চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে লিজা আক্তার (১৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে।
বুধবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার চরমুকুন্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত লিজা আক্তার উপজেলার পূর্ব কলাদী এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোজাম্মেল বকাউলের মেয়ে। সে চরমুকুন্দি এলাকার ‘মতলব দারুল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা’র অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী, স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল চারটায় ক্লাস শেষে লিজা আক্তার কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে সড়কের এক পাশ দিয়ে হেঁটে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরছিল।
উপজেলার মহিলা কলেজ এলাকায় পৌঁছালে সেখানকার বাসিন্দা মো. নুরুজ্জামানের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবন থেকে আচমকা একাধিক ইট তার মাথায় পড়ে। এতে সে রক্তাক্ত জখম হয় এবং সড়কে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারায়। পরে তার সহপাঠী ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রাজীব কিশোর বণিক বলেন, আহত ওই ছাত্রীর কপাল ও মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সিটিস্ক্যান করানোর জন্য তার পরিবারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সিটিস্ক্যান না করা পর্যন্ত তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না। হাসপাতালে সে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, বিষয়টি জেনেছি। এ বিষয়ে থানায় এখনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি। হলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে লিজা আক্তার (১৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে।
বুধবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলার চরমুকুন্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত লিজা আক্তার উপজেলার পূর্ব কলাদী এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোজাম্মেল বকাউলের মেয়ে। সে চরমুকুন্দি এলাকার ‘মতলব দারুল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা’র অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী, স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল চারটায় ক্লাস শেষে লিজা আক্তার কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে সড়কের এক পাশ দিয়ে হেঁটে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরছিল।
উপজেলার মহিলা কলেজ এলাকায় পৌঁছালে সেখানকার বাসিন্দা মো. নুরুজ্জামানের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবন থেকে আচমকা একাধিক ইট তার মাথায় পড়ে। এতে সে রক্তাক্ত জখম হয় এবং সড়কে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারায়। পরে তার সহপাঠী ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রাজীব কিশোর বণিক বলেন, আহত ওই ছাত্রীর কপাল ও মাথায় তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সিটিস্ক্যান করানোর জন্য তার পরিবারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সিটিস্ক্যান না করা পর্যন্ত তাকে আশঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না। হাসপাতালে সে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, বিষয়টি জেনেছি। এ বিষয়ে থানায় এখনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি। হলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন