চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নে অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির।
জানা যায়, গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সেখানে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে ফসলি জমির টপসয়েল কাটার সত্যতা পাওয়ায় মোঃ কামাল (৩৫) নামে 'বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০' অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির জানায়, ফসলি জমির মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের চরম ক্ষতি হচ্ছে। কৃষিজমি রক্ষায় এবং অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের দমনে প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ কৃষকরা।
ছবি: ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবু নাছির।

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নে অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) কাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির।
জানা যায়, গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সেখানে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে ফসলি জমির টপসয়েল কাটার সত্যতা পাওয়ায় মোঃ কামাল (৩৫) নামে 'বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০' অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু নাছির জানায়, ফসলি জমির মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে জমির উর্বরতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের চরম ক্ষতি হচ্ছে। কৃষিজমি রক্ষায় এবং অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের দমনে প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসনের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ কৃষকরা।
ছবি: ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবু নাছির।

আপনার মতামত লিখুন