পবিত্র রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর রৌহা গ্রামের জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। রমজানজুড়ে খামারটির উৎপাদিত দুধ মাত্র ১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হচ্ছে অসচ্ছল মানুষের মাঝে।
প্রথম রমজান থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই খামারে নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০ জনকে এক লিটার করে দুধ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ নামমাত্র মূল্যে দুধ নিচ্ছেন, আবার বিশেষ পরিস্থিতিতে কয়েকজনকে বিনামূল্যেও দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আবু সাঈদ জানান, খামারে মোট ২৫০টি গরু রয়েছে, যার মধ্যে ৫৫টি গাভি। এসব গাভি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। সেই দুধই সম্পূর্ণভাবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, গত ছয় বছর ধরে রমজান মাসে স্বল্পমূল্যে দুধ বিক্রির এ উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
উপকারভোগীরা জানান, বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধের দাম ১২০ টাকার বেশি হওয়ায় তাদের পক্ষে নিয়মিত দুধ কেনা সম্ভব নয়। হাতকাজলা গ্রামের প্রতিবন্ধী রাতুল বলেন, “গত বছরও ১০ টাকায় দুধ নিয়েছি। এবারও পেয়েছি। এতে আমরা খুব উপকৃত হচ্ছি।” শ্রমিক জাফর ইকবাল বলেন, “রমজানে সেহরিতে দুধ খাওয়া সম্ভব হচ্ছে এই উদ্যোগের কারণে।”
স্থানীয়দের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির এ সময়ে জেসি অ্যাগ্রো ফার্মের এ মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তারা মনে করেন, সমাজের বিত্তবানদের এমন উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে এবং রমজানের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর রৌহা গ্রামের জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। রমজানজুড়ে খামারটির উৎপাদিত দুধ মাত্র ১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হচ্ছে অসচ্ছল মানুষের মাঝে।
প্রথম রমজান থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই খামারে নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০ জনকে এক লিটার করে দুধ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ নামমাত্র মূল্যে দুধ নিচ্ছেন, আবার বিশেষ পরিস্থিতিতে কয়েকজনকে বিনামূল্যেও দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আবু সাঈদ জানান, খামারে মোট ২৫০টি গরু রয়েছে, যার মধ্যে ৫৫টি গাভি। এসব গাভি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ লিটার দুধ সংগ্রহ করা হয়। সেই দুধই সম্পূর্ণভাবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, গত ছয় বছর ধরে রমজান মাসে স্বল্পমূল্যে দুধ বিক্রির এ উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
উপকারভোগীরা জানান, বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধের দাম ১২০ টাকার বেশি হওয়ায় তাদের পক্ষে নিয়মিত দুধ কেনা সম্ভব নয়। হাতকাজলা গ্রামের প্রতিবন্ধী রাতুল বলেন, “গত বছরও ১০ টাকায় দুধ নিয়েছি। এবারও পেয়েছি। এতে আমরা খুব উপকৃত হচ্ছি।” শ্রমিক জাফর ইকবাল বলেন, “রমজানে সেহরিতে দুধ খাওয়া সম্ভব হচ্ছে এই উদ্যোগের কারণে।”
স্থানীয়দের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির এ সময়ে জেসি অ্যাগ্রো ফার্মের এ মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তারা মনে করেন, সমাজের বিত্তবানদের এমন উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে এবং রমজানের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন