ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

ভোটের ময়দানে কার কত শক্তি? প্রার্থী সংখ্যায় এগিয়ে বিএনপি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ভোটের মাঠ এখন পুরোপুরি সরগরম। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৪৯ জন। এসব প্রার্থী ২৯৮টি সংসদীয় আসনে লড়াইয়ে নেমেছেন।তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের প্রার্থীরা আগামী ২৭ জানুয়ারির পর চূড়ান্ত তালিকায় যুক্ত হবেন।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার পর নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক প্রদত্ত দলভিত্তিক প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।⸻দলভিত্তিক প্রার্থী সংখ্যায় শীর্ষে বিএনপিইসির তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)—মোট ২৮৮ জন।এর পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে— • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: ২৫৩ জন • বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ২২৪ জন • জাতীয় পার্টি (এরশাদ): ১৯২ জন • গণঅধিকার পরিষদ: ৯০ জন • জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি): ৩২ জন • স্বতন্ত্র প্রার্থী: ২৪৯ জনমাঝারি ও ছোট দলগুলোর অংশগ্রহণএছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অংশ নিচ্ছেন— • বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি): ৬৫ জন • বাসদ: ৩৯ জন • খেলাফত মজলিস: ৩৪ জন • আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি): ৩০ জন • বাসদ (মার্কসবাদী): ২৯ জন • জেএসডি ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট: ২৬ জন করে • এনপিপি: ২৩ জন • খেলাফত মজলিসের আরেক অংশ: ২১ জনএছাড়া গণফোরাম, জনতার দল, মুক্তিজোটসহ বেশ কয়েকটি দল ১৯ জন করে প্রার্থী দিয়েছে। একাধিক ছোট দল থেকে ৫–১৫ জন করে প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন।ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এককভাবে দিয়েছে ৪২ জন প্রার্থী।⸻যেসব দল নির্বাচনে নেইনিবন্ধিত হলেও কয়েকটি দল এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। এর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি ও বিএনএম।এছাড়া আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না।⸻মনোনয়ন থেকে চূড়ান্ত তালিকা: পরিসংখ্যান এক নজরে • মনোনয়নপত্র সংগ্রহ: ৩,৪১৭ জন • জমা দিয়েছেন: ২,৫৮০ জন • বৈধ ঘোষণা: ১,৮৫৫ জন • বাতিল: ৭২৫ জন • আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পান: ৪৩৬ জন • পরবর্তীতে বাদ পড়েন: ৫ জন • প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ৩০৫ জন⸻প্রচারণা শুরু, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারিপ্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এতে অংশ নেবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ভোটার।সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচন প্রার্থী সংখ্যার দিক থেকে যেমন ব্যাপক, তেমনি রাজনৈতিকভাবে বহুমাত্রিক—ভোটের মাঠে এখন কৌশল আর জনসমর্থনের লড়াই।

রামগঞ্জ ট্রাজেডি হত্যা মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যানের বিএনপিতে যোগদান

আবারও হোটচ খেলেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ঋণখেলাপির অভিযোগে তার মনোনয়ন বাতিল বহাল থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না তার।বুধবার শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজের আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যদিও প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকায় কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রশাসনের নীরব ভূমিকা / শান্তিগঞ্জে প্রভাবশালীদের দাপটে চলছে মাটি চুরি

আবারও হোটচ খেলেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ঋণখেলাপির অভিযোগে তার মনোনয়ন বাতিল বহাল থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না তার।বুধবার শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজের আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যদিও প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকায় কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নোয়াখালীতে বাস চালানোর আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা, চালক গ্রেপ্তার

আবারও হোটচ খেলেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।প্রার্থিতা ফিরে পেতে করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। ঋণখেলাপির অভিযোগে তার মনোনয়ন বাতিল বহাল থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে না তার।বুধবার শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজের আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যদিও প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকায় কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার  ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে

রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১

রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১

স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি

স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি

নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া

নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

কুমিল্লাস্থ বরুড়া উপজেলা উন্নয়ন সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল, সম্পাদক জাহিদ ও সাংগঠনিক রেজা

কুমিল্লাস্থ বরুড়া উপজেলা উন্নয়ন সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল, সম্পাদক জাহিদ ও সাংগঠনিক রেজা

ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ

ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ

উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয় জোরদারে আগ্রহী চীন ও পাকিস্তান

উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয় জোরদারে আগ্রহী চীন ও পাকিস্তান

ভোটের ময়দানে কার কত শক্তি? প্রার্থী সংখ্যায় এগিয়ে বিএনপি

ভোটের ময়দানে কার কত শক্তি? প্রার্থী সংখ্যায় এগিয়ে বিএনপি

শ্বশুরবাড়ি থেকে ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচারণা শুরু করলেন তারেক রহমান

শ্বশুরবাড়ি থেকে ধানের শীষে ভোট চেয়ে প্রচারণা শুরু করলেন তারেক রহমান

আজ থেকে শুরু নির্বাচনি প্রচারণা: মাঠে নামছেন প্রার্থীরা

আজ থেকে শুরু নির্বাচনি প্রচারণা: মাঠে নামছেন প্রার্থীরা

শাহরাস্তিতে ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক

শাহরাস্তিতে ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক

বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়ে শুকরিয়া জ্ঞাপন করলেন শাওন

বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়ে শুকরিয়া জ্ঞাপন করলেন শাওন

মাজার জিয়ারত শেষে দরগাহ মসজিদে এশার নামাজ আদায় করলেন তারেক রহমান

মাজার জিয়ারত শেষে দরগাহ মসজিদে এশার নামাজ আদায় করলেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রূপসায় অসহায় শীতার্থ রুগীদের মাঝে উপজেলা প্রসক্লাবের কম্বল বিতরণ

রূপসায় অসহায় শীতার্থ রুগীদের মাঝে উপজেলা প্রসক্লাবের কম্বল বিতরণ

স্বতন্ত্র প্রার্থী সহযোগিতার বদলে বিরক্ত করছে -ড. রেদোয়ানের

স্বতন্ত্র প্রার্থী সহযোগিতার বদলে বিরক্ত করছে -ড. রেদোয়ানের

লালমনিরহাটে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান / তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন ও বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও চীন সরকার উভয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রকল্পে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এর কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই জানুয়ারী মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে না। কিন্তু এ নিয়ে হতাশা ছড়ানো যাবে না।সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর তালুক শাহবাজে চীনা রাষ্ট্রদূতসহ তিস্তা ভাঙ্গন প্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোও আসন্ন নির্বাচনে তাদের ইশতেহারে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাই তাড়াহুরো করে ২৬ জানুয়ারীর মধ্যে কাজটি শুরু হবে তা নয়, আমরা একটু সময় দেই যেন কাজটি আরও ভালোভাবে হয়।তিনি বলেন, আমাদের পাঠানো প্রকল্পটি পেয়ে চীনের বিশেষজ্ঞরা যাচাই-বাচাই করেছে। এ প্রকল্প নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বেশি। তাই চীনা রাষ্ট্রদূত বলেছেন এ প্রকল্পটি তারা খুব ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করছে। যেন কোন ভূল ছাড়াই তারা কাজটি সম্পূর্ণ করতে পারে। চীন যতদ্রুত সম্ভব তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে চায়।  উপদেষ্টা বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙ্গন রোধ ও সেচ কার্যক্রম প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত থাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা তুলনামূলক জটিল প্রকল্প। তাই বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষন করা হচ্ছে। চীন বাংলাদেশের সর্ম্পক বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা হচ্ছে বন্ধুত্ব। চীন যেহেতু প্রতিবেশী দেশ, তাই তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। চীনের সাথে বাংলাদেশের নদীরও সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া চীন একটি বড় হাসপাতাল করার জন্য এগিয়ে এসেছে। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।    উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার ভবিষ্যত খুবই উজ্জ্বল। কারণ এ কাজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফেলে রাখেনি। রাজনৈতিক দলগুলোও এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করেছে। তাই হতাশা ছড়ানো যাবে না। একটি সমীক্ষা হয়ে চুক্তি হলে আমরা যে টাকা দিবো পরবর্তীতে আরও বেশি টাকা প্রয়োজন হলে তা পরিবর্তন করা অনেক কষ্টকর। এজন্য এমন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাই যেন উভয় দেশের জন্য এটা সহনশীল হয় ও জনগণের জন্য ভাল হয়।  তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় একটি চলমান প্রক্রিয়া। এছাড়া এটি একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু। তাই আমরা মনেকরি নির্বাচিত সরকার এসে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কাজ করবে। নির্বাচিত সরকার এসে যেন তাদের অপেক্ষা করতে না হয়, সেই প্রস্তুতিটা আমরা গঙ্গা ও তিস্তার ক্ষেত্রে করে দিয়েছি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, রিভারাইন পিপলের পরিচালক অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী, সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমানসহ অন্যরা। 

১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। 
চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি

বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
adsfghfjklh;kgjfydhtrsdhjfkglh;j

উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয় জোরদারে আগ্রহী চীন ও পাকিস্তান

পাকিস্তানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো কৃষি, যার বিশাল উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। চীনের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের কৃষি দ্রুত উন্নয়ন অর্জন করতে পারে এবং এক্ষেত্রে পাকিস্তান-চীন সহযোগিতার সম্ভাবনা ব্যাপক। সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ‘২০২৬ পাকিস্তান-চীন কৃষি বিনিয়োগ সম্মেলন’-এ ভাষণ দেওয়ার সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, পাকিস্তান কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পানির দক্ষ ব্যবহার, আধুনিক কৃষি পদ্ধতি এবং কোল্ড চেইন পরিবহনসহ নানা ক্ষেত্রে দেশটি অগ্রগতি অর্জন করেছে।শাহবাজ শরিফ কৃষি প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চীনের অর্জনের প্রশংসা করেন। তিনি পাকিস্তানের কৃষক, কৃষি প্রতিষ্ঠান এবং তরুণ মেধাবীদের চীনা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় দেশের কৃষি অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান।পাকিস্তানে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত চিয়াং চাই তোং পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা ও সামষ্টিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রশংসা করে বলেন, চাপের মধ্যেও দুই দেশের অর্থনীতি ইতিবাচক দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি নতুন সুযোগ তৈরি করছে এবং দ্বিপক্ষীয় বাস্তবসম্মত সহযোগিতায় নতুন প্রেরণা যোগাচ্ছে। চীন পাকিস্তানের সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনার সমন্বয় আরও গভীর করতে এবং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে চীন-পাকিস্তান সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়। সূত্র:রুবি-তৌহিদ-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

সব বিভাগের খবর

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের খেলায় পুরস্কার বিতরণ করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাস ও নোয়াখালী আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি উপভোগের পর খেলোয়াড়দের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম কাজল।‎খেলায় চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাসকে ৫১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী জয়লাভ করে।জমজমাট এ ম্যাচে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।‎ম্যাচে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালীর পক্ষে ফয়সাল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে ‘গেম চেইনজার’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য জসিম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।‎পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কর্মকার মিঠুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজল পাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সদস্য জসিম উদ্দিন, হাসান আহমেদ, আবু মূসা আল শিহাব।‎উল্লেখ্য, খেলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী ৫১ রানের বড় জয় নিশ্চিত করে। যা উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়ানুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

আইপিএলে বাদ মোস্তাফিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান: রাজিন সালেহ (ভিডিও)

মোহাম্মদ আলী সুমন আসন্ন আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৯.২ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে চুক্তিবদ্ধ হলেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাকে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। https://youtu.be/4VXZlvahV3s?si=QAho6T9MgSac2V3J এ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি বিসিসিআই। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রভাব থাকলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এটা শুধু মোস্তাফিজের নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান। আইপিএলে নিজেকে প্রমাণ করা একজন খেলোয়াড়কে ডেকে আবার না নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, আইপিএলে যদি একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর ও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ভাবতে হবে।

ঝিনাইদহে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগের উদ্বোধন

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগ। সোমবার সকালে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে তিস্তা জোনের এ খেলার উদ্বোধন করা হয়। খেলার উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস। সেসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক নাজমুল হাসান লোভন, সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাইসার হামিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও অনুর্ধ-১৭ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান কাননসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন শেষে বেলুন উড়িয়ে এ লীগের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত লীগ ভিত্তিতে এ খেলায় খুলনা বিভাগের ৮ টি জেলার ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। আগামী ৩১ জানুয়ারী পদার্ নামবে এ তিস্তা জোনের এই চ্যাম্পিয়নশিপের। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ঝিনাইদহ ফুটবল একাদশ বনাম নড়াইল ফুটবল একাদশ। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতেই এই আয়োজন বলে জানায় আয়োজকরা।

নীলফামারীতে ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি নীলফামারীতে মাদক বিরোধী ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই দুই ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে ভলিবল ও সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের সন্নাসীতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। কাবাডি প্রতিযোগীতায় নীলফামারীকে হারিয়ে ডোমার এবং ভলিবলে কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে জলঢাকা উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে প্রধান অতিথি থেকে ট্রপি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মুজাক্কিন, সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোল্লা ইফতেখার আহমেদ, নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবুল হাসেম বক্তব্য দেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের সহযোগীতায় এই দুই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন জানান, প্রতিযোগীতার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটি ম্যাসেস দিতে চাই। যেটি হলো মাদককে না বলুন, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলুন। বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি আমাদের সর্বনাশ করে দিচ্ছে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে একহতে হবে। ‘এসো দেশ বদলাই পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব ঘিরে এই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী স্মৃতি স্মরনে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মোঃ ইলিয়াছ আহমদ, বরুড়া কুমিল্লার বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী'র স্মৃতির স্মরণে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ শুরু হয়েছে। ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল, এ প্রতিপাদ্যের আলোকে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩.৩০ মিনিটে বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দাতা পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আজকের খেলার সুন্দর আয়োজন দেখে আমি আনন্দিত হয়েছি আমি চাই এ ধরনের খেলা গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ুক আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত ও নেশা মুক্ত সমাজ গড়তে তখন মানসিক ও পারিবারিক ভাবে স্বস্তিতে থাকবো, আমরা মাদকের আসক্ত থেকে বিরত থাকতে পারবো, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে তিনি পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ আবু সায়েম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আমরা চাই যুবসমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে বিরত থাকুক সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলুক এ ধরনের পরিবেশে আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন বরাবরই সহযোগিতা করে আসছে ভবিষ্যতেও যুব সমাজকে মাদক থেকে বীরত্ব রাখতে শিক্ষার কল্যাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেধাদ উদ্দিন, ওরাই আপনজন সামাজিক সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সহসভাপতি মোঃ জামাল হোসেন, ঘোষ্পা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ মানিক হোসেন, কাতার প্রবাসী মোঃ মহিন উদ্দিন, প্রমুখ। ১৮ টি দল অংশ গ্রহণ করে এ টুর্ণামেন্টে। নক আউট পদ্ধতিতে এ খেলা চলবে।

রাঙামাটিতে ক্লাব আরজিটির উদ্যোগে ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মো. কাওসার, রাঙামাটি রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি মুসলিম পাড়ায় ক্লাব আরজিটি’র উদ্যোগে ডে-নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার পর্দা ওঠে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলাপ্রেমী শতাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সুস্থ দেহে গড়ে ওঠে সুস্থ মন। তরুণ সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর মুসলিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে খেলাধুলা অন্যতম মাধ্যম। এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে।” উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, “যুবকদের প্রতিভা বিকাশে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।” বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলভি হাসান নাঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. নাঈম সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের মোট ২০ টি দল অংশ নিচ্ছে এবং রাত পর্যন্ত ম্যাচগুলো চলবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এলাকার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়বে।

ম্যাজিক বাউলিয়ানায় বিচারক হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিলেন লাভলী দেব

এবার ম্যাজিক বাউলিয়ানার ৫ম আসরে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়ায় সত্যিকার ম্যাজিক দেখালেন বিশিষ্ট লোকসংগীত শিল্পী লাভলী দেব। বাছাই প্রক্রিয়ায় বিচারক হিসেবে এবং স্টুডিও রাউন্ডে মেন্টর হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সুধীজনের প্রশংসা অর্জন করে নিয়েছেন তিনি। ২০২২ সাল থেকে ম্যাজিক বাউলিয়ানার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন জন্মসূত্রে সিলেটি কন্যা  প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী লাভলী দেব। এবছর  বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো লোকসংগীতের  এই রিয়েলিটি শো'তে তার ভূমিকা ছিলো বৈচিত্র্যে ভরপুর।এবারই প্রথম কোনও রিয়েলিটি শো তে  প্রতিযোগিতায় শুধু সিলেট অঞ্চলের ১৯জন  গীতিকারের লেখা লোকসংগীত প্রচারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। ১৯জন প্রতিযোগির কণ্ঠে তিনি তুলে দিয়েছেন সিলেটের লোকগান। যে সব লোককবিদের গান প্রচারিত হয়েছে ম্যাজিক বাউলিয়ানায় তারা হলেন, সৈয়দ শাহনুর শাহ, শিতালং শাহ, দ্বীন ভবানন্দ, হাছন রাজা, রাধারমণ দত্ত, শাহ আবদুল করিম, দুর্বিন শাহ, আরকুম শাহ, শেখ ভানু, ক্বারী আমির উদ্দিন, এ. কে.আনাম, কফিলউদ্দিন সরকার, খোয়াজ মিয়া, পাগল হাছান ওজাহাঙ্গীর রানা।২০২৫ সালের ম্যাজিক বাউলিয়ানায় প্রাথমিক শিল্পী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পর্যায়ে অন্যান্য আরও গুনী  বিচারক যুক্ত ছিলেন কিন্তু তার মধ্যে লাভলী দেব অন্যতম।দেশের  প্রতিটি বিভাগে শিল্পী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তিনি। আঞ্চলিক পর্বগুলোতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিচারকরাও বিচারকার্যে যুক্ত ছিলেন স্টুডিও রাউন্ডে পালন করেছেন মেন্টরের দায়িত্ব। এ পর্বের অন্য দুজন মেন্টর হলেন লোকসংগীতশিল্পী খায়রুল ইসলাম এবং কামরুজ্জামান রাব্বি। সেরা ১৯জন শিল্পীর মধ্যে ৭ জন প্রতিযোগি ছিলো উনার তত্বাবধানে, যারা সবাই লটারির মাধ্যমে যার  যার গ্রুপে যুক্ত হয়েছিলো।  মেন্টর ছিলেন তিনি ৭ জনের  তবে ১৯ জনের কণ্ঠেই  তুলে দিতে চেষ্টা করেছেন আমাদের  লোকগান।বর্তমানে লাভলী দেব এর গ্রুপের  ৭জনের মধ্যে ৩জনই সেরা ৫-এ স্থান পেয়েছে।প্রতিযোগিতার আদ্যপান্ত নিয়ে লাভলী দেবের ভাষ্য হচ্ছে, আমরা সারাদেশ থেকে যাদের নিয়ে এসেছি তারা প্রত্যেকেই অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী। লোকসংগীতশিল্পী হিসেবে সকলেই দক্ষ। যারা সেরা ৫-এ আসতে পারেনি সেটা প্রতিযোগিতার কারণে। কিন্তু তারা প্রত্যেকেই লোকসংগীতকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তিনি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,  প্রথমত আমাদেরকে স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন পুরো স্কয়ার গ্রুপ। আমার জানামতে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো রিয়েলিটি শোতে সিলেট অঞ্চলের এতো গান উপস্থাপিত হয়নি। এর জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা সারা বাংলাদেশ থেকে আসা প্রতিযোগিদের এই গান তুলে দিতে কি পরিমাণ শ্রম দিতে হয়েছে তা শুধু ঈশ^রই জানেন। আমি চেষ্টায় কোনও ত্রুটি করিনি।তবুও কাজ করতে গেলে কিছু অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভুল হয়ে যায়। ‘বাউল সুরে দেখাও তোমার ম্যাজিক’ এই স্লোগানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফোক রিয়েলিটি শো-‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা’। স্কয়ার টয়লেট্রিজ গ্রুপের সান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মিডিয়াকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই জনপ্রিয় শো’র মিডিয়া পার্টনার মাছরাঙা টেলিভিশন।

দীর্ঘ বিরতির পর ইউটিউবে প্রকাশিত হলো সোনিয়া নুসরাতের নতুন গান "তোমাকে চাই

দীর্ঘ চার বছরের বিরতির পর ফিরে এসেছেন তরুণ কণ্ঠশিল্পী ও মডেল সোনিয়া নুসরাত। গত১৫ জানুয়ারি তার নতুন গান ‘তোমাকে চাই’ প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতিমধ্যেই দর্শক ও শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহের জন্ম দিয়েছে।গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি সোনিয়া নিজেও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। তার পাশে মডেল হিসেবে অভিনয় করেছে কানাডার জনপ্রিয় মডেল রনি। গানের কথা লিখেছে রাকেশ, সংগীত পরিচালনা করেছেন এপি শুভ। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন কাজী। পুরো গানটির ভিডিও কানাডার বিভিন্ন সুন্দর মনোরম ও দৃষ্টিনন্দন স্পটে শুটিং করা হয়েছে। গানটির মিক্সিং ও মাস্টারিং করেছেন আহমেদ সাব্বির, আর এর এরেজমেন্ট করেছেন সৌরভ। এছাড়াও, গানে র‍্যাপ করেছেন টুকু। মিউজিক ভিডিওতে নাচের মাধ্যমে প্রাণবন্ততা এনেছেন কানাডার জনপ্রিয় মুখ মারিরা ও সারা। এটি সোনিয়া নুসরাতের নিজস্ব অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে।সোনিয়া নুসরাত বলেন “গানটি নিয়ে আমি খুব আশাবাদী। নতুন বছরের এই নতুন মিউজিক ভিডিও শ্রোতা ও দর্শকদের কাছে ভালো লাগবে। দর্শক এবং শ্রোতা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আমি আগামীতে আরও সুন্দর সুন্দর গান উপহার দিতে পারি।”সোনিয়ার প্রত্যাবর্তন সঙ্গীত জগতে নতুন উদ্দীপনা যোগ করেছে। তার ২০১৭ সালের হিট গান ‘ভাল্লাগে না’ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল সিয়াম আহমেদ ও উর্মিলা শ্রাবন্তীর সঙ্গে অভিনয় করে। এছাড়াও, ভারতীয় গায়ক শানের সঙ্গে তার গাওয়া ‘কেনো মন হারালো’ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে।সঙ্গীতের পাশাপাশি মডেলিং ক্ষেত্রেও পরিচিতি পাওয়া সোনিয়া নুসরাতের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ‘জানো কি তুমি’ মিউজিক ভিডিও দিয়ে। তবে ২০২০ সালে ইরফান সাজ্জাদের বিপরীতে একটি মিউজিক ভিডিওর পর তিনি কিছুটা নীরব হয়ে পড়েন।চার বছরের দূরত্ব কাটিয়ে সোনিয়ার এই প্রত্যাবর্তনে তার ভক্তরা উচ্ছ্বসিত। আশা করা যাচ্ছে, ‘তোমাকে চাই’ গানটির মাধ্যমে তিনি আবারও দেশের সংগীতাঙ্গনে সফলভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

নিম্ন আয়ের সহকর্মীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন মুক্তি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নিম্ন আয়ের শিল্পীদের পাশে দাঁড়ালেন সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য-চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। হাড়কাঁপানো এই শীতে নিম্ন আয়ের সহকর্মীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করলেন তিনি।গতকাল বিকেলে শিল্পী সমিতির আঙিনায় দুই শতাধিক শিল্পীদের মাঝে এ শীত বস্ত্র বিতরণ করেন ‘চাঁদের আলো’র নায়িকা।এ সময় শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সহ-সাধারণ সম্পাদক আরমান, কমল পাটেকর, কার্যনির্বাহী সদস্য চুন্ন, পলি, সনি রহমানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।মুক্তি বলেন, ‘‘আমাদের কিছু সহকর্মী নিম্ন আয়ের। আগের মতো তাদের কাজ নেই। ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাও সেভাবে ভালো না। যে কারণে কারোই এখন কাজ নেই। এমন অবস্থায় তাদের এই শীতে অসুবিধা হচ্ছে। যে কারণে তাদের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছু করার চেষ্টা করেছি। আমরা দুই ঈদে উপহার দেই। এটা তেমনই উপহার। সহকর্মীদের জন্য শীত বস্ত্র উপহার।’’ব্যতিক্রম একটি উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘‘আরেকটি বিষয় জানাতে চাই যে, নিম্ন আয়ের সহকর্মীদের জন্য আমি বড় একটি উদ্যোগ নিয়েছি, সেটা এখনই বলব না। সবকিছু প্রস্তুত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব। যে উদ্যোগটি নিয়ে কাজ করছি এটা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি।’’উল্লেখ্য, ঢাকাই সিনেমার  জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি। গৌতম ঘোষের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ সিনেমায় চম্পার মেয়ে গোপী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছিল তার। ‘চাঁদের আলো’তে চিত্রনায়িকার চরিত্র। জনপ্রিয় লেখক ও পরিচালক হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ সিনেমায় জমিদারের নাতনির চরিত্রে অভিনয় করে মন জয় করে নেন দর্শকদের। এরপর চাষী নজরুল ইসলামের ‘হাসন রাজা’সহ বেশকিছু সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি

কোন পোস্ট নেই !

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যক্তিগত আত্মীয়কে নিয়োগ দিয়েছেন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৯ তারিখে ব্যাংকের অনিয়ম করার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই সময় ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস ব্যাংকটিতে নির্বাচন প্রচারণার প্রেক্ষিতে ব্যাংকে সৌজন্য সাক্ষাৎকারে যান। এই বিষয়টি কেন্দ্র করে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতর কর্মকর্তারা মির্জা আব্বাসের  আশাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ কর্মচারীদের উপর দাবি করেন। মঙ্গলবার ২০ শে জানুয়ারি মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে ঊর্ধ্বতর কর্মকর্তারা। জিডিতে বলা হয় ২০ জানুয়ারি বিকেল ৪ঃ০০ ঘটিকার দিকে বদলী আদেশ প্রাপ্ত কয়জন কর্মকর্তা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় সামনে জড়ো হয়। এ সময় তারা উপ পরিচালক জহিরুল আলম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মচারীদের সঙ্গে পরবর্তীতে সাক্ষাৎকারে জানা গেছে সে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।ব্যাংক কর্মচারীদের সাথে সাক্ষাৎকারে আরো জানা যায়, তারা একুশ  তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের বি আর পিডি ডিপার্টমেন্ট এর এক্সিকিউটিভ  ডিরেক্টর জনাব আরিফুজ্জামান এর বরাবর একটি অভিযোগনামা দায়ের করেন । অভিযোগ দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে দায়েরকৃত কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয। পরবর্তীতে রফিকুল ইসলাম নামে একজন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি দায়ের করেন। যার জিডি নাম্বার- ১৬৮২।উল্লেখ্য : বাংলাদেশ কমার্স  ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের  সম্পৃক্ততায় সংঘটিত গুরুতর সুশাসন ব্যর্থতা, নিয়ন্ত্রক বিধি লঙ্ঘন, অযৌক্তিক বোর্ড হস্তক্ষেপ ও কথিত দুর্নীতিমূলক কার্যক্রম ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি, কর্পোরেট সুশাসন, আমানতকারীদের আস্থা এবং সামগ্রিকভাবে আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে জানান ব্যাংক এর কর্মকর্তা একটি তফসিলি ব্যাংক হিসেবে BCBL-এর উপর ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত), বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার ও নির্দেশনা, অভ্যন্তরীণ সার্ভিস রুলস এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স নীতিমালা (BIS, ২০১৫) কঠোরভাবে অনুসরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।ব্যাংকিং খাতে সংকটকাল (২০১৭–২০২৪) চলাকালে তৎকালীন বিতর্কিত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ—যা ব্যাপকভাবে এস. আলম গ্রুপের প্রভাবাধীন বলে প্রতীয়মান ছিল—প্রায় ৪০০-এর অধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়োগ শিল্পমান, স্বচ্ছতা, মেধাভিত্তিক নির্বাচন ও অভ্যন্তরীণ এইচআর নীতিমালার পরিপন্থী ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।এই প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতিত্ব, ঘুষভিত্তিক সংস্কৃতি, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং আচরণবিধি ও সার্ভিস রুলসের গুরুতর লঙ্ঘন সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা ব্যাংকের শৃঙ্খলা, মনোবল ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে।এ প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং ইন্সপেকশন ডিভিশন-৫ কর্তৃক ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রস্তুতকৃত পরিদর্শন প্রতিবেদনের প্যারাগ্রাফ-৪০ (Management & Control)-এ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গুরুতর নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে, যা আমাদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে সমর্থন করে।পরবর্তী সময়ে (৫ আগস্ট পরবর্তী), অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা কাঠামোগত পুনর্গঠন শুরু করে এবং জাল সনদপত্র প্রদানকারী প্রায় ২১ জন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়। আরও অনেক ব্যক্তি পদত্যাগ করেন বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হন।তবে অভিযোগ রয়েছে যে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য—বিশেষ করে মোঃ মোহাসিন মিয়া (ইসি চেয়ারম্যান), শেখ আশাফুজ্জামান এবং চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান এই অনিয়ম প্রতিরোধে যথাযথ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন বা প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়েছেন।এই আচরণ ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ১৫ ও ১৬ অনুযায়ী পরিচালকদের ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব লঙ্ঘনের শামিল। নির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ (আইনগত সংযুক্তিসহ) স্বজনপ্রীতি ও জোরপূর্বক নিয়োগ২০২৫ সালে কোনো প্রকৃত প্রয়োজন ছাড়াই বোর্ড কর্তৃক ১২ জন ব্যক্তিকে নিয়োগে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, যাদের মধ্যে চেয়ারম্যানের নিকট আত্মীয়ও অন্তর্ভুক্ত।এছাড়া বোর্ড-সমর্থিত প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের পরে PO পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অনুপযুক্ত ডিএমডি নিয়োগ ও যৌন হয়রানির অভিযোগজনাব মোঃ জাহিরুল আলম-কে ডিএমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ব্যাংকিং পেশা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তার বিরুদ্ধে এক নারী কর্মচারীর সাথে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে, যা কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনাস্থা সৃষ্টি করেছে।লঙ্ঘন:• ব্যাংক কোম্পানি আইন, ধারা ১৫, ১৫KA, ১৭• BRPD সার্কুলার নং ০৫ (২৭-০২-২০২৪)• BB কর্পোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন• ILO কনভেনশন C111 প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবউপরোক্ত কার্যকলাপের ফলে—• সুশাসনের কাঠামো ভেঙে পড়েছে;• নৈতিকতা ও কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে;• ব্যাংকের উপর আইনগত ও সুনামগত ঝুঁকি বেড়েছে;• আমানতকারীদের আস্থা বিপন্ন হয়েছে।

কোন পোস্ট নেই !

কমলাপুরে পথ শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করল জাগ্রত পথ শিশু

কমলাপুরে পথ শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে জাগ্রত পথ শিশু সংগঠন। মঙ্গলবার এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে শীতার্ত পথ শিশুদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাগ্রত মহানায়ক শিহাব রিফাত আলম, চেয়ারম্যান, জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা বাংলাদেশ এবং মোঃ ফাহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি।শীতবস্ত্র বিতরণ করেন জাগ্রত পথ শিশু কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নুসরাত জাহান কথা ও সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ মিঠু।এ সময় বক্তারা বলেন, সমাজের অবহেলিত পথ শিশুদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব। শীত মৌসুমে এসব শিশুদের কষ্ট লাঘবে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।মানবতার এই উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি মুক্তির লড়াই পত্রিকার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ

থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন / মনপুরায় প্রেমের টানে সিলেট থেকে আসা কিশোরীকে দলগত ধর্ষণ

​ভোলার মনপুরায় প্রেমের টানে  সিলেট থেকে আসা সাদিয়া (১৬) নামের এক  কিশোরীকে  জিম্মি করে দলগত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এই জগন্য ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ছয়জনসহ অঙ্গতনামা ২-৩ জনের নামে থানায় মামলা করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।ভুক্তভোগী কিশোরী সাদিয়া (১৬) সুনামগঞ্জের শ্রী-নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা।     স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাসেলের ছেলে মোঃ সজীবের  সাথে সাদিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমের টানেই সে গত তিনদিন আগে মনপুরায় আসে।পরে ​সাদিয়া ও সজীবের  বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি একটি চক্র তাদের বিয়ের কথা বলে জিম্মি করে। অভিযোগ উঠেছে, ওই চক্রটি তাদের কাছ থেকে রেখে  ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।প্রেমিক মোঃ সজীব জানায়, ​গতকাল রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়।​লঞ্চঘাটে না নিয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় নির্জন বেড়িবাঁধে। ​সেখানে প্রেমিক সজীবকে  মারধর করে আটকে রেখে সাদিয়ার ওপর  আলআমিন ও মাকছুদ পাশবিক নির্যাতন ও পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। অপর ইদ্রিস মাঝি তখন পাহারা দেয়।​ঘটনার পর কিশোরীকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।জানা যায় ধর্ষক  আল-আমিন, মাকছুদ ও সহযোগী ইদ্রিস মাঝি উপজেলার  উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৬নং  ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। ​এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দিনকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তার সরকারি নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ভোলার পুলিশ সুপার মোঃ সহিদুল্লাহ কাওসার বলেন, এঘটনার পর মেয়ের বাবা সিলেট থেকে মনপুরায় এসেছে রাতে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবেন। মামলা হবেই। ওসিকে বলেছি রাতের মধ্যেই আসামি গ্রেফতার করতে হবে।

বাসর রাতে মুখ ধোয়ার পর বদলে গেল কনে, আদালতে মামলা, কারাগারে বর

বিয়ের পর বাসরঘর, আলো-ছায়ার ভেতর নতুন জীবনের শুরু সব ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু কনে মুখ ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন থমকে যায় সবকিছু। রায়হান কবিরের অভিযোগ যে মেয়েকে বিয়ের আগে দেখানো হয়েছিল, বাসর রাতে সেই মেয়ে ছিলেন না। মুহূর্তেই আনন্দের ঘর রূপ নেয় অভিযোগ, সন্দেহ আর মামলার জালে। এই ‘কনে বদল’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও কৌতূহল। সত্যিই কি পরিকল্পিত প্রতারণা, নাকি এটি একটি ভয়াবহ ভুল বোঝাবুঝি এই প্রশ্নের উত্তর খুজছে সাধারণ মানুষ।ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভান্ডার এলাকায়। এখানেই জিয়ারুল হকের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার মৃত ইব্রাহীমের ছেলে রায়হান কবিরের। বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ায় আদালত আর কারাগার পর্যন্ত! ঘটনার পর বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার দুই পক্ষ আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে গত বছরের ২৭ আগস্ট কনের বাবা জিয়ারুল হক বর রায়হান কবির ও তার দুলাভাই মানিক হাসানকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পাল্টা হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর রায়হান কবির কনের বাবা জিয়ারুল হক ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে আরেকটি মামলা করেন।উভয় পক্ষের মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আদালত রায়হান কবিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রায়হান কবিরের মামা বাদল অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ঘটক মোতালেবের মাধ্যমে রায়হান কবিরের জন্য পাত্রী খোজা হচ্ছিল। জুলাই মাসের শেষের দিকে রাণীশংকৈলের শিবদিঘী এলাকার একটি চায়ের দোকানে ঘটক একটি মেয়েকে দেখান। মেয়েটিকে পাত্র ও উপস্থিত স্বজনদের পছন্দ হলে তা ঘটককে জানানো হয়। পরবর্তীতে মেয়েপক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে এসে আত্মীয়তার প্রস্তাব দেয় এবং নতুন করে মেয়ে না দেখেই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানায়। দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করার তাগিদও ছিল বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, রায়হান কবিরের দুলাভাই মানিক মালয়েশিয়া প্রবাসী। তিনি দ্রুত বিদেশে ফিরে যাবেন এ কারণে আমরা বিয়ের কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করতে চেয়েছিলাম। ১ আগস্ট রাত ১১টায় দুটি মাইক্রোবাসে করে আমরা মেয়ের বাড়িতে যাই। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ভোর ৪টার দিকে বাড়ি ফিরি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতিরিক্ত মেকআপের কারণে বিয়ের রাতে কনে পরিবর্তনের বিষয়টি আমরা বুঝতে পারিনি। তবে বাসর রাতে মেয়ে মুখ ধোয়ার পর রায়হান কবির বুঝতে পারে, সে যে মেয়েকে বিয়ে করেছে সে অন্য কেউ। যে মেয়েকে আগে দেখানো হয়েছিল, তাকে কৌশলে বদল করা হয়েছে। ২ আগস্ট আমরা মেয়েটিকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিই এবং প্রতারণার কারণ জানতে চাই। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ঘটক ও মেয়ের বাবা পরিকল্পিতভাবে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে কনের বাবা জিয়ারুল হক বলেন,তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়ে জেমিন আক্তার রাণীশংকৈল মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ছেলেপক্ষ আমাদের বাসায় এসে মেয়েকে দেখে গেছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০ জন বরযাত্রী উপস্থিত ছিল। এমন অবস্থায় বিয়ের রাতে কনে বদল হয়েছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের আগে কোনো যৌতুকের কথা বলা হয়নি। কিন্তু বিয়ের পরদিনই তারা ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। আমি জমি বিক্রি করে দেওয়ার কথাও বলেছি, কিন্তু তারা সময় দিতে রাজি হয়নি। এখন আমাকে হেয় করার জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘটক মোতালেব বলেন, আমি অন্য কোনো মেয়ে দেখাইনি। মেয়ে দেখানো হয়েছিল তার বাবার বাসাতেই। পরে তারা নিজেরাই দ্রুত বিয়ের প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এরপরের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও ছেলেপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, ছেলেপক্ষের অভিযোগ মেয়েপক্ষ ও ঘটক মিলে কনে বদলের মাধ্যমে প্রতারণা করেছে। প্রথম দিকে মীমাংসার শর্তে রায়হান কবির জামিনে ছিলেন। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি এখন পুরোপুরি বিচারাধীন। আমরা আশা করছি আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।

সমুদ্রের বুকে প্রশান্তির খোঁজ

মোহাম্মদ আলী সুমন আজকের নগর জীবনে মানুষ যেন সবসময় ছুটে চলে অদৃশ্য এক প্রতিযোগিতার পেছনে। ভোর থেকে রাত অবধি ব্যস্ততা, কোলাহল, যানজট আর দৌড়ঝাঁপের মধ্যে হারিয়ে যায় নিজের সঙ্গে একান্ত কিছু সময় কাটানোর সুযোগ। অথচ মানুষ চায় প্রশান্তি, খোঁজে নীরবতা, খোঁজে প্রকৃতির সান্নিধ্য। সেই খোঁজেই হাজারো মানুষ ছুটে যায় সমুদ্র সৈকতে। সম্প্রতি কক্সবাজারের বালুকাবেলায় এমনই এক দৃশ্য ধরা পড়লো। সৈকতের সবুজ-হলুদ রঙের ছাতার নিচে বসে আছেন এক দর্শনার্থী। সাদা পোশাকে আরাম করে বসে থাকা তার চোখেমুখে যেন খেলে যাচ্ছিল এক ধরনের প্রশান্তির ছাপ। সমুদ্রের হাওয়ায় চুল এলোমেলো হলেও, তার দৃষ্টি স্থির হয়ে ছিল সমুদ্রের বিশালতার দিকে। যেন প্রতিটি ঢেউ তাকে শোনাচ্ছিল নতুন জীবনের গান। বালুকাবেলায় বসে তিনি যখন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে প্রকৃতি উপভোগ করছিলেন, তখন আশপাশের পরিবেশও যেন বদলে যাচ্ছিল। ঢেউয়ের মৃদু গর্জন, বাতাসের ছোঁয়া আর দূরে খেলতে থাকা শিশুদের হাসি একসাথে মিলেমিশে তৈরি করেছিল অন্যরকম আবহ। সমুদ্রকে অনেকেই শুধু জলরাশি ভেবে ভুল করেন। অথচ এর প্রতিটি ঢেউ জীবনের প্রতীক। ঢেউ আসে, ভেঙে যায়, আবারও নতুন করে ফিরে আসে। জীবনের প্রতিটি দুঃখ-কষ্টও যেন সেই ঢেউয়ের মতো—আসবে, কেটে যাবে, আবারও নতুন সূচনা হবে। সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা অনেক দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, তারা এখানে আসেন মনকে হালকা করতে, নিজেদের নতুন করে সাজাতে। একজন দর্শনার্থীর ভাষায়—“সমুদ্রের বিশালতা আমাকে শেখায়, জীবনে যত সমস্যা থাকুক না কেন, এর চেয়ে বড় কিছু নয়। প্রকৃতির সামনে সব কষ্টই তুচ্ছ।” বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্র সৈকতে সময় কাটানো মানুষের মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঢেউয়ের ছন্দ, হাওয়ার ছোঁয়া আর প্রকৃতির বিশালতা একসাথে কাজ করে মানসিক চাপ কমাতে। শুধু তাই নয়, এটি মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—“প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের একটি গভীর যোগ আছে। আমরা যখন সমুদ্র বা পাহাড়ে যাই, তখন আমাদের মস্তিষ্কে এমন কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুশ্চিন্তা দূর করে এবং প্রশান্তি এনে দেয়। তাই সমুদ্র ভ্রমণ শুধু আনন্দ নয়, এটি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।” নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শান্তির সন্ধানে সৈকতের চেয়ারে বসে থাকা সেই দর্শনার্থীর নির্লিপ্ত দৃষ্টি যেন প্রকৃতিরই প্রতিচ্ছবি। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সমুদ্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছেন। শহরের ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ব্যস্ততা সব ভুলে তিনি ডুবে গেছেন প্রকৃতির কোলে। তার সেই ভঙ্গি যেন নীরব ভাষায় বলছিল—প্রকৃতির কাছে ফিরে গেলে মন সত্যিই হালকা হয়ে যায়। পরিশেষে বলতে হয় সমুদ্র সৈকত কেবল ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি মানুষের জন্য এক ধরণের মুক্তির পথ। শহরের কোলাহল আর জীবনের চাপে যখন মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন সমুদ্রের বুকে কয়েক মুহূর্ত কাটানোই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ। বিশাল জলরাশি মানুষকে শেখায় ধৈর্য, শেখায় মুক্তি, শেখায় নতুনভাবে বাঁচার পাঠ।

লালমনিরহাটে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান / তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চীন ও বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও চীন সরকার উভয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রকল্পে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এর কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই জানুয়ারী মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে না। কিন্তু এ নিয়ে হতাশা ছড়ানো যাবে না।সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর তালুক শাহবাজে চীনা রাষ্ট্রদূতসহ তিস্তা ভাঙ্গন প্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোও আসন্ন নির্বাচনে তাদের ইশতেহারে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাই তাড়াহুরো করে ২৬ জানুয়ারীর মধ্যে কাজটি শুরু হবে তা নয়, আমরা একটু সময় দেই যেন কাজটি আরও ভালোভাবে হয়।তিনি বলেন, আমাদের পাঠানো প্রকল্পটি পেয়ে চীনের বিশেষজ্ঞরা যাচাই-বাচাই করেছে। এ প্রকল্প নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বেশি। তাই চীনা রাষ্ট্রদূত বলেছেন এ প্রকল্পটি তারা খুব ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করছে। যেন কোন ভূল ছাড়াই তারা কাজটি সম্পূর্ণ করতে পারে। চীন যতদ্রুত সম্ভব তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করতে চায়।  উপদেষ্টা বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙ্গন রোধ ও সেচ কার্যক্রম প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত থাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা তুলনামূলক জটিল প্রকল্প। তাই বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষন করা হচ্ছে। চীন বাংলাদেশের সর্ম্পক বন্ধুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা হচ্ছে বন্ধুত্ব। চীন যেহেতু প্রতিবেশী দেশ, তাই তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। চীনের সাথে বাংলাদেশের নদীরও সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া চীন একটি বড় হাসপাতাল করার জন্য এগিয়ে এসেছে। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।    উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার ভবিষ্যত খুবই উজ্জ্বল। কারণ এ কাজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফেলে রাখেনি। রাজনৈতিক দলগুলোও এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অঙ্গীকার করেছে। তাই হতাশা ছড়ানো যাবে না। একটি সমীক্ষা হয়ে চুক্তি হলে আমরা যে টাকা দিবো পরবর্তীতে আরও বেশি টাকা প্রয়োজন হলে তা পরিবর্তন করা অনেক কষ্টকর। এজন্য এমন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাই যেন উভয় দেশের জন্য এটা সহনশীল হয় ও জনগণের জন্য ভাল হয়।  তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় একটি চলমান প্রক্রিয়া। এছাড়া এটি একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু। তাই আমরা মনেকরি নির্বাচিত সরকার এসে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কাজ করবে। নির্বাচিত সরকার এসে যেন তাদের অপেক্ষা করতে না হয়, সেই প্রস্তুতিটা আমরা গঙ্গা ও তিস্তার ক্ষেত্রে করে দিয়েছি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, রিভারাইন পিপলের পরিচালক অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী, সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমানসহ অন্যরা। 

থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন / মনপুরায় প্রেমের টানে সিলেট থেকে আসা কিশোরীকে দলগত ধর্ষণ

​ভোলার মনপুরায় প্রেমের টানে  সিলেট থেকে আসা সাদিয়া (১৬) নামের এক  কিশোরীকে  জিম্মি করে দলগত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এই জগন্য ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ছয়জনসহ অঙ্গতনামা ২-৩ জনের নামে থানায় মামলা করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।ভুক্তভোগী কিশোরী সাদিয়া (১৬) সুনামগঞ্জের শ্রী-নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা।     স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাসেলের ছেলে মোঃ সজীবের  সাথে সাদিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমের টানেই সে গত তিনদিন আগে মনপুরায় আসে।পরে ​সাদিয়া ও সজীবের  বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি একটি চক্র তাদের বিয়ের কথা বলে জিম্মি করে। অভিযোগ উঠেছে, ওই চক্রটি তাদের কাছ থেকে রেখে  ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।প্রেমিক মোঃ সজীব জানায়, ​গতকাল রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়।​লঞ্চঘাটে না নিয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় নির্জন বেড়িবাঁধে। ​সেখানে প্রেমিক সজীবকে  মারধর করে আটকে রেখে সাদিয়ার ওপর  আলআমিন ও মাকছুদ পাশবিক নির্যাতন ও পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। অপর ইদ্রিস মাঝি তখন পাহারা দেয়।​ঘটনার পর কিশোরীকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।জানা যায় ধর্ষক  আল-আমিন, মাকছুদ ও সহযোগী ইদ্রিস মাঝি উপজেলার  উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৬নং  ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। ​এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দিনকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তার সরকারি নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ভোলার পুলিশ সুপার মোঃ সহিদুল্লাহ কাওসার বলেন, এঘটনার পর মেয়ের বাবা সিলেট থেকে মনপুরায় এসেছে রাতে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবেন। মামলা হবেই। ওসিকে বলেছি রাতের মধ্যেই আসামি গ্রেফতার করতে হবে।

থাকো যদি আমার

তোমার ভালোবাসা হয় যদি খাঁটিবিছিয়ে দেব হৃদয়ের শীতল পাটি।যাবো না কোনদিন তোমায় ছেড়ে!তোমার বুকে গড়বো বসত বাড়ি। হব তোমারই প্রেম বাগানের মালি,সাজাবো তোমার জন্য ফুলের ডালি।করবো না যে কখনো চোখের বালি,গায়ে লাগতে দিব না কলঙ্কের কালি।যদি মিশে থাকো ভাবাবেগের সাথে,আদরে শুনাবো গান বৃষ্টি ভেজা রাতে।থাকো যদি পাশাপাশি হাতটা তুমি ধরে,এক জীবনের ভালোবাসা দিব উজার করে।হও যদি প্রিয়তম তুমি পথের সহযাত্রী,তোমার সাথে পাড়ি দেব আঁধারের রাত্রি।হও যদি তুমি রাগিণী আমার ঘরের ঘরনি,জোৎস্নাস্রোতে ভাসাবো সুখের তরণী। অন্তরে জ্বালাবা স্বর্গীয় আনন্দের বাতি,হব যে তোমার জনম জনমের সাথী।

লালমনিরহাটে দুই দিনব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত

লালমনিরহাট জেলা শহরের শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) সকাল ১১ টায় সরেজমিনে দেখা যায়, বইমেলার স্টলগুলো ঘিরে শিক্ষার্থীদের ছিল প্রাণচঞ্চল ও আনন্দময় উপস্থিতি। রঙিন প্রচ্ছদের বই হাতে নিয়ে কেউ পাতা উল্টে দেখছে, কেউ আবার মেঝেতে বসে গভীর মনোযোগে বই পড়ায় মগ্ন। গল্পের বই, ছড়া, নৈতিক শিক্ষা, সাধারণ জ্ঞান ও শিশুতোষ সাহিত্য শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। মেলায় অনেক শিক্ষার্থী বন্ধুদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা করছে, কেউ পছন্দের বইটি অভিভাবকের কাছে দেখিয়ে কেনার আবদার জানাচ্ছে। বইয়ের পাতায় চোখ বুলিয়ে নতুন শব্দ শেখা, ছবির মাধ্যমে গল্প বোঝার চেষ্টা—সব মিলিয়ে বইমেলাটি শিশুদের কৌতূহল, কল্পনা ও জ্ঞানচর্চার এক আনন্দময় মিলনমেলায় পরিণত হয়।শিক্ষক ও অভিভাবকরাও শিক্ষার্থীদের বই বাছাইয়ে সহায়তা করেন এবং বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে উৎসাহ দেন। পুরো মেলা জুড়েই ছিল পড়ার আনন্দ, শেখার উচ্ছ্বাস আর বইয়ের সঙ্গে শিশুদের এক আন্তরিক বন্ধনের চিত্র। বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিশু কর্নার। ২ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের উপযোগী বই দিয়ে সাজানো এই কর্নারে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘দিশা’-এর পরিচালনায় এবং আলোঘর প্রকাশনার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বইমেলা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বইমেলা সম্পর্কে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন,‘শিশুদের মেধা ও মানসিক বিকাশে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি ছড়া, গল্প, ছবি আঁকার বইসহ নানা ধরনের বই অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের মোবাইল ও গ্যাজেটের প্রতি আসক্তি কমাতে হলে তাদের হাতে বই তুলে দিতে হবে। বাবা-মা ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকেই শিশুরা শেখে। তাই প্রতিটি অভিভাবকের উচিত গ্যাজেটের ব্যবহার কমিয়ে সন্তানদের সঙ্গে বই নিয়ে সময় কাটানো।’ পাঠকের কাছে বই পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণ করতে চান বলে জানান আলোঘর প্রকাশনার প্রতিনিধি মো. সোয়েফ মিয়া। উল্লেখ্য, শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুল লালমনিরহাট জেলার খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিয়মিত উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা ও সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে পাঠদানকে আনন্দময় করে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতেও প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত ব্যতিক্রমী আয়োজন করে আসছে।

গ্রন্থদ্বয়ের মোড়ক উন্মোচন / আইন, সংবিধান ও নাগরিক অধিকার ও একটি মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা

বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাব তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আমাদের প্রকাশিত বিশিষ্ট লেখক-কলামিস্ট, ব্রিটেনের উচ্চ আদালতের প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার নাজির আহমদ রচিত আইন, সংবিধান ও নাগরিক অধিকার ও একটি মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশায় গ্রন্থদ্বয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক জেলা জজ ও সুপ্রীম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল বিচারক ইকতেদার আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসার পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক সিনিয়র বিচারপতি এএফএম আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, লন্ডন প্রবাসী ডা. এম আজিজ, বিশিষ্ট প্রকাশক আমিনুল ইসলাম, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট এটিএম মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট আইনজীবী বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের এডভোকেট  পারভেজ হোসাইন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মুজাক্কের হোসাইন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ধ্রুবতারা প্রকাশনীর প্রকাশক মোঃ আসাদুজ্জামান সরকার।ব্যারিস্টার নাজির আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, জাতির গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমি আইন, সংবিধান ও নাগরিক অধিকার এবং একটি মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশায় ২টি বই উপহার দিলাম। আশাকরি দেশবাসী কাজে লাগাবে। এসময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দাড়িয়ে বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন।