিং বন্ধে নির্ধারিত এলাকায় বৈধ চার্জিং স্টেশন স্থাপন করে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ও আলাদা ট্যারিফ চালু করতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার শর্ত আরোপের কথাও উঠেছে-যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হতে পারে। তৃতীয়ত, উৎপাদনকারী কারখানাগুলোতে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ব্যবহার উৎসাহিত করতে হবে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং পরিবেশগত ঝুঁকিও হ্রাস পাবে। মহাসড়ক ও প্রধান ধমনীতে এসব যানের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে বিকল্প রুট নির্ধারণ জরুরি।ব্যাটারি রিকশা আজ একই সঙ্গে দরিদ্র মানুষের অর্থনীতির চাকা এবং রাষ্ট্রের জন্য এক নীরব সংকট। এই দ্বৈত বাস্তবতাকে অস্বীকার করে আর এগোানো যায় না। আজ যদি এই ‘ক্ষুদ্র যান’-এর লাগাম টেনে ধরে শৃঙ্খলার আওতায় আনা না যায়, তবে ভবিষ্যতে এটি জাতীয় বিদ্যুৎ নিরাপত্তা ও সড়ক ব্যবস্থার জন্য অপূরণীয় বিপর্যয় ডেকে আনবে। সময় এখন সিদ্ধান্তের-খণ্ডিত অভিযান নয়, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিনির্ধারণের।লেখক : সাংবাদিক ও সংগঠক।
ফের মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ; দেশজুড়ে সংকটের নতুন চাপ
কক্সবাজারের মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ফুরিয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর থেকে টার্মিনালটি পুরোপুরি কার্যক্রম স্থগিত করেছে। কয়েকদিন আগে চালু হওয়ার পরই আবার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের গ্যাস পরিস্থিতি নতুন করে নাজুক হয়ে পড়েছে।বর্তমানে মহেশখালীতে সামিটের এফএসআরইউ থেকে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে। কিন্তু এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে এসেছে। অন্যদিকে প্রতিদিনের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বিশাল ফাঁক তৈরি হয়েছে।গত সপ্তাহে তীব্র গ্যাস সংকটের পর সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু এক্সিলারেটের টার্মিনাল আবার বন্ধ হওয়ায় সেই স্বস্তি কেটে গেছে। শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। সরবরাহের বড় অংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে যাওয়ায় শিল্প ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের প্রাপ্যতা আরও সংকুচিত হচ্ছে। একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার চাপ, অন্যদিকে শিল্প ও সাধারণ গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে সংকট-দুই দিকেই চাপ বাড়ছে।মহেশখালীর টার্মিনালগুলো এলএনজি আমদানি ও পুনঃগ্যাসীকরণের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই একটি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়ছে। এক্সিলারেটের টার্মিনাল দ্রুত পুনরায় চালু না হলে আগামী দিনগুলোতে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হতে পারে।
কানাডার স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা
বরুড়ায় কিশোর লাবিবকে নৃশংস ভাবে হত্যার চেষ্টা, আটক দুই
বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জনি, সম্পাদক ইলিয়াছ ও সাংগঠনিক মহসিন নির্বাচিত
কচুয়া -তেতৈয়া সড়ক পচা মাছের আঁশের মত ক্ষয়ে ক্ষয়ে চলাচলের অযোগ্য
মৃত সাংবাদিক পরিবারের হাতে সহায়তার চেক, বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
কালীগঞ্জে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
কোটচাঁদপুরে নিখোঁজের ৪ দিন পর পুকুর থেকে দিনমজুরের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে কৃষক নায়েব আলী হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি অন্যজনের যাবজ্জীবন
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?
অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকা’র উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীর হাতে ১৮ হাজার টাকা করে অনুদান, মিলল সনদও
গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান