ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত নিহত -১১ ও আহত -৪

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্রুতগতিতে চলাচলের সময় বাস ও মাইক্রোবাসের মধ্যে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন যাত্রী নিহত হন এবং আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক তৎপরতা বন্ধে চীনের আহ্বান

কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকায় পাশাপাশি থাকা একটি মন্দিরের ভেতর ও একটি মসজিদের সামনে হাতবোমা (ককটেল) বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুই মুসল্লি ও একজন পুরোহিত আহত হয়েছেন। আজ শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত ব্যক্তিরা হলেন কালী গাছতলা মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী, বাগানবাড়ি এলাকার সুজাত আলীর ছেলে আবদুল বারেক ও নজরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ। তাঁদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।কেশব চক্রবর্তী জানান, সন্ধ্যায় তিনি ভক্তদের নিয়ে কালী গাছতলা মন্দিরে পূজা করছিলেন। এ সময় একটি বস্তু তাঁর কাছাকাছি এসে পড়ে। প্রথমে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি এবং মনে করেছিলেন গাছ থেকে কিছু পড়ে থাকতে পারে। পরে সেটিকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরাতে গেলে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি আহত হন।কেশব চক্রবর্তীর স্ত্রী ওমা চক্রবর্তী জানান, মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি এসে একটি বস্তু নিক্ষেপ করে দ্রুত চলে যায়। বস্তুটি থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে তিনি সেটিকে বোমা হতে পারে বলে স্বামীকে সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি বিস্ফোরিত হয়। ঘটনাস্থলের আহত পথচারী আবদুল বারেক বলেন, ‘আমি মসজিদ থেকে বের হয়ে গেটের সামনে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশে একটি ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে গায়ে এসে লাগে।’কুমিল্লা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের সভাপতি শ্যামল সাহা বলেন, ‘সম্প্রীতির শহর কুমিল্লার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’শ্যামল সাহা আরও বলেন, ‘মন্দিরের পুরোহিত আহত হওয়ার পর, দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার সময় মন্দিরের পাশের মসজিদের ফটকের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দুই মুসল্লি আহত হন।’কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুজ্জামান বলেন, ‘যারা নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন উচ্ছৃঙ্খল পোস্ট দিয়ে দেশের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’আনিসুজ্জামান আরও বলেন, ‘আজ শনিবার মন্দিরে শনিপূজা চলছিল। ইফতারের পরপরই তিন ব্যক্তি এসে মন্দিরের কাছে একটি ককটেল নিক্ষেপ করে এবং একটি ব্যাগ ফেলে রেখে যায়। মন্দিরে নিক্ষেপ করা ককটেল বিস্ফোরণে পুরোহিত কিছুটা আহত হন।’এসপি আনিসুজ্জামান বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশের মসজিদের ফটকের সামনে আরও দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে মসজিদের ফটকে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মুসল্লিও আহত হন। ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া ব্যাগটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমাদের টিম আসছে। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে।

২০তম সিপিসি কংগ্রেসের চেতনা বাস্তবায়নে অবিচল সিপিপিসিসি

কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকায় পাশাপাশি থাকা একটি মন্দিরের ভেতর ও একটি মসজিদের সামনে হাতবোমা (ককটেল) বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুই মুসল্লি ও একজন পুরোহিত আহত হয়েছেন। আজ শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত ব্যক্তিরা হলেন কালী গাছতলা মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী, বাগানবাড়ি এলাকার সুজাত আলীর ছেলে আবদুল বারেক ও নজরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ। তাঁদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।কেশব চক্রবর্তী জানান, সন্ধ্যায় তিনি ভক্তদের নিয়ে কালী গাছতলা মন্দিরে পূজা করছিলেন। এ সময় একটি বস্তু তাঁর কাছাকাছি এসে পড়ে। প্রথমে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি এবং মনে করেছিলেন গাছ থেকে কিছু পড়ে থাকতে পারে। পরে সেটিকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরাতে গেলে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি আহত হন।কেশব চক্রবর্তীর স্ত্রী ওমা চক্রবর্তী জানান, মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি এসে একটি বস্তু নিক্ষেপ করে দ্রুত চলে যায়। বস্তুটি থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে তিনি সেটিকে বোমা হতে পারে বলে স্বামীকে সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি বিস্ফোরিত হয়। ঘটনাস্থলের আহত পথচারী আবদুল বারেক বলেন, ‘আমি মসজিদ থেকে বের হয়ে গেটের সামনে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশে একটি ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে গায়ে এসে লাগে।’কুমিল্লা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের সভাপতি শ্যামল সাহা বলেন, ‘সম্প্রীতির শহর কুমিল্লার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’শ্যামল সাহা আরও বলেন, ‘মন্দিরের পুরোহিত আহত হওয়ার পর, দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার সময় মন্দিরের পাশের মসজিদের ফটকের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দুই মুসল্লি আহত হন।’কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুজ্জামান বলেন, ‘যারা নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন উচ্ছৃঙ্খল পোস্ট দিয়ে দেশের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’আনিসুজ্জামান আরও বলেন, ‘আজ শনিবার মন্দিরে শনিপূজা চলছিল। ইফতারের পরপরই তিন ব্যক্তি এসে মন্দিরের কাছে একটি ককটেল নিক্ষেপ করে এবং একটি ব্যাগ ফেলে রেখে যায়। মন্দিরে নিক্ষেপ করা ককটেল বিস্ফোরণে পুরোহিত কিছুটা আহত হন।’এসপি আনিসুজ্জামান বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশের মসজিদের ফটকের সামনে আরও দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে মসজিদের ফটকে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মুসল্লিও আহত হন। ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া ব্যাগটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমাদের টিম আসছে। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে।

আঞ্চলিক সংঘাত: ২০২৬ সালে বৈশ্বিক ঝুঁকি উচ্চমাত্রায় থাকবে

কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকায় পাশাপাশি থাকা একটি মন্দিরের ভেতর ও একটি মসজিদের সামনে হাতবোমা (ককটেল) বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুই মুসল্লি ও একজন পুরোহিত আহত হয়েছেন। আজ শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত ব্যক্তিরা হলেন কালী গাছতলা মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী, বাগানবাড়ি এলাকার সুজাত আলীর ছেলে আবদুল বারেক ও নজরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ। তাঁদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।কেশব চক্রবর্তী জানান, সন্ধ্যায় তিনি ভক্তদের নিয়ে কালী গাছতলা মন্দিরে পূজা করছিলেন। এ সময় একটি বস্তু তাঁর কাছাকাছি এসে পড়ে। প্রথমে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি এবং মনে করেছিলেন গাছ থেকে কিছু পড়ে থাকতে পারে। পরে সেটিকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরাতে গেলে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি আহত হন।কেশব চক্রবর্তীর স্ত্রী ওমা চক্রবর্তী জানান, মোটরসাইকেলে করে দুই ব্যক্তি এসে একটি বস্তু নিক্ষেপ করে দ্রুত চলে যায়। বস্তুটি থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে তিনি সেটিকে বোমা হতে পারে বলে স্বামীকে সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি বিস্ফোরিত হয়। ঘটনাস্থলের আহত পথচারী আবদুল বারেক বলেন, ‘আমি মসজিদ থেকে বের হয়ে গেটের সামনে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশে একটি ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে গায়ে এসে লাগে।’কুমিল্লা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের সভাপতি শ্যামল সাহা বলেন, ‘সম্প্রীতির শহর কুমিল্লার শান্ত পরিবেশ নষ্ট করতে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’শ্যামল সাহা আরও বলেন, ‘মন্দিরের পুরোহিত আহত হওয়ার পর, দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার সময় মন্দিরের পাশের মসজিদের ফটকের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দুই মুসল্লি আহত হন।’কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুজ্জামান বলেন, ‘যারা নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন উচ্ছৃঙ্খল পোস্ট দিয়ে দেশের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’আনিসুজ্জামান আরও বলেন, ‘আজ শনিবার মন্দিরে শনিপূজা চলছিল। ইফতারের পরপরই তিন ব্যক্তি এসে মন্দিরের কাছে একটি ককটেল নিক্ষেপ করে এবং একটি ব্যাগ ফেলে রেখে যায়। মন্দিরে নিক্ষেপ করা ককটেল বিস্ফোরণে পুরোহিত কিছুটা আহত হন।’এসপি আনিসুজ্জামান বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশের মসজিদের ফটকের সামনে আরও দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে মসজিদের ফটকে দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মুসল্লিও আহত হন। ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া ব্যাগটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমাদের টিম আসছে। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু

রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ

রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ

অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ

হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী

হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট

বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা

হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল গ্রেপ্তার: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। এ ঘটনায় তার সহযোগী আলমগীর হোসেন নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।রবিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪) রয়েছেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করার পর তারা দেশ থেকে পালিয়ে যান। পরে তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।পুলিশ জানায়, ভারতে প্রবেশের পর তারা বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অবস্থান নেন। সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিলেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার গ্রেপ্তার দুজনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ এএম
সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়। আপনিও কি তাই মনে করেন?

সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটা চাঁদা নয়। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
adsfghfjklh;kgjfydhtrsdhjfkglh;j

নারী উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সহযোগিতায় চীনের অঙ্গীকার

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বেইজিংয়ে এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে 'অল-চায়না উইমেন্স ফেডারেশন'। শুক্রবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নারী-শক্তি ও চীনের উন্নয়নে তাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট শেন ইয়িছিন জানান, চীনের আগামী পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২৬-২০৩০) দেশের উন্নয়ন ও পুনর্জাগরণে কোটি কোটি চীনা নারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।তিনি আরও বলেন, বিশ্ব নানা পরিবর্তন ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নারী উন্নয়ন ও মানবসভ্যতার অগ্রগতিতে অবদান রাখতে চীন সব পক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা ও আদান-প্রদান জোরদার করতে প্রস্তুত।অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজারেরও বেশি অতিথি অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন চীনের উচ্চপদস্থ নারী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক পরামর্শক, কূটনীতিক এবং চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং ও ম্যাকাও থেকে আসা নারী প্রতিনিধিরা।সংবর্ধনা শেষে অতিথিরা একটি বিশেষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। সেখানে ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে চীন কীভাবে নারী ও কিশোরীদের ক্ষমতায়ন করছে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়ন করছে, তা ফুটিয়ে তোলা হয়।তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া।

সব বিভাগের খবর

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের খেলায় পুরস্কার বিতরণ করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাস ও নোয়াখালী আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি উপভোগের পর খেলোয়াড়দের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম কাজল।‎খেলায় চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাসকে ৫১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী জয়লাভ করে।জমজমাট এ ম্যাচে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।‎ম্যাচে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালীর পক্ষে ফয়সাল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে ‘গেম চেইনজার’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য জসিম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।‎পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কর্মকার মিঠুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজল পাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সদস্য জসিম উদ্দিন, হাসান আহমেদ, আবু মূসা আল শিহাব।‎উল্লেখ্য, খেলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী ৫১ রানের বড় জয় নিশ্চিত করে। যা উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়ানুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

আইপিএলে বাদ মোস্তাফিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান: রাজিন সালেহ (ভিডিও)

মোহাম্মদ আলী সুমন আসন্ন আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৯.২ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে চুক্তিবদ্ধ হলেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাকে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। https://youtu.be/4VXZlvahV3s?si=QAho6T9MgSac2V3J এ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি বিসিসিআই। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রভাব থাকলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এটা শুধু মোস্তাফিজের নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান। আইপিএলে নিজেকে প্রমাণ করা একজন খেলোয়াড়কে ডেকে আবার না নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, আইপিএলে যদি একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর ও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ভাবতে হবে।

ঝিনাইদহে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগের উদ্বোধন

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগ। সোমবার সকালে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে তিস্তা জোনের এ খেলার উদ্বোধন করা হয়। খেলার উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস। সেসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক নাজমুল হাসান লোভন, সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাইসার হামিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও অনুর্ধ-১৭ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান কাননসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন শেষে বেলুন উড়িয়ে এ লীগের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত লীগ ভিত্তিতে এ খেলায় খুলনা বিভাগের ৮ টি জেলার ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। আগামী ৩১ জানুয়ারী পদার্ নামবে এ তিস্তা জোনের এই চ্যাম্পিয়নশিপের। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ঝিনাইদহ ফুটবল একাদশ বনাম নড়াইল ফুটবল একাদশ। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতেই এই আয়োজন বলে জানায় আয়োজকরা।

নীলফামারীতে ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি নীলফামারীতে মাদক বিরোধী ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই দুই ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে ভলিবল ও সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের সন্নাসীতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। কাবাডি প্রতিযোগীতায় নীলফামারীকে হারিয়ে ডোমার এবং ভলিবলে কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে জলঢাকা উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে প্রধান অতিথি থেকে ট্রপি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মুজাক্কিন, সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোল্লা ইফতেখার আহমেদ, নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবুল হাসেম বক্তব্য দেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের সহযোগীতায় এই দুই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন জানান, প্রতিযোগীতার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটি ম্যাসেস দিতে চাই। যেটি হলো মাদককে না বলুন, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলুন। বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি আমাদের সর্বনাশ করে দিচ্ছে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে একহতে হবে। ‘এসো দেশ বদলাই পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব ঘিরে এই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী স্মৃতি স্মরনে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মোঃ ইলিয়াছ আহমদ, বরুড়া কুমিল্লার বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী'র স্মৃতির স্মরণে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ শুরু হয়েছে। ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল, এ প্রতিপাদ্যের আলোকে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩.৩০ মিনিটে বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দাতা পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আজকের খেলার সুন্দর আয়োজন দেখে আমি আনন্দিত হয়েছি আমি চাই এ ধরনের খেলা গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ুক আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত ও নেশা মুক্ত সমাজ গড়তে তখন মানসিক ও পারিবারিক ভাবে স্বস্তিতে থাকবো, আমরা মাদকের আসক্ত থেকে বিরত থাকতে পারবো, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে তিনি পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ আবু সায়েম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আমরা চাই যুবসমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে বিরত থাকুক সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলুক এ ধরনের পরিবেশে আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন বরাবরই সহযোগিতা করে আসছে ভবিষ্যতেও যুব সমাজকে মাদক থেকে বীরত্ব রাখতে শিক্ষার কল্যাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেধাদ উদ্দিন, ওরাই আপনজন সামাজিক সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সহসভাপতি মোঃ জামাল হোসেন, ঘোষ্পা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ মানিক হোসেন, কাতার প্রবাসী মোঃ মহিন উদ্দিন, প্রমুখ। ১৮ টি দল অংশ গ্রহণ করে এ টুর্ণামেন্টে। নক আউট পদ্ধতিতে এ খেলা চলবে।

রাঙামাটিতে ক্লাব আরজিটির উদ্যোগে ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মো. কাওসার, রাঙামাটি রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি মুসলিম পাড়ায় ক্লাব আরজিটি’র উদ্যোগে ডে-নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার পর্দা ওঠে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলাপ্রেমী শতাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সুস্থ দেহে গড়ে ওঠে সুস্থ মন। তরুণ সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর মুসলিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে খেলাধুলা অন্যতম মাধ্যম। এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে।” উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, “যুবকদের প্রতিভা বিকাশে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।” বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলভি হাসান নাঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. নাঈম সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের মোট ২০ টি দল অংশ নিচ্ছে এবং রাত পর্যন্ত ম্যাচগুলো চলবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এলাকার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়বে।

ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২

নির্বাচনের উত্তাপ আর বসন্তের মিষ্টি আমেজে এবারের ভালোবাসা দিবসকে আরও রঙিন করে তুলতে নতুন সংগীত আয়োজন নিয়ে আসছে জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল HSP Music & Video Station। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে এই চ্যানেল থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত নতুন গান ‘আমার গরুর গাড়ি ২’।মুক্তির আগেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে টিকটক ও ফেসবুক–ইনস্টাগ্রামের রিলসে গানটির অংশ ব্যবহার করে অসংখ্য ভিডিও তৈরি হচ্ছে, যা ইতোমধ্যেই দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে কৌতূহল ও প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে।গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় শিল্পী হ্যাপি শারমিন ও ওসমান সজীব। এর প্রাণবন্ত সংগীতায়োজন করেছেন অনিম খান। কথায় ও সুরে গানটিকে আরও আবেদনময় করে তুলেছেন পরাগ হাশমী এবং এস. এ. মেরিন। চিরচেনা এক সময়ের জনপ্রিয় গানের অনুপ্রেরণায় তৈরি এই নতুন গানটিতে আধুনিক সময়ের ভাবনা, রোমান্টিক আবহ এবং বিনোদনের উপাদান একসঙ্গে মিশে গেছে।গানটির ভিডিওতেও থাকছে ভিন্নমাত্রার চমক। এতে মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় মডেল সিয়াম মৃধা এবং আলোচিত ব্র্যান্ড প্রমোটর ও টিকটকার আঞ্জুমান মেহজাবিন। ভিডিওটির চিত্রগ্রহণ করেছেন আরিয়ান, আর দক্ষ পরিচালনায় ছিলেন জয় আহমেদ। রঙিন দৃশ্যায়ন, প্রাণবন্ত নৃত্য ও গল্পনির্ভর উপস্থাপনা ভিডিওটিকে করেছে আরও আকর্ষণীয়।নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের আশা, ভালোবাসা দিবসে প্রকাশিত এই গানটি সব বয়সী দর্শক-শ্রোতাদের কাছে আলাদা অনুভূতির সৃষ্টি করবে। ভালোবাসা, হাসি ও বিনোদনের মিশেলে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ হয়ে উঠবে এবারের ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আকর্ষণ।

শিল্পের নামে নর্দমার চাষ: 'বাস্তবতা'র দোহাই দিয়ে আর কতদিন

শিল্প যখন মানুষের রুচি তৈরি না করে বরং কুরুচিকে পুঁজি করে ব্যবসা শুরু করে, তখন বুঝতে হবে সেই জাতির সাংস্কৃতিক মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গেছে। আমাদের দেশের নাটকের একটা সুদীর্ঘ এবং গৌরবময় ইতিহাস আছে। বিশেষ করে নব্বই দশকের সেই সোনালী দিনগুলোর কথা ভাবলে আজ বুক ফেটে দীর্ঘশ্বাস বের হয়। তখন টিভির পর্দা মানেই ছিল সাহিত্যের সুবাস, শুদ্ধ ভাষার চর্চা আর এক টুকরো প্রশান্তি। কিন্তু সময়ের আবর্তে আজ আমাদের সামনে এমন কিছু অভিনেতা এবং নির্মাতার আবির্ভাব ঘটেছে, যারা নাটককে ড্রয়িংরুম থেকে টেনে হিঁচড়ে নর্দমায় নামিয়ে এনেছেন। নাম না নিলেও আপনারা চেনেন সেই ‘বিখ্যাত’ অভিনেতাকে, যার মুখ খুললেই ভাষার সৌন্দর্য নয়, বরং নর্দমার দুর্গন্ধ বের হয়।আজকাল এক শ্রেণির অভিনেতার কাছে অভিনয় মানেই হলো উচ্চস্বরে চিল্লানো আর অনর্গল সস্তা গালিগালাজ করা। তারা দাবি করেন, তারা নাকি সমাজের ‘রিয়েলিস্টিক’ বা বাস্তব চিত্র তুলে ধরছেন। আমার প্রশ্ন হলো, বাস্তবতার সংজ্ঞায় কি কেবল গালিগালাজ আর অন্ধকার জগতই পড়ে? সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনে কি ভালোবাসা নেই? শ্রদ্ধাবোধ নেই? শুদ্ধ ভাষার কি কোনো স্থান নেই?​নব্বই দশকে হুমায়ূন ফরিদী যখন খলচরিত্রে অভিনয় করতেন, তার চোখের এক চাউনিতেই হাজারটা গালি ফুটে উঠত। অথচ তিনি কখনো মুখের ভাষা কলুষিত করেননি। আর আজকের এই ‘নতুন যুগের’ নায়করা মনে করেন, পর্দায় যত বেশি ‘সোদানির  ফো...’ বা এই জাতীয় কুৎসিত শব্দ উচ্চারণ করা যাবে, অভিনয় নাকি তত বেশি ‘ন্যাচারাল’ হবে। এই যে মানসিক বিকৃতি, একে শিল্প বলা তো দূরের কথা, সাধারণ বিনোদন বলাও পাপ।নাটক মানেই ছিল পরিবারের মিলনমেলা। অথচ আজ অবস্থা এমন হয়েছে যে, সেই অভিনেতার মুখ স্ক্রিনে দেখা গেলেই রিমোটের মিউট বাটন খুঁজতে হয় অথবা চ্যানেল পাল্টে দিতে হয়। কারণ, কখন কোন গালি দিয়ে বসবেন, তার কোনো ঠিক নেই। যারা নিজেকে বড় অভিনেতা দাবি করেন, তাদের কি একবারও মনে হয় না যে এই নাটকগুলো তাদের নিজের মা, বোন বা সন্তানরাও দেখতে পারে?​যে অভিনেতা পরিবার নিয়ে বসে দেখার মতো পরিবেশ বজায় রাখতে পারেন না, তিনি কিসের শিল্পী? শিল্প তো মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরায়, আর এরা মানুষকে নর্দমায় নামিয়ে দিচ্ছে। নব্বই দশকের নাটকের ভাষা ছিল আমাদের গর্ব, আমাদের পরিচয়। সেই আভিজাত্যকে যারা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য গালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন, তারা আসলে আমাদের সংস্কৃতির ক্যানসার।রাস্তার মোড়ের আড্ডা আর নাটকের সংলাপের মধ্যে একটা পার্থক্য থাকা উচিত। একজন রিকশাচালক বা একজন অপরাধী যখন রাস্তায় গালি দেয়, সেটা তার ব্যক্তিগত দীনতা। কিন্তু সেই একই গালি যখন বড় বাজেটের নাটকে একজন অভিনেতা গর্বের সাথে উচ্চারণ করেন, তখন সেটা আর কেবল গালি থাকে না, সেটা হয়ে যায় অপরাধের সামাজিকীকরণ। এই তথাকথিত ‘বিখ্যাত’ অভিনেতাটি তার ক্যারিয়ারের বড় অংশই পার করছেন এমন সব চরিত্রে অভিনয় করে, যেখানে তার একমাত্র যোগ্যতা হলো তিনি কত সাবলীলভাবে কুৎসিত গালি দিতে পারেন।​তার ভক্তরা হয়তো বলবেন, “ভাই অভিনয়টা তো ফাটাফাটি!” আরে ভাই, গালি দেওয়া কি অভিনয়ের অংশ? গালি তো সাধারণ মানুষও দেয়, তাহলে তারাও কি অভিনেতা? অভিনয় হলো সূক্ষ্ম কারুকার্য, সেখানে গালির কোনো স্থান নেই। অথচ এই মানুষগুলো আমাদের নাটকের চিরচেনা সুন্দর পরিবেশটাকে বিষিয়ে তুলেছেন। এদের কারণেই আজ শিক্ষিত সমাজ নাটক দেখা ছেড়ে দিয়ে নেটফ্লিক্স বা বিদেশি কন্টেন্টের দিকে ঝুঁকছে।নব্বই দশকের নাটকে যখন আসাদুজ্জামান নূর বা সুবর্ণা মুস্তাফারা সংলাপ বলতেন, তখন দর্শক মুগ্ধ হয়ে শুনত। ভাষার সেই লালিত্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। বর্তমানের এই অভিনেতা এবং তার বলয়ের নির্মাতারা নাটককে একটা বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর করেছেন, যেখানে রুচির চেয়ে সুড়সুড়ি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা ভাবেন, তরুণ প্রজন্ম গালি শুনতে পছন্দ করে, তাই গালি দিতে হবে। এটা স্রেফ এক ধরনের সস্তা ধান্দাবাজি।​শিল্পের মূল কাজ রুচি তৈরি করা, দর্শকদের নিচু রুচির কাছে আত্মসমর্পণ করা নয়। এই অভিনেতাটি যেভাবে নিজেকে ‘পাওয়ার হাউস পারফর্মার’ হিসেবে জাহির করেন, আসলে তার অভিনয়ের মূল খুঁটিই হলো উগ্রতা। অথচ উগ্রতা আর অভিনয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। যারা নব্বই দশকের অভিনয় দেখে বড় হয়েছেন, তারা জানেন প্রকৃত অভিনয়ের ওজন কতটুকু।আমরা কি আমাদের সন্তানদের এমন এক নাট্য সংস্কৃতির হাতে ছেড়ে দেব যেখানে বড়দের সম্মান নেই, ভাষার মর্যাদা নেই? ওই অভিনেতাটি যখন পর্দায় বীরদর্পে গালি দেন, তখন কিশোর-তরুণরা সেটাকেই ফ্যাশন মনে করে। তারা ভাবে, গালি দেওয়া বোধহয় স্মার্টনেস। এই সামাজিক অবক্ষয়ের দায় কে নেবে? এই অভিনেতারা কি নেবেন? না, তারা কেবল তাদের পকেট ভারী করবেন এবং সস্তা হাততালিতে গা ভাসাবেন।​আমাদের নাট্যাঙ্গন আজ এক গভীর সংকটে। একপাশে আছে নব্বই দশকের সেই শুদ্ধতা আর অন্যপাশে এই বর্তমানের কর্দমাক্ত গালি-সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি যদি বন্ধ না হয়, তবে আমাদের নাটক কেবল পর্নোগ্রাফির চেয়েও নিকৃষ্ট হয়ে দাঁড়াবে।শিল্পের নামে যারা নর্দমা ছড়াচ্ছে, তাদের সময় ফুরিয়ে আসছে। মানুষ আর কতদিন এই গালিগালাজকে অভিনয় হিসেবে গ্রহণ করবে? নাম না নিলেও আপনারা বোঝেন, কারা এই নোংরামির কারিগর। আমাদের উচিত এই ‘গালি-সম্রাটদের’ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করা। আমরা সেই নাটক ফিরে পেতে চাই যেখানে গালি থাকবে না, থাকবে মায়া। আমরা সেই পরিবেশ ফিরে পেতে চাই যেখানে বাবা-মেয়ে একসাথে বসে টিভি দেখতে পারবে।​যিনি মনে করেন গালি দিয়েই তিনি বাংলা নাটক জয় করে ফেলেছেন, তার উদ্দেশ্যে একটাই কথা—রুচিহীনতা কখনো অমর হয় না। আসাদুজ্জামান নূররা বেঁচে থাকবেন তাদের আভিজাত্যে, আর আপনারা হারিয়ে যাবেন সময়ের আস্তাকুঁড়ে, কারণ আপনাদের হাতে কোনো শিল্প নেই, আছে কেবল বিকৃতি। নাটকের পরিবেশ যারা নষ্ট করে, তাদের জন্য ঘৃণা ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নেই।

দর্শকদের মানসম্মত গান উপহার দিতে চায় মমতাজ রহমান লাবনী

বর্তমান প্রজন্মের প্রতিভাবান সংগীতশিল্পী মমতাজ রহমান লাবনী। দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার বিনোদন বিভাগের সাথে তার ক্যারিয়ার ও পারিপার্শ্বিক বিষয় নিয়ে কথোপকথন হয়৷ সাক্ষাতকার নিয়েছেন। রিফাত সাইফুদ্দিন ইয়াহ্ইয়া ১. গায়িকা হওয়ার ইচ্ছে কি ছোটবেলা থেকেই ছিল?.উ: জি ছোট বেলা থেকেই।২. গানের জগতেকত বছর যাবৎ কাজ করা হচ্ছে?.উ: প্রায় ২৫ বছর। ৩. কাজের শুরুটা সম্পর্কে কিছু জানতে চাই-উ: কাজের শুরুটা আমার স্টেজ শো দিয়েই হয়েছে। তারপর রেডিও টেলিভিশন ও শিল্পকলার মাধ্যমে।  ৪. বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে জানতে চাই-উ: গান চর্চার পাশাপাশি রেকর্ডিং এর কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছি। ৫...জীবনে গানকে পেশা হিসেবে গ্রহণ না করলে ; অন্য কি পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে?.উ: শিক্ষকতা পেশা  ৬.অবসর সময়ে কি করা হয়??উ: ছেলেকে সময় দেওয়া হয়।৭.সংগীত নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি??.উ: আরো বেশি বেশি গান গাইতে চাই এবং সুন্দর সুন্দর গান শুনতে চাই। দর্শকদের মানসম্মত গান উপহার দিতে চাই  

২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রামে ভিড়ল জাহাজ, আরও চারটি আসছে

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, পরিশোধিত জ্বালানি তেলবাহী জাহাজটি সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা জেটিতে পৌঁছায়। এছাড়াও আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও চারটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।সংস্থাটি বলছে, মার্চ ও এপ্রিল মাসের জন্য প্রয়োজনীয় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার কাজ শেষ হয়েছে। এসব তেল সাধারণত ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোর রিফাইনারি থেকে আসে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। তবে পরিশোধিত জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে নিয়মিত আসবে বলে আশা করছে বিপিসি।উল্লেখ্য, প্রতি মাসে গড়ে ১৫টি চালানে পরিশোধিত তেল দেশে আসে।

সাংবাদিকদের জন্য ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা শিথিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় কমিশন।এর আগে রোববার ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল ইসি। ওই সিদ্ধান্তে সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়, কারণ ভোটগ্রহণের দিন তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং দ্রুত প্রতিবেদন তৈরিতে মোবাইল ফোন সাংবাদিকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্ম–উপকরণ।এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে সাধারণভাবে মোবাইল ফোন বহনের অনুমতি থাকবে কেবল প্রিসাইডিং অফিসার, কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা–২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার সদস্যের জন্য। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বার্থে নির্দিষ্ট অনুমতি সাপেক্ষে সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে ও নিরাপদ পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ভারসাম্য রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যে জাতীয় জোট 'এ্যাবজা' পুনর্গঠনের উদ্যোগ

দেশের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনকে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করে পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সম্মিলিত ভূমিকা পালনের লক্ষ্যে এ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশনের (এ্যাবজা) জোট পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আয়োজিত সাধারণ সভায় একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) বিকালে রাজধানীর মতিঝিল সিটি সেন্টার সংলগ্ন একটি রেষ্টুরেন্টে এ সাধারণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এ্যাবজার সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর। তিনি বিগত বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে জোটকে গতিশীল করতে সকলের নিকট আহবান জানান। এ সময় জোট নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে বিগত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে আহবায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের সাংবাদিকরা নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ, হয়রানি ও পেশাগত অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিক সংগঠনগুলোর মধ্যে শক্তিশালী ঐক্য গড়ে তোলা সময়ের দাবি। একটি কার্যকর জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এ্যাবজা জোট সাংবাদিক সমাজের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (রেজি: ০৬/২০২২) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরকে আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ এডিটরস ফোরামের মহাসচিব ওমর ফারুক জালালকে সদস্য সচিব করে জোটের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। জোটের এ আহবায়ক কমিটিতে সদস্য সংগঠন হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ জোটে যারা রয়েছেন তারা হলেন জাস্টিস ফর জার্নালিস্টের পক্ষে মহাসচিব শাহিন বাবু, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নির্ধারণী কমিটির সদস্য সচিব মনজুর হোসেন, টেলিভিশন এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মহাসচিব অশোক ধর, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ সভাপতি সাব্বির আহমেদ রনি, লায়ন মো: নুর ইসলাম, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (রেজি: নং ৪৬/২৪), বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের (রেজি নং ৯৮৭৩৬/১২) সভাপতি ফরিদ খান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (রেজি: নং ৭১৬১(৩৪৯)/৭) মহাসচিব এম এ মমিন আনসারী, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান লিটন, বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মমিনুর রশিদ শাইন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি খান সেলিম রহমান, বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি জাহিদ ইকবাল, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের (রেজি: এস ১৪১৭) সভাপতি মো: দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ রিপোর্টার্স কাউন্সিলের সভাপতি টিএইচএম জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান বিথী মোস্তফা, নারী সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের মারিয়া আক্তার, সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব এম আর এ সুজন মাহমুদ, জাতীয় প্রেস কাউন্সিলের (রেজি: নং ০২৪৩৩৮) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুর রহমান পাভেল, জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মামুন গাজী, জাতীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম রনি, নারায়নগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাবের আহবায়ক এমএ মান্নান ভুঁইয়া, জুরাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালেহ আহমেদ সাহেল, শাহ মো: সরওয়ার জাহান, কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, সাংবাদিক উন্নয়ন সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মীর, বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক পরিষদের সভাপতি মো: সোহেল রানা, শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, মহাসচিব, গ্রামীন সংবাদ সংস্থা, বিএম আশিক হাসান, মহাসচিব, বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংবাদিক সোসাইটি, মো: আনোয়ার হোসেন, সভাপতি, আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ঐক্য ফোরাম, কেএম আবুল হোসেন, সভাপতি, বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম, ফয়সাল আজম অপু, সভাপতি, সোনা মসজিদ প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ এ সংগঠনের জোটভুক্ত সদস্য। নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় আগে সংগঠন গুলোকে  ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।বক্তারা বলেন, দেশের সাংবাদিক সমাজকে শক্তিশালী ও সংগঠিত করতে এ্যাবজা জোট একটি কার্যকর সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আগামীতে কাজ করবে। নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি শিগগিরই বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময় করে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবে।সভা শেষে দেশের সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ, পেশার মর্যাদা রক্ষা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।জোটের কার্যক্রম প্রসারের জন্য ৮ বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটিতে স্থানীয় এবং  আঞ্চলিক সাংবাদিক সংগঠনগুলো সদস্যপদ লাভ করতে পারবে।

সাগরে ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে কোস্ট গার্ড এর বিশেষ অভিযান

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কোস্ট গার্ড।বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখ দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র পুনরায় কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে ডাকাত ও জলদস্যুদের আটকের নিমিত্তে ইতোমধ্যে কোস্ট গার্ড দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন নাফ নদী ও সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় সকল ধরনের জলযান ও সন্দেহজনক গতিবিধি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।ফলশ্রুতিতে, গত দুই মাসে কোস্ট গার্ডের একাধিক বিশেষ অভিযানে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র, ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ ৩০ জন ডাকাত ও জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এসময় ডাকাতের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখ বুধবার দিনব্যাপি কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ শ্যামল বাংলা, স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও শাহপরী কর্তৃক আওতাধীন সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে এবং সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়।তিনি আরও বলেন, দেশের সাগর, নদী পথ ও উপকূলের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

বিশ্বরঙ এর ঈদ আয়োজন

রমজান মানে শুধু সংযম নয় এটি আত্মার পরিশুদ্ধি, সরলতায় ফিরে যাওয়ার এক নীরব আহ্বান। সরলতার সেরা আয়োজন প্রকৃতিতে। প্রবল অস্থিরতার ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মানুষ একসময় ক্লান্ত হয়- শব্দে, গতিতে, প্রতিযোগিতায়। তখনই স্থিরতার ডাক আসে। সেই ডাক আসে প্রকৃতির কাছ থেকে। প্রবল অস্থিরতা থেকে স্থিরতায় ফেরা এক ধরনের নিরাময়। প্রকৃতি শেখায় কমেই যথেষ্ট, ধীরতাতেই গভীরতা, আর স্থিরতাতেই সত্যিকারের শক্তি। সাফল্যের সংজ্ঞা বদলে যায় শান্ত থাকাটাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় অর্জন। প্রকৃতির মতোই এই মাস আমাদের শেখায় মিতব্যয়িতা, স্থিরতা এবং অন্তরের সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিয়ে উৎসব উদযাপনকে।উৎসব পার্বন উদ্যাপণে বিশ্বরঙ সবসময়ই অগ্রপথিক তাই উৎসব পাবর্নে নতুন ট্রেন্ড নিয়ে কাজ করা বিশ্বরঙ এর স্বভাবসিদ্ধতা সুদীর্ঘ ৩১ বছর ধরে। এবারও তার ব্যাতিক্রম হয়নি ঈদ উল ফিতরকে ঘিরে ফ্যাশন সচেতন ব্যক্তিদের জন্য বিশ্বরঙ নিয়ে এসেছে নতুন নতুন সব ট্রেন্ডি ডিজাইন। দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চলের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে প্রকৃতির বিভিন্ন ফর্মের সাথে গ্রাফিক্যাল বাহারি নকশা ও বৈচিত্রময়তায় উপস্থাপন করেছে বিশ্বরঙ ঈদ উল ফিতরের বাহারী আয়োজন।পোশাকের প্যাটার্নে এসেছে ভিন্নতা প্রতিটি ডিজাইনে থাকছে প্রশান্তির ছোঁয়া। রঙের ব্যবহারে অফহোয়াইট, সাদা, লাল, মেরুন, গোল্ডেন সহ মাটির রঙ, পাতার সবুজ, আকাশের নীল রঙের পরিমিতবোধ লক্ষ করা যায় সবগুলো পোশাকে। পোশাকগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ধুপিয়ান সিল্ক, জয় সিল্ক, তসর সিল্ক, সফট সিল্ক, কাতান, বেলবেট ছাড়াও বিভিন্ন রকম অর্নামেন্টেড কাপড়। কাজের মাধ্যম হিসাবে এসেছে এম্ব্রয়ডারি, জারদৌসী, কারচুপি, কাটওর্য়াক, স্ক্রিন প্রিন্ট সহ মিশ্র মাধ্যমের নিজস্ব বিভিন্ন কৌশল। ১ লা রমজান থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত বিশ্বরঙ এর সকল শোরুমে চলবে বিশ্বরঙ ঈদ আয়োজনের প্রদর্শনী।

পাহাড়ের চূড়ায় মেঘ আর প্রার্থনা: ঘুরে আসুন মিরিঞ্জা সানসেট রিসোর্ট থেকে

বান্দরবানের লামা উপজেলায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত মিরিঞ্জা ভ্যালি বর্তমানে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনস্পট হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পাহাড়, মেঘ ও আকাশের মিশেল এখানে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য তৈরি করেছে এক স্বপ্নিল পরিবেশ।প্রকৃতির অপরূপ সাজে ঘেরা এই ভ্যালিতে যেকোনো সময়েই মেঘ ছুঁয়ে দেখার অভিজ্ঞতা মিলতে পারে। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি—আবহাওয়ার এই বৈচিত্র্যই মিরিঞ্জাকে করে তুলেছে আরও রহস্যময়। ভোরে পুরো ভ্যালি সাদা মেঘের চাদরে ঢেকে যায়। সাজেক ভ্যালির মতোই এখানে পর্যটকদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে।সমৃদ্ধ পর্যটন এলাকা:মিরিঞ্জা ভ্যালি ছাড়াও আশপাশের পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য রিসোর্ট। কাছেই রয়েছে সুখিয়া ভ্যালি ও মাতামুহুরী নদী তীরের সুন্দর দর্শনীয় স্থান। ফলে পর্যটকদের কাছে এই অঞ্চল এখন একাধিক ভ্রমণস্পটের সমন্বিত গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।মিরিঞ্জা ভ্যালি যাওয়ার উপায়:ঢাকা থেকে আলীকদমগামী বাসে উঠে মিরিঞ্জা বাজারে নামা যায়। সেখান থেকে ট্রেকিং বা মোটরসাইকেলে কয়েক মিনিটের পথেই মিরিঞ্জা ভ্যালি।যদি আলীকদমের বাস না পাওয়া যায়, তবে দেশের যেকোনো স্থান থেকে কক্সবাজারগামী বাসে চকরিয়া নেমে জিপ, চান্দের গাড়ি, বাস বা সিএনজিতে মিরিঞ্জা যাওয়া সম্ভব।চকরিয়া–মিরিঞ্জা: সময় ৪০–৫০ মিনিট-জিপ/বাস ভাড়া: ৬০–৮০ টাকা-সিএনজি: ৯০–১০০ টাকা-বাজার থেকে রিসোর্ট: হাঁটায় ১০ মিনিট / মোটরসাইকেল ১০০–৩০০ টাকাদূরত্ব হিসেবে:-ঢাকা–মিরিঞ্জা ভ্যালি: ৩৭০ কিমি-চট্টগ্রাম–মিরিঞ্জা: ১১৫ কিমি-কক্সবাজার–মিরিঞ্জা: ৬৪ কিমিমিরিঞ্জা ভ্যালির রিসোর্ট ও থাকার ব্যবস্থা:বর্তমানে এখানে ৪০টিরও বেশি জুমঘর ও রিসোর্ট রয়েছে। জনপ্রিয়তা বাড়ায় প্রতিনিয়ত নতুন রিসোর্ট গড়ে উঠছে।ভাড়া:-জুমঘর: ১,৫০০–৩,০০০ টাকা (৪–১০ জন ধারণক্ষমতা)-প্রিমিয়াম রুম/কটেজ: ৩,০০০–৬,০০০ টাকা-তাবু: জনপ্রতি ৩০০–৯০০ টাকাজনপ্রিয় রিসোর্ট সমূহ:-মিরিঞ্জা হিল রিসোর্ট – জুমঘর ২,০০০ টাকা (৬/৭ জন)-মারাইংছা হিল রিসোর্ট – পড/কটেজ ৩,০০০–৫,০০০ টাকা, তাবু ৯০০ টাকা-লামা হিল স্টেশন – পড/কটেজ ২,৫০০–৪,৫০০ টাকা, জুমঘর ২,০০০, তাবু ৫০০ টাকাচুংদার বক রিসোর্ট – পড/রুম ৪,৫০০–৬,৫০০ টাকা, জুমঘর ২,৫০০-মিরিঞ্জা মেঘ মাচাং রিসোর্ট – কটেজ ৩,৫০০–৬,০০০ টাকা, জুমঘর ২,৫০০, তাবু সহ তিন বেলা খাবার ১,১০০ টাকা-এ ছাড়াও ডেঞ্জার হিল রিসোর্ট, আগারং রিসোর্ট, মেঘকুঞ্জ, মিরিঞ্জা হ্যাভেন, হাফং রিসোর্টসহ বেশ কিছু রিসোর্ট রয়েছে।-ছুটির মৌসুমে আগেভাগে বুকিং দেওয়া উত্তম।মিরিঞ্জা সানসেট রিসোর্টে বিভিন্ন ধরনের রুম ক্যাটাগরি আছে। রিসোর্টের লাক্সারি কটেজগুলো বিশেষ ধরনের, যেখান থেকে শুয়ে শুয়ে কাঁচের গ্লাস দিয়ে মেঘের ভিউ উপভোগ করা যায়, যা পুরো মিরিঞ্জা রেঞ্জে একমাত্র সেখানেই পাওয়া যায়।এছাড়াও, তাদের 'জুম ঘর' 'পড হাউস' আছে, যেগুলো একটু আলাদা ডিজাইনের। এসি/ নন এসি 'প্রিমিয়াম কটেজ' আছে, যেগুলো আরেকটু ভালো সুযোগ-সুবিধা সহ। এছাড়া তাদের 'লাভ কটেজ' এবং তাবুও আছে যারা একটু ভিন্ন অভিজ্ঞতা চান।রিসোর্ট বুকিং টিপস:-মেঘ দেখার সেরা মৌসুম জুন–নভেম্বর।-মিরিঞ্জা প্রবেশপথের ডান দিকের রিসোর্টগুলো থেকে ভ্যালির দৃশ্য সবচেয়ে সুন্দর দেখা যায়।-পাহাড়ি রাস্তা বৃষ্টিতে পিচ্ছিল থাকে—ভিতরের রিসোর্টে যেতে সমস্যা হতে পারে।-জুমঘরে সাধারণ বেড, বালিশ, কমন ওয়াশরুম—লাক্সারি চাইলে কটেজ নিতে হবে।-অনেক রিসোর্টে বিদ্যুৎ নেই, সোলার বা জেনারেটরের ওপর নির্ভর করে। তাই পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখা জরুরি।খাবার ব্যবস্থা:মিরিঞ্জা ভ্যালির প্রায় সব রিসোর্টেই তিন বেলা খাবারের প্যাকেজ রয়েছে—-সকালের নাশতা: খিচুড়ি/ডিম-দুপুর: ভাত, ডাল, মুরগি, সবজি-রাত: বারবিকিউ/চিকেন/পরোটাখরচ: জনপ্রতি ৭০০–১২০০ টাকা।মিরিঞ্জা ভ্যালির নিকটবর্তী প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলো—-সুখিয়া ভ্যালি-মাতামুহুরী নদী-মারাইংতং পাহাড়-আলীর গুহা-ডিম পাহাড় হয়ে বান্দরবান ট্রেইল-কক্সবাজারও খুব কাছাকাছি, ভ্রমণের সাথে যুক্ত করা যায়।ভ্রমণ টিপস:-পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখুন।-জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন কপি অবশ্যই রাখুন—চেকপোস্টে প্রয়োজন হয়।নামাজের সুব্যবস্থা-Mirinja Sunset Resort ,Mirinja Valley এর মসজিদে পবিত্র রমজান মাসে একজন হাফেজ দ্বারা সুরা তারাবির নামাজ কায়েম করা হয়। এছাড়া রোজা পরবর্তী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।পর্যটন নিরাপত্তা:মিরিঞ্জায় পর্যটক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ, লামা থানা ও স্থানীয় নিরাপত্তাকর্মীদের সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক টহল ডিউটি চলছে।মিরিঞ্জা সানসেট রিসোর্টের মালিক এন ইসলাম জিসান জানান, “ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয় থানার সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখা হয়, পর্যটকদের জন্য জায়গাটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।”

হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল গ্রেপ্তার: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। এ ঘটনায় তার সহযোগী আলমগীর হোসেন নামের আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।রবিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪) রয়েছেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করার পর তারা দেশ থেকে পালিয়ে যান। পরে তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।পুলিশ জানায়, ভারতে প্রবেশের পর তারা বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অবস্থান নেন। সুযোগ পেলেই তারা আবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিলেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।এ ঘটনায় একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার গ্রেপ্তার দুজনকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

পাথরঘাটায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা

বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষে বরগুনার পাথরঘাটায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম ও সম্ভাবনা নিয়ে এক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা হাসপাতাল সড়কের সংগ্রাম মিলনায়তনে এ আয়োজন করে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তারুণ্যের বাংলাদেশ যুব সংস্থা।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় অঞ্চলের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও কলামিস্ট শফিকুল ইসলাম খোকন। সংগঠনের শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতী জুঁই আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শোয়েব তাসিন।***গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমাজকর্মী মাইনুল ইসলাম রেজা, সাংবাদিক সোহেল মল্লিক এবং নারী উদ্যোক্তা হালিমা আক্তার।**********এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন নারী উদ্যোক্তা সাদিয়া ইসলাম, নারী উন্নয়নকর্মী সংগীতা, নারী স্বেচ্ছাসেবক খাদিজা আক্তার, তরুণ সমাজকর্মী মুনিম চৌধুরী মুন্না, তরুণ অ্যাকটিভিস্ট ফেরদৌস আহমেদ মিঠুসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।আলোচনায় বক্তারা উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের জীবনসংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, উপকূলীয় নারীরা এখনও বাল্যবিবাহ, আর্থিক সংকট, যৌতুকপ্রথা, মানসিক চাপ এবং সামাজিক নিরাপত্তাহীনতার মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব সমস্যার সমাধানে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা বিস্তার, নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বক্তারা আরও বলেন, সঠিক সুযোগ ও সহায়তা পেলে উপকূলীয় নারীরা সমাজ ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাই নারীদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের সম্ভাবনা বিকাশে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।*****

এবারের বইমেলায় তুলতুলের‎ নতুন বই গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)

এবারের ‎অমর একুশে বইমেলায় চট্রগ্রামের তরুণ লেখক ও কথাসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুলের নতুন বই গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.) প্রকাশিত হয়েছে। এটি একটি ইসলামিক শিশুকিশোর গল্পগ্রন্থ, যেখানে শিশুদের জন্য নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।‎বইটিতে দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত মোট ১৩টি নির্বাচিত গল্প স্থান পেয়েছে। এটি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনিন্দ্য প্রকাশ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন  বাইজিদ আহমেদ। বইটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। বইটি পাওয়া যাচ্ছে ৫৬৫/৫৬৯  নম্বর স্টলে।‎‎লেখালেখির পাশাপাশি শাম্মী তুলতুল  খবর পাঠ ও আবৃত্তি শিল্পের সাথে জড়িত।তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে চোরাবালির বাসিন্দা, গণিত মামার চামচ রহস্য, ভূত যখন বিজ্ঞানী, নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য, একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে । ২০২২ সালে কলকাতা বইমেলাতেও  তার অনুগল্পের বই  "নরকেআলিঙ্গন" প্রকাশিত হয়।‎‎নতুন বই প্রসঙ্গে শাম্মী তুলতুল বলেন,‎“আমি এবারের বইমেলায় একটি ইসলামিক গল্পের বই প্রকাশ করেছি। মুসলিম লেখকদের উচিত তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে ইসলামের সঠিক শিক্ষা আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়া। বিশেষ করে  শিশুদের এসব জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। ‎তিনি আরও বলেন,‎ এটি আমার ১৭তম বই। আমার প্রায় সব বই বেস্টসেলার হয়েছে। শিশুসাহিত্য লেখা সবচেয়ে কঠিন কাজ, কারণ শিশুদের মনের মতো করে লিখতে হয়। এই বই নিয়েও আমি পাঠক মহলে অনেক আশাবাদী।‎সামগ্রিকভাবে বলা যায়, "গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)” শুধু একটি গল্পগ্রন্থ নয়; এটি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।উল্লেখ্য শাম্মী তুলতুল চট্রগ্রামের সাহিত্যমোদী পরিবারের সন্তান। তিনি  প্রয়াত  বীর মুক্তিযোদ্ধার কন্যা।

রক্তে কেনা স্বাধীনতা

রক্তে কেনা স্বাধীনতা লাল সবুজের পতাকাশহীদদের রক্ত স্রোত নয় কোন রটনা,বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক ঘটনাছাব্বিশে মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা।ঘর ছেড়ে সব তরুণ অস্ত্র হাতেনয় মাস জুড়ে যুদ্ধ করে,স্বাধীনতা এসেছে রক্তের স্রোত পেরিয়েবিজয় নিশান ওড়ে আকাশজুড়ে।স্বাধীনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পর্ধিত উচ্চারণমানবিক মর্যাদা সাম্য সুশাসন জাগরণ,মানবিকতার আলোয় গড়ি ন্যায়ের বাংলাদেশরক্তে কেনা স্বাধীনতা হোক গৌরবের আবেশ।স্বাধীনতা শক্তি সাহস প্রেরণাত্যাগের মানসিকতা সদাচারণ উদারতা,স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষায় শপথ করিসবার জন্য মানবিক বাংলাদেশ গড়ি।লেখক পরিচিতি:লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক।

নারী

উৎসর্গ : যতনে রেখেছে জগৎটাকে যে সকল নারী জাগরণ !!হে-নারী তুমি কখনও গগনচুম্বী চাঁদের মা বুড়ী!তুমি বাবা মায়ের শেষ সম্বল দু'নয়ন জুড়ী!নারী তুমি মাতৃস্নেহের শান্ত পরশ!তুমি আলোড়িত সন্তানের জ্বালাময়ী জন্ম জঠর!নারী তুমি ছেলে বেলার প্রথম রাঙ্গা প্রেমের শশী!তুমি ধরা বনে প্রেমের বানে-বিধাওভালবাসার প্রেম বাসুড়ী!হে-নারী তুমি সন্তান ছিন্ন নিপিড়ীত একাকীত্বের বন্ধন!তুমি সীমাহীন সিক্ত অসাড় ক্লান্ত দেহেবিশ্বস্ত ভালবাসার রন্ধন!নারী তুমি মায়া-তুমি মহামায়া!তুমি মায়াবী রুপে ধরো হাল-উরাও পাল!তুমি শান্তির বার্তা বেশে-রক্ষা করো সকল ধর্মের ধর্মকল!নারী তুমি সৃষ্টির সেরা রুপ-তুমি মানব জন্মে-জন্ম নেওয়াসুখরিত শুক'রঞ্জন ধুপ!নারী তুমি কত শত বাহু বন্ধনে আবদ্ধপরম তৃপ্তির তীর্থ দীপ্ত রজনীর রাজহংসী!হে-নারী তুমি ক্রুদ্ধ-তুমি রুষ্ট!তোমার মাঝে জেগে ওঠে হিংস্র মহা'সমুদ্র!তোমার কিঞ্চিৎ ভালবাসার মিথ্যা ফনায়স্তব্ধ হয়ে-সোনার মানুষ-অমানুষেরগর্ভে বীজ বাষ্প ছড়ায়!নারী তুমি জন্ম-তুমি জন্ম জন্মান্তরের মহাকাল!তুমি প্রসব যন্ত্রনায় মোড়া-নব শিশুর শিতল পরশ বুলাওষ্ঠ গালে আবেগি শান্তির ছোঁয়া!নারী তুমি মহা'বিস্ময়-তুমি জন্ম রবের অনুরব!তুমি চির যৌবনা।তুমি যৌবন হারানো মাতৃ রুপেরশেষ অনুভব!হে-নারী তুমি থাকো নানা রুপে নানা রঙ্গে!একই অঙ্গে নানা ঢংঙ্গে!নারী তুমি পাষান-তুমি বিতাড়ীত-তুমি কোমল!তুমি ছিন্ন মস্তক মুন্ডিত মহাকালি!তুমি রক্তচক্ষু দাবা নলে অগ্নিশিখারআগ্নেয়গিরি!নারী তুমি মাতৃস্নেহের কোমল জঠরাগ্নি সর্বনাশা!তুমি আশ্রিত পুজিত লালিত মায়া ধরাহিংস্র জাদুমূর্তি!হে-নারী তুমি প্রভাত ফেরী!তুমি কখনো-ছোট্ট খুকির কোলেপরম মমতায়-বাবার মাথা আগলে রাখাদুর্ভেধ্য সোনামুখী ভালবাসার পানকৌড়ি!নারী তুমি লোভী-তুমি অস্থির-তুমি যান্ত্রিক!তুমি কুটনি-তুমি সর্বগ্রাসী-তুমি ধ্বংস'নিশি!তুমি প্রলয়!তুমি নৃত্যরত সর্বগ্রাসী ভালোবাসি!তুমি প্রেম!তুমি প্রেম পিন্ডের অভিশপ্ত রক্তভাসাভূ'কম্পন!নারী তুমি নিকুশ কালো আধার!তুমি মহা জাগতিক!তুমি অজানা অচেনা প্রশ্নের উত্তর না পাওয়াঅতৃপ্ত আত্মার মহাকাশ তিথীর!হে-নারী তুমি ব্ল্যাকহোল-তুমি কৃষ্ণ বিবর গভীর!তুমি নক্ষত্রপুঞ্জ গিলে খাওয়া অদৃশ্য মহা'জাগতিক অলোকরশ্মীর ভীড়!নারী তুমি হারিয়ে যাওয়া তীর্থের তরী!তুমি চন্দ্র সূর্য দ্যাও পাড়ি!তুমি আর ফেরো নাবাপের বাড়ী!নারী তুমি ঈশ্বর নিয়তি গুপ্ত বিধির!জীবন রীতি নীতির ব্যাক্তবীর! হে-নারী তুমি আশীর্বাদসৃষ্টি'র সেবায় হয়েছেতোমার আবির্ভাব!তাই'তো তোমায় বেসেছি ভালো!ক্ষনজন্মে সর্বকুলে আলোতুমিই জ্বালো!নারী তুমি শেষ জীবনে জরিয়ে থাকা মাধবীলতা!তুমি অকৃত্রিম বন্ধুর বেশে পাশে থাকামরন যাএার শেষ প্রহর!নারী তুমি'ও হবে সর্বশান্তঅবেলার অবেলাতেজোড় ভাঙ্গা-পাঁজর হারাতীব্র যন্ত্রনার ভরাডুবি মৃত্যর পানশিতে!হে-নারী আমি'ও যাবো মিশে!পঁচা মাটির বিষের বিঁষে!আত্মার মাঝে আত্মা রূপে!আমাকে তুমি অবশ্যই খুঁজিবেপুনঃচৎ-খোদার সৃষ্টি রহস্যময় বৃষ্টি আর বহুরুপী নারী!রাত অনেক হলো-ঘুমোতে যাই !!সারা রাত লিখলে'ও দেরিতে সৃষ্টি মহানুভবএই আদম সন্তানের গুন'কির্তন শেষ হবার নয়!শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি-হে নারী..!

কুমিল্লায় সাহিত্যিক আড্ডা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় কবিতা আবৃত্তি, বিশ্লেষণ ও সাহিত্যিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণত নতুন-পুরোনো কবিতার পাঠছন্দ রূপক ও ভাবার্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করে এবং কবিতার গভীর অর্থ অনুধাবনে পাঠককে সহায়তা করে। এসময় কবিতা পাঠ ও আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত কবিরা তাদের নিজস্ব বা অন্য কবির কবিতা আবৃত্তি করেন। এরপর কবিতার গঠন বিষয়বস্তু ও নান্দনিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ) বেলা সাড়ে এগারো টায় কুমিল্লা মহানগরীর রাজগঞ্জ হিলটন টাওয়ারের ৫ম তলায়চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির কনফারেন্স রুমে জাতীয় কবিতা মঞ্চ ও কুমিল্লা কবি ফোরামের আয়োজনে কবি, লেখক ও সাহিত্যিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।জাতীয় কবিতা মঞ্চের সভাপতি মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর কুমিল্লা অঞ্চলের ভিপি মোঃ মোস্তফা কামাল। কবি, লেখক, সংগঠক, সাংবাদিক আজিম উল্লাহ হানিফ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ডাঃ খাইরুল ইসলাম, শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ সাইফুল আলম,কবি ও সাহিত্যিক মোঃ হাবিবুর রহমান হৃদয়,সংগঠক ও সমাজসেবক মোঃ আবদুল হান্নান, মেঘনা এয়ার ট্রাবলস এর ম্যানেজার আলাউদ্দিন তুষার, ইউনিট ম্যানেজার মোঃ হুমায়ুন কবির প্রমুখ।এসময় বক্তারা বলেন, কবিতা হলো অনুভূতি, আবেগ, ছন্দ ও কল্পনার সুনিপুণ মিশ্রণে তৈরি এক বিশেষ সাহিত্যরূপ যা পরিমিত শব্দ ও অলঙ্কারের মাধ্যমে পাঠকের হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে। এটি গদ্যের চেয়ে আলাদা যেখানে ছান্দসিক ভাষা রূপক এবং অনেক সময় গদ্য ছন্দের ব্যবহার করে জীবনের গল্প বা অনুভূতি শিল্পিতভাবে প্রকাশ করা হয়। ভাষা ও সাহিত্য একটি জাতির মনন ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। রুচিশীল ভাষা, শালীন আচরণ ও মানবিক চিন্তার বিকাশের মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গড়ে ওঠে—এমন লক্ষ্য সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনাসভা।অনুষ্ঠান শেষে সাহিত্যে অবদান রাখায় মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার, প্রভাষক ডাঃ খাইরুল ইসলাম ও মোঃ সাইফুল আলমকে নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।